জাতীয় প্রেসক্লাব নির্বাচন:সবুজ-আবদাল পরিষদ বিজয়ী।।সারওয়ার-সাইফুল প্যানেলের ফল প্রত্যাখ্যান,নতুন কমিটিকে কাজ করতে না দেয়ার ঘোষণা
|
ইউএসএনিউজ ডেস্ক: জাতীয় প্রেস ক্লাবের নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে বিক্ষোভ করেছেন পরাজিত প্যানেলের প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা।বিক্ষোভকালে তারা নোটিশ বোর্ড ভাঙচুর করে সেখানে টাঙানো নির্বাচনী ফলের শিট ছিঁড়ে ফেলেন এবং দোতলা থেকে ব্যালট বাক্স ছুড়ে ফেল দেন। এর আগে বিকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের তেতলায় আয়োজিত এক সভায় বিজয়ী সবুজ-আবদাল কমিটিকে অবৈধ ও অগ্রহণযোগ্য বলে দাবি করেন তারা। এ সময় প্যানেলের সভাপতি প্রার্থী গোলাম সারওয়ার, ইকবাল সোবহান চৌধুরী, সাইফুল আলম, আলতাফ মাহমুদ, হাসান শাহরিয়ার, মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল, শ্যামল দত্ত, আবু জাফর সূর্য ও শাহজাহান মিয়া উপস্থিত ছিলেন। সভায় ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন, এ নির্বাচন কমিশনের প্রতি আমাদের আস্থা নেই। তারা ভোট জালিয়াতি করেছে। সভায় উপস্থিত সারওয়ার-সাইফুল প্যানেলের নেতারা নতুন কমিটিকে প্রেস ক্লাবে কাজ করতে না দেয়ার ঘোষণা দেন। এর আগে শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটি (২০১১-১২)’র নির্বাচন সম্পন্ন হয়। গতকাল সকালে ঘোষিত ফলে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা বাসস-এর কামাল উদ্দিন সবুজকে সভাপতি এবং আমার দেশ-এর সৈয়দ আবদাল আহমদকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়। কামাল উদ্দিন সবুজের নেতৃত্বাধীন সবুজ-আবদাল পরিষদ প্রতিদ্বন্দ্বী প্যানেলের ৪ সদস্য ছাড়া সভাপতি-সম্পাদকসহ সব পদে বিজয়ী হন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্যানেলের নেতৃত্বে ছিলেন সমকাল-এর প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক গোলাম সারওয়ার। ঘোষিত ফলে সভাপতি পদে কামাল উদ্দিন সবুজ ৩৭২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী গোলাম সারওয়ার পেয়েছেন ২৩৩ ভোট। সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে কাজী রওনাক হোসেন ৩৫১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সৈয়দ আখতার ইউসুফ পান ২৪৯ ভোট। সহ-সভাপতি পদে বখতিয়ার রানা ৩৫৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. আইয়ুব ভূঁইয়া পান ২৩১ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে সৈয়দ আবদাল আহমদ ৩১৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাইফুল আলম পেয়েছেন ২৮৯ ভোট। যুগ্ম সম্পাদকের দু’টি পদে কাদের গণি চৌধুরী ৩২৬ ভোট এবং নুরুল হাসান খান ৩৩৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী যথাক্রমে পারভীন সুলতানা মুসা ঝুমা ২৯০ এবং ভানুরঞ্জন চক্রবর্তী ১৮৮ ভোট পেয়েছেন। কোষাধ্যক্ষ পদে বদিউল আলম ৩৫৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনায়েত হোসেন খান পেয়েছেন ২৪৯ ভোট। সদস্য পদে নির্বাচিতরা হলেন- হাসান হাফিজ ৩৪৩ ভোট, জহিরুল আলম ৩৩৭ ভোট, একেএম মহসীন ৩১১ ভোট, শামসুদ্দিন আহমেদ চারু ৩০৮ ভোট, ফরিদ হোসেন ৩০২ ভোট, ফরিদা ইয়াসমিন ২৯৯ ভোট, নুরুদ্দিন আহমেদ ২৮৮ ভোট, গোলাম মহিউদ্দিন খান ২৭৪ ভোট, মাঈনুল আলম ২৭৩ ভোট, নাজমুল আহসান ২৬৯ ভোট। তবে ভোট গণনার শেষ পর্যায়ে এসে এজেন্টদের গণনা কক্ষ থেকে বের করে নিয়ে সারওয়ার-সাইফুল পরিষদের প্রার্থীরা প্রেসক্লাব থেকে বেরিয়ে যান। নির্বাচন কমিশনারদের তরফে রাতভর এজেন্ট এবং প্রার্থীদের সঙ্গে দফায় দফায় আলোচনা চলে। এসময় প্রেসক্লাবের গেটে দু’পক্ষের মধ্যে কিছুটা হৈচৈ হয়। সকালে সরওয়ার-সাইফুল প্যানেলের প্রার্থী ও এজেন্টদের অনুপস্থিতিতেই নির্বাচন কমিশন গঠনতন্ত্র মোতাবেক ফল ঘোষণা করেন। বিকেলে সারওয়ার-সাইফুল প্যানেলের পরাজিত প্রার্থীরা তাদের অনুপস্থিতিতে ফল ঘোষণা এবং নির্বাচনে নির্ভুল ভোটার তালিকা না থাকার অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ করেন। সভায় নির্বাচনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে মামলা দায়েরের জন্য পরাজিত প্যানেলের প্রার্থীরা সিদ্ধান্ত নেন।
|
সর্বশেষ সংবাদ
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests
- ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ
- Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান
- Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030
- বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর
- ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি