Friday, 5 June 2026 |
শিরোনাম
SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট সিনেট নির্বাচনে বাংলাদেশি-আমেরিকান শেখ রহমানের টানা পাঁচবার জয় A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes নিউইয়র্কে নতুন সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘হৃদয় বীণা সংগীতালয়’র যাত্রা শুরু শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীতে নিউইয়র্কে ‘জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসী’র দোয়া মাহফিল
সব ক্যাটাগরি

ড. ইউনূসের বিষয়টি ‘৯৮ সালেই নিষ্পত্তি হয়ে গেছে – নরওয়ে

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 55 বার

প্রকাশিত: December 9, 2010 | 12:25 AM

ইউএসএ নিউজ ডেস্ক:  নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস বা তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংকের বিরুদ্ধে দুর্নীতি বা তহবিল  আত্মসাতের কোন প্রমাণ পায়নি নরওয়ের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (নোরাড)। ড. ইউনূস ১৯৮০ ও ১৯৯০-এর দশকে গ্রামীণ ব্যাংকের বিরাট অঙ্কের অর্থ অন্য একটি খাতে সরিয়ে নিয়েছিলেন বলে যে অভিযোগ উঠেছে তার তদন্ত করেছেন তারা। তার পরই ওই মন্তব্য করেছেন। নোরাড বিবৃতিতে বলেছে, ড. ইউনূস ওই সময়ে যে তহবিল স্থানান্তর করেছিলেন তা মূল তহবিলে ফিরিয়ে দেয়ার মাধ্যমে ১৯৯৮ সালের মে মাসেই নিষ্পত্তি হয়ে গেছে। নরওয়ের পরিবেশ ও আন্তর্জাতিক উন্নয়নবিষয়ক মন্ত্রী এরিক সোলেইম গতকাল এ মন্তব্য করেছেন। গ্রামীণ ব্যাংকের বিষয়ে নরওয়ের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহায়তা সংস্থা (নোরাড) তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার পর সোলেইম এ মন্তব্য করেন। তার নির্দেশে নোরাড গ্রামীণ ব্যাংকে ’৮০ ও ৯০-এর দশকে যে সহায়তা দিয়েছে সে বিষয়ে একটি প্রতিবেদন জমা  দেয়। নোরাড-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৯৯৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংক তার সহযোগী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ কল্যাণে মোট ৬০ কোটি ৮৫ লাখ নরওয়েজিয়ান ক্রোনার স্থানান্তর করে। এতে নরওয়ের অর্থ ছিল ১৭ কোটি ক্রোনার। ১৯৯৭ সালে ঘটনাটি জানার পর ঢাকার নরওয়ের দূতাবাস তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানায়। দূতাবাসের দৃষ্টিতে, এ স্থানান্তর নরওয়ের সঙ্গে গ্রামীণ ব্যাংকের চুক্তি অনুযায়ী হয়নি। তখন বিষয়টি গ্রামীণ ব্যাংকের কাছে জানতে চাওয়া হয়। দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনার পর ১৯৯৮ সালের  মে মাসে ঠিক করা হয়, ১৭ কোটি নরওয়েজিয়ান ক্রোনার গ্রামীণ কল্যাণ থেকে গ্রামীণ ব্যাংকের তহবিলে স্থানান্তর করা হবে। এরিক সোলেইম বলেন, এ অর্থ অসৎ উদ্দেশে ব্যবহৃত হয়েছে কিংবা গ্রামীণ ব্যাংক অর্থ নিয়ে দুর্নীতি বা আত্মসাৎ করেছে প্রতিবেদনে এমন  কোন ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। চুক্তি অনুযায়ী স্থানান্তর করা অর্থ গ্রামীণ ব্যাংকের তহবিলে ফেরত আনার মাধ্যমেই বিষয়টির মীমাংসা হয়ে গেছে। গত ৩০শে নভেম্বর সরকারি মালিকানাধীন নরওয়ে সমপ্রচার কর্তৃপক্ষের (এনআরকে)  টেলিভিশনে প্রচারিত ‘ক্ষুদ্রঋণের ফাঁদে’ (কট ইন মাইক্রো ক্রেডিট) প্রামাণ্য চিত্রে অভিযোগ করা হয়, নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী অর্থনীতিবিদ মুহাম্মদ ইউনূস দারিদ্র্য দূর করতে দাতাদের দেয়া গ্রামীণ ব্যাংকের ১০ কোটি ডলার (বর্তমান বাজার মূল্যে প্রায় ৭০০ কোটি টাকা) গ্রামীণ কল্যাণ নামের অন্য একটি প্র্রতিষ্ঠানে সরিয়ে নিয়েছেন। এরপর ২রা ডিসেম্বর এরিক সোলেইম বিবিসিকে জানান, ওই ঘটনার তদন্ত হবে। একদিন পর গ্রামীণ ব্যাংকের পাঠানো এক ব্যাখ্যায় বলা হয়, প্রামাণ্যচিত্রে যে অভিযোগ উঠেছে, তার নিষ্পত্তি ১৯৯৮ সালেই হয়েছে।
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
Situs Streaming JAV