দু’নেত্রীর স্বভাব পরিবর্তন না হলে আবারো সেনা শাসন আসতে পারে বাংলাদেশে

ইউএসএনিউজ ডেস্ক : দুই নেত্রীর স্বভাব পরিবর্তন না হলে বাংলাদেশে আবারো সেনা শাসন আসতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন- প্রবীণ আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হক। বলেছেন, দেশের জনগণের স্বার্থে বড় ২ দলকেই আরও বেশি সহনশীল রাজনীতি করতে হবে। গতকাল বিকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে হিউম্যান রাইটস এডভোকেসি কাউন্সিল আয়োজিত ‘মানবাধিকার লঙ্ঘন: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ’- শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন। ব্যারিস্টার রফিক-উল হক বলেছেন, সামরিক শাসন ঠেকাতে হলে দেশে সুষ্ঠু রাজনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। যার কোন বিকল্প নেই। তিনি বলেন, মানবাধিকারের কথা বলতে বলতে আমরা এখন ক্ষান্ত হয়ে উঠেছি। কিন্তু এখনও কোন ক্ষেত্রেই পুরোপুরি মানবাধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়নি। এমন কি উচ্চ আদালত এখনও যেভাবে বিচার করছে তাতে প্রতিনিয়তই বিভিন্নভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে। বিচার বিভাগে যদি বুদ্ধিবৃত্তিক দুর্নীতি হয় তাহলে দেশ কোথায় যাবে। তিনি আরও বলেন, আমরা যদি একে-অন্যের প্রতি সহনশীল না হই, তাহলে কোন মানুষেরই অধিকার প্রতিষ্ঠা হবে না। এজন্য আমাদের মনোসংযোগের পরিবর্তন করতে হবে। এছাড়া রাজনৈতিকভাবে এমন একটা পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে, যাতে কেউ কোন সামরিক শাসনের কথা চিন্তাই না করতে পারে। সেমিনারের শুরুতে প্রদর্শিত একটি ভিডিও চিত্র দেখে ব্যারিস্টার রফিক-উল হক বলেন, এ চিত্র দেখলে বিদেশীরা বাংলাদেশে আসতে ভয় পাবে। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ৭১ সালে আমরা লড়েছি বর্বর ও জানোয়ারদের বিরুদ্ধে। কিন্তু স্বাধীনতার ৪০ বছর পরে এখনও আমরা সে চিত্র দেখছি। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নির্বাচনের আগে মানবাধিকার লঙ্ঘন না করার প্রতিশ্রুতি দিলেও এখন প্রতিদিনই মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে। র্যাব-এর ক্রসফায়ারের নামে বিচারবহির্ভূত হত্যা, পুলিশি হেফাজতে মৃত্যু ও রিমান্ডের নামে নির্যাতন অতীতের সব রের্কড ভঙ্গ করেছে। তিনি বলেন, আমাদের দেশের মিডিয়াতে মানবাধিকার লঙ্ঘনের খবর যথাযথভাবে প্রকাশ না পেলেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি রিপোর্টে ঠিকই প্রকাশ পেয়েছে। মির্জা ফখরুল বলেন, সরকার সংবিধানকে তছনছ করেছে। এ সমাজে এখন কেউ আর নিরাপদ নয়। মানুষের বেঁচে থাকার ন্যূনতম অধিকার নেই। এজন্য যে কোন উপায়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে জনগণকে রুখে দাঁড়ানোর জন্য তিনি আহ্বান জানান।
সভাপতির বক্তব্যে দৈনিক আমারদেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুমদুর রহমান বলেন, মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রতিযোগিতায় বর্তমান সরকার ইতিমধ্যেই চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। এ প্রতিযোগিতায় তাদের সমান আর কারও জুড়ি নেই। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের মুখে মানবাধিকার রক্ষার কথা শুনলে সভ্য সমাজের জনগণের মুখে হাসি পায়। বিএনপি’র মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন অসিমের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে- বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শওকত মাহমুদ, ঢাকা জেলা বিএনপি সভাপতি অধ্যাপক আবদুল মান্নান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে মানবাধিকার লঙ্ঘনের একটি ভিডিও চিত্র প্রদর্শন করা হয়।মানবজমিন
- SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK
- Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী
- যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট সিনেট নির্বাচনে বাংলাদেশি-আমেরিকান শেখ রহমানের টানা পাঁচবার জয়
- A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History
- নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং
- Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency
- New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes