জাপানের ফুকুশিমা পরমাণু কেন্দ্রের ছিদ্র বন্ধ
ইউএসএনিউজ ডেস্ক: জাপানের ফুকুশিমা পরমাণু কেন্দ্র থেকে তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়া বন্ধ করার ক্ষেত্রে প্রাথমিক সাফল্যের খবর পাওয়া যাচ্ছে৷টোকিও ইলেকট্রিক পাওয়ার কোম্পানির এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, সমুদ্রে তেজস্ক্রিয় জল মিশে যাওয়া বন্ধ করতে সোডিয়াম সিলিকেট ঢালার কাজে সাফল্য এসেছে৷উল্লেখ্য, গত শনিবার পরমাণু কেন্দ্রের একটি জায়গায় ছিদ্র ধরা পড়েছিল, যেখান দিয়ে অতি মাত্রায় তেজস্ক্রিয় জল বেরিয়ে যাচ্ছিল৷ভূমিকম্পের ফলে সংঘটিত জলোচ্ছ্বাসের প্রভাবে জাপানের ফুকুশিমার প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুত্ কেন্দ্রের বিপদজনক অবস্থায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় পারমাণবিক রশ্মি বিচ্ছুরণের ঘটনা ঘটে।১১ মার্চ ভূমিকম্পের পর ফুকুশিমার পারমাণবিক বিদ্যুত্ কেন্দ্রের ছয়টি বিদ্যুত্ উত্পাদন যন্ত্রের মধ্যে চারটিতে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণ থেকে সৃষ্ট তেজস্ক্রিয়তা জাপানের রাজধানী টোকিওসহ নানা অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে।চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা প্রকাশিত সর্বশেষ উপাত্ত অনুযায়ী, এখন পৃথিবীতে মোট ৪০০টিরও বেশি পারমাণবিক বিদ্যুত্ উত্পাদন যন্ত্র চালু রয়েছে। পারমাণবিক বিদ্যুত্ উত্পাদনের পরিমাণ প্রায় বিশ্বের মোট বিদ্যুত্ উত্পাদনের পরিমাণের ১৬ শতাংশ। জাপানে ৫৪টি পারমাণবিক বিদ্যুত্ কেন্দ্র রয়েছে। সে দেশের পারমাণবিক বিদ্যুত্ উত্পাদনের দক্ষতা পৃথিবীতে তৃতীয় স্থানে। এবারের ফুকুশিমা পারমাণবিক দুর্ঘটনা বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলকে বিস্মিত করেছে। অনেক দেশ সঙ্গে সঙ্গে প্রতিক্রিয়া করেছে। কিছু ইউরোপীয় দেশ পারমাণবিক বিদ্যুত্ কেন্দ্র উন্নয়নের নীতি সংকোচন করেছে। সম্প্রতি জার্মানি ঘোষণা করেছে, অস্থায়ীভাবে সাতটি পারমাণবিক বিদ্যুত্ কেন্দ্র বন্ধ করবে এবং সব পারমাণবিক বিদ্যুত্ কেন্দ্রের নিরাপত্তা পরীক্ষা করবে।
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests
- ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ
- Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান
- Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030
- বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর
- ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি