Sunday, 6 September 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ ইনকের শরৎ উৎসব ও ফ্যামিলি নাইট নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে ‘কল সেন্টার’ চালু নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের নয়া কমিটির বর্ণাঢ্য অভিষেক এবং ১৩তম চার্টার বার্ষিকী উদযাপন New York Attorney General James Warns New Yorkers About Student Loan Scams Justice, equality and human rights essential to building a lasting culture of peace: Irene Khan ন্যায়বিচার, সমতা ও মানবাধিকারই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ার ভিত্তি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে চায় : স্টেট ডিপার্টমেন্টের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সারাহ নিউইয়র্কে মুসলিম কমিউনিটি ও আহলে সুন্নাতুল জামাতের ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল New York Attorney General James Sues Amazon for Fraudulently Overcharging Advertisers More Than $20 Billion Irene Khan Takes Office as Bangladesh’s Permanent Representative to the United Nations
সব ক্যাটাগরি

নন্দিত লেখক হুমায়ূন আহমেদকে স্মরণ

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 147 বার

প্রকাশিত: July 16, 2014 | 4:45 PM

বিশ্বজিত সাহা : ১৯ জুলাই ২০১২ প্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদ অকালে চলে গেলেন আমাদের ছেড়ে। ভাবলেই অবাক লাগে, এইতো সেদিন। নিউইয়র্কের নীলাকাশের ঝকঝকে রোদের মধ্যে দিন কাটাচ্ছিলেন হুমায়ূন আহমেদ। চিকিৎসা করাতে আসা। সবকিছুই ঠিকভাবে
চলছিলো, যেভাবে তিনি চেয়েছিলেন। সফল সার্জারী হলো, বাড়ীতে ফিরলেন। কি আনন্দ তাঁর। এখনো জ্বল জ্বলে সে দৃশ্য। আনন্দে আত্মহারা তিনি। বাড়ী ফিরছেন সুস্থ্য হয়ে। চোখে-মুখে-সে প্রশান্তির অবয়ব। এক মিনিটও তর সইছিলো না, বাড়ীতে ফিরে যাবেন তখনি। যাবার সময় রোগীদের সাধারণতঃ ঔষধ নিয়ে যেতে হয়। চলে গেলেন ঔষধ সঙ্গে না নিয়েই। বললেন আমাকে বিশ্বজিত তুমি ঔষধ নিয়ে এসো, আমি বাড়ীতে যাচ্ছি। জানতাম, নিষাদ-নিনিতকে দেখার জন্য তাঁর ব্যাকুলতার কথা হাসপাতালে অবস্থান ছিল তাঁর সবচেয়ে কষ্টের। আজ বার বার মনে পড়ছে হুমায়ূন আহমেদ-এর কথা। তাঁর তো চলে যাবার কথা ছিলো না। তিনি তো সুস্থ্য হয়েই উঠেছিলেন। প্রতিটি ১৯ জুলাই মনে পড়বে, তাঁর চলে যাওয়ার কথা। মনে পড়ে প্রিয় লেখকের বেঁচে থাকার জন্য আকুল আগ্রহের কথা। ১২ জুন ২০১২ হলো সফল অস্ত্রোপচার। ১৯ জুন হাসতে হাসতে হাসপাতাল থেকে ওজোনপার্কেবার বাসায় ফেরা। তারপর আবার ২১ জুন জ্যামাইকা হাসপাতালের ইমাজেন্সীতে। কী হয়েছিল তাঁর। জ্যামাইকা হাসপাতালে বিকেল পর্যন্ত পড়ে থাকা এবং সর্বশেষে এম্বুলেন্সে করে বেলভ্যু হাসপাতালে ট্রান্সফার। সার্জারীর পর সার্জারী।
চিকিৎসকদের চেষ্টার ত্রুটি নেই। কিন্তু ক্ষতি যা হবার তাতো হয়ে গেছে। সে ক্ষতি কাটিয়ে আর তিনি উঠতে পারলেন না! ২০ জুন হুমায়ূন আহমেদ বাসায় একটি পার্টি দিয়েছিলেন? তারপর তাঁর চেয়ার থেকে পড়ে যাওয়া। সার্জারীর সেলাই খুলে যাওয়া। অসহ্য যন্ত্রণায় ক্ষত
বিক্ষত প্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদ ১৯ জুলাই শেষদিন পর্যন্ত কাটিয়ে ছিলেন বেলভ্যু হাসপাতালের বিছানায়।
আজ বার বার মনে পড়ছে হুমায়ূন আহমেদকে ১৯ জুন বেলভ্যু হাসপাতাল থেকে যদি
ডিসচার্জ না করিয়ে আরো কিছুদিন হাসপাতালে রাখতে পারতাম। ট্রেইন্ড নার্সরা
তাঁর দেখা শুনা করতেন। সেলাইগুলো আরো শুকাবার সময় পেতো। তাহলে বোধহয়
অকালে আমরা হুমায়ূন আহমেদকে এভাবে হারাতে হতো না।
(বিশ্বজিত সাহা: সাংবাদিক, লেখক। ‘হুমায়ূন আহমেদ এর শেষদিনগুলো’ গ্রন্থের লেখক)

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ