Thursday, 23 July 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’ ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030 বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি Dr. Titumir calls for UN-led debt relief mechanism to safeguard investment in children and women Commerce Minister meets ECOSOC President and Vice-President to advance Bangladesh’s smooth LDC graduation
সব ক্যাটাগরি

ঢাকায় যুদ্ধাপরাধ বিষয়ক মার্কিন রাষ্ট্রদূত:মুক্তিযুদ্ধকালে যারা মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে অবশ্যই তাদের বিচার হওয়া উচিত

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 40 বার

প্রকাশিত: January 14, 2011 | 12:28 AM

ইউএসএনিউজ ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধাপরাধ বিষয়ক অ্যাম্বাসেডর অ্যাট-লার্জ স্টিফেন জে র‌্যাপ বলেন,বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালে যারা মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে অবশ্যই তাদের বিচার হওয়া উচিত।যুদ্ধাপরাধের বিচার উন্মুক্ত ও স্বচ্ছ করার জন্য ১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন সংশোধনের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন তিনি। একই সঙ্গে বিষয়টিকে  ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্ট (আইসিসি)-এর প্রচলিত আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার আহ্বান জানিয়েছেন স্টিফেন জে র‌্যাপ। রাজধানীর গুলশানের আমেরিকান রিক্রিয়েশন সেন্টারে গতকাল সকালে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি একথা জানান। এ সময় তিনি বাংলাদেশে সফরের নানা বিষয়ও সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সাধারণ কোন অপরাধের বিচার করার সিদ্ধান্ত নেয়নি। তারা বিচার করছেন ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়কার গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ ও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের মতো আন্তর্জাতিক পর্যায়ের। এ সময় তিনি ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন পার্লামেন্টে পাসের বিষয়টি তুলে ধরেন। এই আইন ২০০৯ সালে সংশোধন করা হয়। স্টিফেন জে র‌্যাপ ওই আইনেরও সংশোধন দাবি করেন। গত বছরের সেপ্টেম্বরে নিউ ইয়র্কে আলোচনার সূত্র ধরে তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আমন্ত্রণে সোমবার ঢাকা আসেন। আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাতের প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, তিনি আইনমন্ত্রীকে কথা দিয়েছেন, ওয়াশিংটনে ফিরে গিয়ে তিনি তার ধারণা, প্রতিরক্ষা এটর্নি তুলে ধরেছেন এমন কিছু ইস্যু এবং ইন্টারন্যাশনাল বার এসোসিয়েশনের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থার বিষয়ে স্মারক পাঠিয়ে দেবেন। এর উদ্দেশ্য হবে আইনমন্ত্রীকে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সহায়তা এবং তা ঠিকঠাকভাবে সম্পন্ন করা। তবে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালে যারা মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে অবশ্যই তাদের বিচার হওয়া উচিত বলে মনে করেন তিনি। তিনি বলেন, আইন সংশোধন বা সামঞ্জস্যপূর্ণ না হলে এ বিচার আন্তর্জাতিকভাবে কোথাও কোথাও প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার আশঙ্কা আছে। সংবাদ সম্মেলনে স্টিফেন জে র‌্যাপ আরও বলেন, বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের দীর্ঘদিন আটক না রেখে তাদের বিচার পর্যালোচনায় আনতে হবে। তিনি বলেন, কোন অভিযুক্তের বিচার করার সময় তাদের অতীত ও বর্তমান রাজনৈতিক পরিচয় যেন কোনভাবে বিচারকাজকে প্রভাবিত করতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। সিয়েরা লিওনে গৃহযুদ্ধের সময় সংঘটিত অপরাধের বিচারে গঠিত বিশেষ আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান আইনজীবী ছিলেন স্টিফেন র‌্যাপ। ঢাকায় সফরকালে তিনি আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান, আইন কমিশনের চেয়ারম্যান, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি, জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর আইনজীবীদের  সঙ্গে বৈঠক করেন।
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV