ঝকঝকে সাদা ও নিরোগ দাঁত পেতে সহজ ৫ টিপস
কাজী আরিফ আহমেদ: দাঁত থাকতে দাঁতের মর্যাদা না বুঝলে ক্ষতিটা আপনারই। যিনি দাঁতের নানা সমস্যায় ভুগছেন বা কয়েকটি দাঁত হারিয়েছেন, তাকে জিজ্ঞেস করুন। উত্তরটা সঙ্গে সঙ্গেই পেয়ে যাবেন। অকালে দাঁতের নানা সমস্যায় ভোগার পর বোঝার চেয়ে উপলব্ধিটা আগে হওয়াই শ্রেয়। বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে দাঁতের চিকিৎসাও ভীষণ যন্ত্রণার। টাকার অঙ্কটাও কম নয়। সুনির্মল হাসির জন্য কিংবা শক্ত কিছু খাওয়ার জন্যই হোক, ঝকঝকে সাদা দাঁত সবাই পেতে চান। কিন্তু, অনেকেই সহজ কোন সমাধান খুঁজে পান না। বিশেষজ্ঞরা খুব সহজ কিছু পরামর্শ বরাবরই দিয়ে থাকেন। চিকিৎসকের কাছে যাতে দৌড়াতে না হয়, সে জন্য এখানে সে ধরনের সহজ ৫টি টিপস দেয়া হলো:
দিনে ২ বার ব্রাশ করুন: প্রধানত, গণমাধ্যমের কল্যাণে এখন প্রায় সবাই জানেন দিনে দু’বার ব্রাশ করার কথা। একবার সকালে, আরেকবার রাতে। কিন্তু, সেটা মেনে চলেন ক’জন! অর্থাৎ, গোড়াতেই রয়ে গেছে গলদ। দাঁতের চিকিৎসকদের মতে, সকালে নাস্তা খাওয়া ও রাতে ভারি খাবার খাওয়ার পরই দাঁত ব্রাশের সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। একই সঙ্গে হাল্কাভাবে জিহ্বাটাও ব্রাশ করে নিন। তাতে মুখ থাকবে দুর্গন্ধমুক্ত।
নিয়মিত টুথব্রাশ পরিবর্তন করুন: প্রতি ২ বা ৩ মাসে একবার টুথব্রাশ পরিবর্তন করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, ব্রাশের ক্ষয়ে যাওয়া ব্রিসল আপনার দাঁতকে যথাযথভাবে পরিস্কার করতে পারে না ও খুব বাজেভাবে মাড়ির ক্ষতিসাধন করতে পারে। হেলাফেলা করে এ বিষয়টা এড়িয়ে যাবেন না।
মাউথওয়াশ ব্যবহার করুন: আগে মাউথওয়াশের তেমন ব্যবহার ছিল না। কিন্তু, আজকাল চিকিৎসকরা মাউথওয়াশ নিয়মিত ব্যবহারের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। তবে, মাউথওয়াশের ওপর খুব বেশি নির্ভরশীল হওয়াটা উচিত নয়। মাউথওয়াশ ব্যবহারের সঠিক নির্দেশনা অনুসরণ করুন। প্রতিবার খাওয়ার পর দাঁতের ফাঁকে বা মাড়ির গোড়ায় যে খাদ্যকণা জমে থাকে, তা পরিস্কার করতে মাউথওয়াশ ব্যবহার করতে পারেন। আর যদি মাউথওয়াশ ব্যবহার করতে না চান, সেক্ষেত্রে প্রতিবার খাওয়ার পর খুব ভালোভাবে শুধু পানি দিয়ে কুলি করে মুখের ভেতরটা পরিস্কার রাখুন।
চিনিযুক্ত বা মিষ্টি ও ঠাণ্ডা খাবার কম খান: মিষ্টি, কেক, চকলেট, সুমিষ্ট পানীয় বা এ জাতীয় অন্য খাবার যতোটা সম্ভব কম খাবেন। কারণ, মিষ্টি খাবার খাওয়ার পর খাদ্যকণা হিসেবে যদি তা দাঁতের ফাঁকে আটকে থাকে, তাতে আপনার দাঁত দ্রুত ক্ষয়প্রাপ্ত হবে। মাড়ি আরও স্পর্শকাতর হয়ে উঠবে। শিরশির করবে। এক পর্যায়ে তা দাঁতের বড় কোন সমস্যায় পরিণত হতে পারে। একই কথা প্রযোজ্য ঠাণ্ডা পানীয় বা খাবারের জন্য।
ধূমপান ও অ্যালকোহল বর্জন করুন: ধূমপানের ফলে দাঁত হলুদ হয়ে যাওয়ার সমস্যাতো আছেই। ধূমপান বা অ্যালকোহল সেবনের ফলে মাড়ির অন্য রোগ যেমন শুষ্ক মুখ, দাঁতব্যথা, স্পর্শকাতর মাড়ি ও মুখের ক্যান্সারের মতো ভয়াবহ সমস্যাও দেখা দিতে পারে।
সবশেষে, ওপরের এ পরামর্শগুলো কঠোরভাবে অনুসরণের পাশাপাশি ৬ মাসে অন্তত একবার দাঁতের চিকিৎসকের কাছে দাঁত পরীক্ষা করানোটাও জরুরি। এ টিপসগুলো মেনে চলুন এবং নিজেই পরিবর্তনটা লক্ষ করুন। আপনার ঝকঝকে দাঁতের সুনির্মল হাসি দিয়ে মানুষের মন জয় করুন।মানবজমিন
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests
- ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ
- Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান
- Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030
- বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর
- ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি