Thursday, 22 October 2026 |
শিরোনাম
ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট ইউএসএর সাধারণ সম্পাদক ড. সাদিয়া আফরিন এরা চরমোনাই পীরের যুক্তরাষ্ট্র সফর উপলক্ষে নিউইয়র্কে দোয়া মাহফিল, কুরআন-সুন্নাহর আলোকে বয়ান New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের
সব ক্যাটাগরি

জীবনের শেষ সময়ে গাদ্দাফি বই পড়তেন, চা বানাতেন

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 79 বার

প্রকাশিত: October 25, 2011 | 12:43 PM

জীবনের শেষ দিনগুলোতে সির্ত শহরের একস্থান থেকে অন্য স্থানে পালিয়ে বেড়ান লিবীয় নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফি। চোখের সামনেই তাঁর শাসনব্যবস্থা ধূলিসাত্ হয়ে যাওয়ায় তিনি ছিলেন ক্ষুব্ধ ও বিষণ্ন। গাদ্দাফির একসময়ের প্রধান দেহরক্ষীর দায়িত্ব পালনকারী মানসুর দাও এ কথা বলেছেন।
দি ওয়াশিংটন পোস্ট জানায়, গাদ্দাফির নিজ গোত্রের সন্তান মানসুর। তিনি বর্তমানে মিসরাতার একটি কারাগারে।
২০ অক্টোবর ন্যাশনাল ট্রানজিশনাল কাউন্সিল (এনটিসি) যোদ্ধাদের হাতে গাদ্দাফি আটক এবং নিহত হওয়ার সময় তাঁর অনুগত যেসব যোদ্ধাকে জীবিত অবস্থায় আটক করা হয়, তাঁদের একজন মানসুর। তিনি বলেছেন, যুদ্ধের শেষের দিকে গাদ্দাফি, তাঁর ছেলে মুতাসিম এবং ঘনিষ্ঠ অন্যরা বিভিন্ন সময়ে সির্ত শহরের কয়েকটি পরিত্যক্ত বাড়িতে অবস্থান করেন। এ সময় বাইরের জগত্ থেকে তাঁরা ছিলেন একেবারে বিচ্ছিন্ন। ওই পরিত্যক্ত বাড়িগুলোতে ছিল না কোনো টেলিভিশন, ফোন বা কোনো বিদ্যুত্সংযোগ। রাতের অন্ধকারে তাঁদের আলোর একমাত্র উত্স ছিল মোমবাতি।
মানসুর জানান, শেষ দিনগুলোতে গাদ্দাফি বই পড়তেন, বিভিন্ন ঘটনা নোট করে রাখতেন, কখনো কখনো কয়লার স্টোভে চা বানিয়ে সময় কাটাতেন। তিনি যুদ্ধ পরিচালনা করতেন না। সেটা করতেন তাঁর ছেলেরা। তিনি কোনো পরিকল্পনা করতেন না, এমনকি কোনো পরিকল্পনা নিয়েও ভাবতেন না।
মানসুর বলেন, রাজধানী ত্রিপোলিতে বিদ্রোহী যোদ্ধারা ঢুকে পড়ার আগেই ১৮ বা ১৯ আগস্ট গাদ্দাফি বাব আল আজিজিয়া কম্পাউন্ড ছেড়ে পালান। রাজধানীর পতনের পর তিনি সরাসরি সির্ত শহরের উদ্দেশে রওনা হন। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন মুতাসিম। আর সাইফ আল-ইসলাম বনি ওয়ালিদে চলে যান। এক সপ্তাহ পর মানসুর সির্ত শহরে গাদ্দাফির সঙ্গে মিলিত হন। গাদ্দাফির গোয়েন্দা প্রধান আবদুল্লাহ আল-সেনুসি তখন সির্ত আর সাবা শহরে যাওয়া-আসা করছিলেন। এনটিসি যোদ্ধাদের হাতে আটক হওয়ার পর তাঁর নেতার (গাদ্দাফির) ভাগ্যে কী ঘটেছে, তা তিনি বলতে পারেন না।
মানসুর জানান, গাদ্দাফিকে তাঁর সহযোগীরা দেশ ছাড়তে অনুরোধ করেছিলেন। তবে তিনি তা প্রত্যাখ্যান করে বলেন, পূর্বপুরুষের মাটিতেই তিনি মৃত্যুবরণ করতে চান।
মানসুর বলেন, ‘তাঁর জন্য আমার দুঃখ হয়। কারণ তিনি পরিস্থিতিকে অবজ্ঞা করেছেন। তিনি দেশ ছেড়ে অন্যত্র চলে গিয়ে শান্তিতে জীবনযাপন করতে পারতেন।’
মানসুর দাও ১৯৮০ সাল থেকেই গাদ্দাফি বাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। নব্বইয়ের দশকে তিনি গাদ্দাফির ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষীদের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে তিনি কথিত ‘পিপলস গার্ড’-এর কমান্ডার ছিলেন। গাদ্দাফিবিরোধীদের খুঁজে বের করাই ছিল ওই বাহিনীর কাজ।প্রথম আলো

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ