ড.মুহাম্মদ ইউনূসের রিট মুলতবি

ইউএসএনিউজ ডেস্ক: গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ থেকে অপসারণের বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টে মুহাম্মদ ইউনূসের করা রিট আবেদনের ওপর শুনানি কাল সোমবার দুপুর দুইটা পর্যন্ত মুলতবি করা হয়েছে। বিচারপতি মমতাজ উদ্দিন ও বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুরের হাইকোর্ট বেঞ্চে রোববার এ বিষয়ে আদেশ দেয়ার দিন নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু ড. ইউনূসের পক্ষে একটি সম্পূরক আবেদন দাখিল করায় আদালত শুনানি গ্রহণ করে সোমবার পর্যন্ত আদালত মুলতবি ঘোষণা করে।রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ড. ইউনূসের আইনজীবীরা আদালতে একটি সম্পূরক আবেদন দাখিল করেন। পরে তার আইনজীবী মাহমুদুল ইসলাম প্রায় পৌনে এক ঘন্টা শুনানি করেন।মাহমুদুল ইসলাম আদালতকে জানান, গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে নিয়োগের জন্য আইনানুযায়ী কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদন নেয়ার কথা থাকলেও ড. ইউনূসের ক্ষেত্রে তা বাধ্যতামূলক নয়। কেননা ১৯৯০ সালে ড. ইউনূসকে এ পদে নিয়োগের সময় অনুমোদন নেয়া হয়েছিল। তাই এ বিষয়ে ২০০১ সালের বাংলাদেশ ব্যাংক আইনানুযায়ী পুনরায় অনুমোদন নেয়ার দরকার নেই।তিনি আরো বলেন, ১৯৯৩ সালের বাংলাদেশ ব্যাংক সার্ভিস রুল বা ২০০১ সালের ব্যাংকের পরিচালক সংক্রান্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের রেজুলেশন জারির পূর্বেই তিনি নিয়োগ পেয়েছিলেন এবং তখন এ বিষয়ে অনুমোদন নেয়া হয়েছিল।তখন আদালত বলে, ‘চোর যদি চুরি করে, তাকে সেই সময় ধরতে না পারলে পরে ধরা কি অপরাধ হবে?’জবাবে মাহমুদুল ইসলাম বলেন, ‘যদি ধরেও নিই তিনি অবৈধ ছিলেন। তাহলে বাংলাদেশ ব্যাংক ১৯৯৯ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত কি ঘুমিয়েছিল।’এ প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন, এ সময়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসাবে ইউনূসের সঙ্গে কার্যক্রম পরিচালনা করেছিল। এ কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে তার নিয়োগ অনুমোদন হয়ে গেছে।তিনি জানান, ওই সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংক একটি অবজেকশন দিয়েছিল। এর জবাব দেয়ার পর বাংলাদেশ ব্যাংক আর কিছু বলেনি।এরপর ২টা পর্যন্ত শুনানি মুলতবি করে আদালত। বিরতির পর ড. ইউনূসের পক্ষে তার আরেক আইনজীবী ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ বক্তব্য উপস্থাপন করেন। প্রায় আড়াই ঘন্টা শুনানির পর বেলা ৩টা ৫০ মিনিটের দিকে আদালত মুলতবি ঘোষণা করা হয়।এর আগে গত বৃহস্পতিবার একই আদালত এ বিষয়ে করা দুটি রিট আবেদনের ওপর শুনানি শেষে রোববার আদেশ দেয়ার দিন ঠিক করেছিল।গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের দেয়া চিঠির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ওই দিন হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করেন।একইদিন গ্রামীণ ব্যাংকের ১২ জন পরিচালকের ৯ জন হাইকোর্টের একই বেঞ্চে আরেকটি রিট আবেদন করেন। ওই আবেদনেও ড. ইউনূসকে অপসারণের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়।এর একদিন আগে বুধবার বিকেলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ থেকে শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে অব্যাহতি দিয়ে চিঠি দেয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগের মহাব্যবস্থাপক কেএম আব্দুল ওয়াদুদ স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে বলা হয়, গ্রামীণ ব্যাংক অধ্যাদেশ ১৯৮৩-এর ১৪/১ ধারা লঙ্ঘন করায় প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসকে অব্যাহতি দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
- SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK
- Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী
- যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট সিনেট নির্বাচনে বাংলাদেশি-আমেরিকান শেখ রহমানের টানা পাঁচবার জয়
- A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History
- নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং
- Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency
- New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes