Tuesday, 10 March 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনকের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার মাহফিল New York Attorney General James Releases Statement on Live Nation Trial নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ৭ মার্চ ঘড়ির কাঁটা এক ঘন্টা এগিয়ে যাবে নিউইয়র্কে জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ও দোয়া মাহফিল Radwan Chowdhury Announces Candidacy for Montgomery County Council At-Large, Launches “Five-Pillar Blueprint” for Accountable Governance. New York Attorney General James Reminds New Yorkers of SNAP Work Requirements নিউইয়র্কে ডিজিটাল ওয়ান ট্র্যাভেলস এবং বাংলা ট্র্যাভেলস এর ইফতার মাহফিল
সব ক্যাটাগরি

ডলারের দাম আকাশছোঁয়া

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 132 বার

প্রকাশিত: April 7, 2011 | 1:09 AM

সেলিম হোসেন: বেড়েই  চলেছে ডলারের দাম। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য মতে, গত তিন মাসের মধ্যে ডলারপ্রতি দাম বেড়েছে ১ টাকা ৮৫ পয়সা থেকে ১ টাকা ৮৭ পয়সা। গত ছয় মাসের মধ্যে বেড়েছে ডলারপ্রতি ২ টাকা ২৮ পয়সা থেকে ২ টাকা ৩০ পয়সা। এছাড়া গত এক বছরের তুলনায় বেড়েছে ৩ টাকা ৫৪ পয়সা থেকে ৩ টাকা ৫৬ পয়সা। তবে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বাজারে ডলার সরবরাহের চেয়ে চাহিদা বেশি থাকায় দাম বাড়ছে। সামপ্রতিক সময়ে আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়াটাই এর মূল কারণ হিসেবে মনে করছেন তারা।বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে গতকাল প্রতি ডলার ৭২ টাকা ৭৯ পয়সা থেকে ৭২ টাকা ৮২ পয়সায় এবং খোলাবাজারে তা ৭৫ টাকা ২৫ পয়সা থেকে ৭৫ টাকা ৩০ পয়সায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।ডলারের দাম বাড়ার ফলে আমদানি ব্যয় বেড়ে যাবে। ফলে খরচ মেটাতে দ্রব্যমূল্যের দামও বৃদ্ধি পাবে। এতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাবে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ার কারণে ডলারের চাহিদা বাড়ছে এবং বাজারে এক ধরনের সঙ্কট তৈরি হয়েছে। এ সঙ্কট মেটাতে ব্যাংকগুলো বেশি দামে ডলার কিনছে। তারা আন্তঃব্যাংক লেনদেন করছে। এছাড়া প্রায়ই তারা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে দ্বারস্থ হচ্ছে। গত দু’তিন দিন ধরে বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন ব্যাংককে ২ কোটি ডলার থেকে ৩ কোটি ডলার পর্যন্ত দিয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, চলতি ২০১০-১১ অর্থবছরে বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন ব্যাংকের কাছে ৭৫ কোটি ৭০ লাখ  ডলার বিক্রি করেছে এবং তাদেরকে ৫২ কোটি ডলার ধার দিয়েছে।
দেশের রিজার্ভের বেশির ভাগ অংশই সংরক্ষণ করা হয় ডলারে। অপরদিকে আমদানি ব্যয়ের ৯৯ শতাংশই পরিশোধ করা হয় ডলারে। একক মুদ্রা হিসেবে ডলারেই আমদানি ব্যয় পরিশোধ করা হয় বলে ডলারের দাম বেড়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
জনতা ব্যাংকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক তোফাজ্জেল হোসেন জানান, আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ার কারণে ডলারের চাহিদা বেড়ে গেছে। তবে এ চাহিদা চলতি মাসেই কমে আসবে। তিনি জানান, ডলারের চাহিদা থাকার কারণে দাম বেড়ে গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক ডলার সরবরাহ না করলে ডলারের দাম বর্তমানে ৭৫ টাকা ছাড়িয়ে যেতো। প্রাইম ব্যাংকের এক কর্মকর্তা জানান, ফেব্রুয়ারিতে তাদের যে পরিমাণ আমদানি ব্যয় হয়েছিল মার্চে তার দ্বিগুণ আমদানি হয়েছে। অর্থাৎ, তারা ফেব্রুয়ারিতে ২ কোটি ডলারের ঋণপত্র (এলসি) নিষ্পত্তি করে এবং মার্চে তারা ৪ কোটি ডলারের এলসি নিষ্পত্তি করে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. ফরাসউদ্দিন মানবজমিনকে বলেন, ডলারের চাহিদা বেশি থাকার কারণে এর দাম বেড়েছে। আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে এটা হয়েছে। তবে এটা নিয়ে আশঙ্কার কোন কারণ দেখছি না। বড় বড় শিল্পকারখানার যন্ত্রাংশ ও কাঁচামাল আমদানির পরিমাণ বাড়ছে। ফলে উৎপাদন বাড়বে। এছাড়া বিদ্যুৎ উৎপাদনও বাড়বে। এতে জাতীয় প্রবৃদ্ধিও পাবে।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. আকবর আলি খান বলেন, আমদানি ব্যয় বাড়ার ফলে ডলারের চাহিদা বেড়েছে। রপ্তানি আয় ও রেমিটেন্স খারাপ না। তবে সে হিসেবে বৈদেশিক সাহায্যের পরিমাণ কমেছে।মানবজমিন

ট্যাগ:
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV