থাইল্যান্ডের জলপ্রপাতগুলোতে মানুষের মতো হাঁটছে মাছ!
‘মাছ’ বললেই এমন এক প্রাণীর কথা আমাদের মনে আসে যেগুলো পানির নিচে সাঁতার কাটতে পারে। মানুষের মতো করে হাঁটছে, এমন কোনো মাছ কেবল কল্পনাতেই সম্ভব। কিন্তু বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, থাইল্যান্ডে সন্ধান মিলেছে এমন এক মাছের যা অবিকল মানুষের মতো করে হাঁটতে সক্ষম। ফিলিপাইনের দৈনিক পত্রিকা ইনকোয়ারারের খবরে বলা হয়েছে, থাইল্যান্ডের ঝরণা বা জলপ্রপাতগুলোতে দেখা মিলে থাকে এসব মাছের। এরা সাধারণত কোনো জলজ গুহায় বাস করে থাকে। এরা জলপ্রপাতের জলের ধারার বিপরীতে চলতে পারে। এদের বৈজ্ঞানিক নাম ক্রিপটোটোরা থামিকোলা। অনেকটা গোল্ডফিশের মতো দেখতে এই মাছের একটি বৈশিষ্ট্য অন্য সব মাছের চেয়ে আলাদা। আর তা হলো- এরা এদের সামনের ও পেছনের পাখনাগুলোকে অনেকটা মানুষের পায়ের মতো করে ব্যবহার করতে পারে। ফলে এদের ওপর দিয়ে পানির প্রবাহ চললেও এরা এসব পাখনা দিয়ে পাথর বা নুড়িকে আঁকড়ে ধরে থাকতে সক্ষম। এক ইঞ্চির চেয়ে খানিকটা বড় হয় এই মাছ। তবে এরা অন্ধ ও বর্ণহীন। এই মাছ নিয়ে গবেষণা করছেন নিউ জার্সি ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির জীববিজ্ঞানী ব্রুক ফ্ল্যামিং। এক বিজ্ঞপ্তিতে তিনি বলেছেন, তাদের পাখনার গঠন আরও দশটা মাছের পাখনার মতো নয়। সে কারণে এরা এদের পাখনাগুলোকে চার পেয়ে প্রাণিদের মতো করে ব্যবহার করতে পারে। টিকটিকি বা স্যালমান্ডরের মতো এরা পাথরের ওপর দিয়ে হাঁটতে পারে। তবে সরীসৃপ বা স্তন্যপায়ীদের একেকটি পায়ে যেমন একাধিক আঙুল থাকে, তা নেই এই মাছের। তাছাড়া, এই মাছের ‘শ্রেণিচক্রে’র গঠনও ভিন্ন। এই মাছের উদর ও উরুর মধ্যবর্তী স্থানে শ্রেণীচক্রের গঠন এমন যাতে করে তারা মধ্যাকর্ষণ বলের বিপরীতে শরীরের ওজন ধরে রাখতে সক্ষম এবং যে কারণে হাঁটতেও সক্ষম। জার্নাল সায়েন্টিফিক রিপোর্টসে প্রকাশিত নতুন এই মাছ নিয়ে গবেষণাকে যুগান্তকারী মনে করা হচ্ছে। এই মাছ প্রাণিজগতের বিবর্তনের একক অনন্য উদাহরণ হিসেবে গবেষকদের নিকট সমাদৃত হবে বলেই মনে করছেন গবেষকরা।মানবজমিন
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ ইনকের শরৎ উৎসব ও ফ্যামিলি নাইট
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে ‘কল সেন্টার’ চালু
- নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের নয়া কমিটির বর্ণাঢ্য অভিষেক এবং ১৩তম চার্টার বার্ষিকী উদযাপন
- New York Attorney General James Warns New Yorkers About Student Loan Scams
- Justice, equality and human rights essential to building a lasting culture of peace: Irene Khan
- ন্যায়বিচার, সমতা ও মানবাধিকারই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ার ভিত্তি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান
- যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে চায় : স্টেট ডিপার্টমেন্টের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সারাহ
- নিউইয়র্কে মুসলিম কমিউনিটি ও আহলে সুন্নাতুল জামাতের ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল