টুইন টাওয়ারে হামলার পর এই প্রথম ব্যয় কমিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বাজেট প্রস্তাব
ইউএসএনিউজ ডেস্ক: ব্যয় কমিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ২০১২ অর্থবছরের প্রতিরক্ষা বাজেট তৈরি করেছে। টুইন টাওয়ারে হামলার পর এই প্রথম প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় কম ধরা হয়েছে। ইরাক ও আফগানিস্তানে যুদ্ধব্যয় কমানোর মাধ্যমে প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় হ্রাস করা হয়েছে বলে প্রস্তাবিত বাজেটে বলা হয়েছে। গত সোমবার প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগনের এক বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়।নতুন বছরের বাজেটে মোট প্রতিরক্ষা ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৭ হাজার ১০০ কোটি ডলার। এর মধ্যে ইরাক ও আফগানিস্তানের যুদ্ধব্যয় ছাড়া সেনাঘাঁটির ব্যয় অন্তর্ভুক্ত। আগের বছর মোট প্রতিরক্ষা ব্যয় ধরা হয়েছিল ৭০ হাজার ৮০০ কোটি ডলার।
নতুন বাজেটে দূরপাল্লার বোমা নিক্ষেপকারী বিমান, ড্রোন, হেলিকপ্টার, যুদ্ধজাহাজ, সাবমেরিন, ক্ষেপণাস্ত্র বিধ্বংসী অস্ত্র এবং অন্যান্য অস্ত্রশস্ত্র ব্যয়সহ মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১১ হাজার ৩০০ কোটি ডলার। বিভিন্ন স্থানে যুদ্ধে জড়িত থাকায় গত কয়েক বছরে দেশটিতে যুদ্ধব্যয় বেড়ে যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে ব্যয় কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।গত কয়েক বছরে প্রতিরক্ষা বাজেটে ঘাটতি উত্তরোত্তর বেড়ে যাওয়ায় প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার ওপর ব্যয় কমানোর ব্যাপারে রাজনৈতিক চাপ ছিল। নতুন বাজেটে ওবামার সেই চাপ এড়ানোর চেষ্টা ধরা পড়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। গেটসও বাজেট কমানোর পক্ষপাতী ছিলেন। তিনি জানান, সারা বিশ্বে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য নিরাপত্তা হুমকি বিবেচনা করে চলতি বাজেটে ব্যয় সর্বনিম্ন রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। তবে সরকারের অন্য ক্ষেত্রে লাল ফিতার দৌরাত্ম অপচয় অনেক বেশি হচ্ছে।সেনাঘাঁটিগুলোর প্রতিরক্ষা বাজেট আগের বছরের তুলনায় একটু বেড়েছে। বৃদ্ধির পরিমাণ শতকরা এক ভাগেরও কম। গেটস জানান, ৯/১১ হামলার পর সেনাঘাঁটিগুলোর ব্যয় যেভাবে বেড়েছে, এর তুলনায় বর্তমান ব্যয় অনেক নিয়মমাফিক ও মিতব্যয়ী।তবে প্রতিরক্ষা ব্যয়বৃদ্ধির কট্টর সমালোচক প্রতিরক্ষা তথ্যকেন্দ্রের উইনস্লো হুইলার প্রস্তাবিত বাজেটকে আগের মতোই মনে করছেন। ‘আসলে আগেরগুলোর সঙ্গে এর তেমন পার্থক্য নেই। বর্তমান উদ্যোগ বাজেট ঘাটতির সমস্যা সমাধানে খুব একটা কাজে আসবে না।’দৈনিক যুদ্ধব্যয় ৩০ কোটি ডলার ইরাক থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের কারণে পেন্টাগনের প্রস্তাবিত প্রতিরক্ষা বাজেট কম হয়েছে। কিন্তু বর্তমানে আফগানিস্তানে প্রতিদিন প্রায় ৩০ কোটি ডলার ব্যয় হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের। প্রস্তাবিত বাজেটে দেখা যায়, ২০১২ সালে ইরাক ও আফগানিস্তানে যুদ্ধব্যয় ধরা হয়েছে ১১ হাজার ৭৮০ কোটি ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় চার হাজার ১৫০ কোটি ডলার কম।ইরাক থেকে সেনা প্রত্যাহারের ফলে সেখানে যুদ্ধব্যয় অনেক কমেছে। কিন্তু ইরাকিদের পুনর্বাসনে সহায়তার জন্য সেখানে এখনো ৫০ হাজার মার্কিন সেনা আছে। তাদের পেছনে ব্যয় ধরা হয়েছে এক হাজার ৬০ কোটি ডলার। ২০১১ সালের মধ্যে ইরাক থেকে বাকি সেনাও প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়ে রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র।প্রস্তাবিত বাজেটে আফগানিস্তানে যুদ্ধব্যয় ধরা হয়েছে ১০ হাজার ৭৩০ কোটি ডলার। প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা অঙ্গীকার অনুযায়ী আগামী জুলাইয়ের মধ্যে আফগানিস্তান থেকে ৯৭ হাজার সেনা প্রত্যাহার করা হবে। তবে ২০১২ সালের শেষ নাগাদ দেশটিতে আরো ৯৮ হাজার ২৫০ জন সেনা থাকবে। তাদের কবে প্রত্যাহার করা হবে সে ব্যাপারে কোনো ইঙ্গিত দেওয়া হয়নি প্রস্তাবিত বাজেটে। সূত্র : এএফপি।
- নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনকের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার মাহফিল
- New York Attorney General James Releases Statement on Live Nation Trial
- নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল
- নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ৭ মার্চ ঘড়ির কাঁটা এক ঘন্টা এগিয়ে যাবে
- নিউইয়র্কে জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- Radwan Chowdhury Announces Candidacy for Montgomery County Council At-Large, Launches “Five-Pillar Blueprint” for Accountable Governance.








