Thursday, 23 July 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’ ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030 বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি Dr. Titumir calls for UN-led debt relief mechanism to safeguard investment in children and women Commerce Minister meets ECOSOC President and Vice-President to advance Bangladesh’s smooth LDC graduation
সব ক্যাটাগরি

জামায়াতের ৪ শীর্ষ নেতার আবেদন খারিজ

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 15 বার

প্রকাশিত: December 15, 2010 | 8:32 AM

ইউএসএ  নিউজ ডেস্ক : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ চার নেতার বিরুদ্ধে আর্ন্তজাতিক অপরাধ ট্রাইবুন্যালের কার্যক্রম বাতিল চেয়ে করা আবেদনগুলো  খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। বুধবার বিকেলে বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি এ কে এম আবদুল হাকিম সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ খারিজাদেশ দেন। এর আগে, গত সোমবার পাঁচদিন উভয়পক্ষের শুনানি গ্রহণ শেষে আজ আদেশের দিন ধার্য করেছিলেন আদালত।

 

 

  জামায়াতের চার নেতা হলেন-আমির মতিউর রহমান নিজামী, আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, মুহাম্মদ কামারুজ্জামান ও আবদুল কাদের মোল্লা। বর্তমানে তারা ট্রাইব্যুনালের আদেশে কারাগারে আটক আছেন। জানা যায়, গত আগস্ট মাসে তাদের বিরুদ্ধে আর্ন্তজাতিক অপরাধ ট্রাইবুন্যালের কার্যক্রম বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়। গত ৬ ডিসেম্বর আবেদনের ওপর শুনানি শুরু হয়। আদালতে চারজনের পক্ষে আইনজীবী আব্দুর রাজ্জাক ও রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এম কে রহমান শুনানি করেন। আব্দুর রাজ্জাক শুনানিতে বলেছিলেন, ১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুন্যাল আইন অনুযায়ী কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন না করে কোনও ধরনের গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা যায় না। এমনকি আটক রাখার আদেশ দেওয়া যায় না। কিন্তু আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে কোনও ধরনের অভিযোগ গঠন ছাড়াই আটক রাখার আদেশ দেওয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ট্রাইবুন্যাল যে কার্যক্রম নিয়েছে তা এখতিয়ার বহির্ভুত। এর বিরোধীতা করে রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এম কে রহমান বলেছিলেন, আর্ন্তজাতিক অপরাধ ট্রাইবুন্যালের কোনও কার্যক্রম নিয়ে হাইকোর্টে কোনো ধরনের প্রশ্ন তোলা যাবে না। হাইকোর্টে এ ধরনের আবেদন করা যাবে না। আদালতের এ ধরনের আবেদন গ্রহণের এখতিয়ার নেই। উল্লেখ্য, নিজামী ও মুজাহিদকে গত ২৯ জুন গ্রেফতার করা হয়। আর কামারুজ্জামান ও কাদের মোল্লাকে ১৩ জুলাই গ্রেফতার করা হয়। গত ২২ জুলাই জামায়াতের এই চার নেতাকে গ্রেফতার দেখানোর জন্য প্রসিকিউশন শাখায় আবেদন করে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। আবেদনটি রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা ২৫ জুলাই ট্রাইব্যুনালে জমা দেন। ২৬ জুলাই ট্রাইব্যুনাল তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন। এরপর ট্রাইব্যুনাল তাদের আটক রাখার নির্দেশ দেন।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV