Friday, 5 June 2026 |
শিরোনাম
Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes নিউইয়র্কে নতুন সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘হৃদয় বীণা সংগীতালয়’র যাত্রা শুরু শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীতে নিউইয়র্কে ‘জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসী’র দোয়া মাহফিল জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক বিজয় নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পরিবার নিউইয়র্ক সিটি’র উদ্যোগে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী পালন নিউইয়র্ক স্টেট এসেমব্লি ডিস্ট্রিক্ট ৮৭’র নির্বাচনে কারিনা-জাকির মুখোমুখি NYIC Action Endorses Immigrant Champions and New Voices for NYS Legislature নিউ ইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা ২০২৬ সম্পন্ন, ২০২৭ সালের বইমেলা ২১-২৪ মে নিউ জার্সিতে এস্টোরিয়া ওয়েলফেয়ার সোসাইটি ইউএসএ’র সাধারণ সম্পাদক জাবেদ উদ্দিনকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান
সব ক্যাটাগরি

ঢাকায় যুদ্ধাপরাধ বিষয়ক মার্কিন রাষ্ট্রদূত:মুক্তিযুদ্ধকালে যারা মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে অবশ্যই তাদের বিচার হওয়া উচিত

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 145 বার

প্রকাশিত: January 14, 2011 | 12:28 AM

ইউএসএনিউজ ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধাপরাধ বিষয়ক অ্যাম্বাসেডর অ্যাট-লার্জ স্টিফেন জে র‌্যাপ বলেন,বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালে যারা মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে অবশ্যই তাদের বিচার হওয়া উচিত।যুদ্ধাপরাধের বিচার উন্মুক্ত ও স্বচ্ছ করার জন্য ১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন সংশোধনের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন তিনি। একই সঙ্গে বিষয়টিকে  ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্ট (আইসিসি)-এর প্রচলিত আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার আহ্বান জানিয়েছেন স্টিফেন জে র‌্যাপ। রাজধানীর গুলশানের আমেরিকান রিক্রিয়েশন সেন্টারে গতকাল সকালে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি একথা জানান। এ সময় তিনি বাংলাদেশে সফরের নানা বিষয়ও সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সাধারণ কোন অপরাধের বিচার করার সিদ্ধান্ত নেয়নি। তারা বিচার করছেন ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়কার গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ ও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের মতো আন্তর্জাতিক পর্যায়ের। এ সময় তিনি ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন পার্লামেন্টে পাসের বিষয়টি তুলে ধরেন। এই আইন ২০০৯ সালে সংশোধন করা হয়। স্টিফেন জে র‌্যাপ ওই আইনেরও সংশোধন দাবি করেন। গত বছরের সেপ্টেম্বরে নিউ ইয়র্কে আলোচনার সূত্র ধরে তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আমন্ত্রণে সোমবার ঢাকা আসেন। আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাতের প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, তিনি আইনমন্ত্রীকে কথা দিয়েছেন, ওয়াশিংটনে ফিরে গিয়ে তিনি তার ধারণা, প্রতিরক্ষা এটর্নি তুলে ধরেছেন এমন কিছু ইস্যু এবং ইন্টারন্যাশনাল বার এসোসিয়েশনের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থার বিষয়ে স্মারক পাঠিয়ে দেবেন। এর উদ্দেশ্য হবে আইনমন্ত্রীকে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সহায়তা এবং তা ঠিকঠাকভাবে সম্পন্ন করা। তবে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালে যারা মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে অবশ্যই তাদের বিচার হওয়া উচিত বলে মনে করেন তিনি। তিনি বলেন, আইন সংশোধন বা সামঞ্জস্যপূর্ণ না হলে এ বিচার আন্তর্জাতিকভাবে কোথাও কোথাও প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার আশঙ্কা আছে। সংবাদ সম্মেলনে স্টিফেন জে র‌্যাপ আরও বলেন, বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের দীর্ঘদিন আটক না রেখে তাদের বিচার পর্যালোচনায় আনতে হবে। তিনি বলেন, কোন অভিযুক্তের বিচার করার সময় তাদের অতীত ও বর্তমান রাজনৈতিক পরিচয় যেন কোনভাবে বিচারকাজকে প্রভাবিত করতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। সিয়েরা লিওনে গৃহযুদ্ধের সময় সংঘটিত অপরাধের বিচারে গঠিত বিশেষ আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান আইনজীবী ছিলেন স্টিফেন র‌্যাপ। ঢাকায় সফরকালে তিনি আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান, আইন কমিশনের চেয়ারম্যান, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি, জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর আইনজীবীদের  সঙ্গে বৈঠক করেন।
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV