নরসিংদীতে দুই ট্রেনে সংঘর্ষ : নিহত ১২,আহত দুই শতাধিক

ইউএসএ নিউজ ডেস্ক: নরসিংদী রেলস্টেশনে গতকাল দুটি আন্তঃনগর ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১২ জন নিহত এবং দুই শতাধিক আহত (বাংলাদেশ সময় রাত ১টা পর্যন্ত) হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। গত রাত পর্যন্ত নিহত ৭ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। বিকেল পৌনে ৫টার দিকে আন্তঃনগর ট্রেন চট্টলা এক্সপ্রেস ও মহানগর গোধূলির মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়। এতে দুটি ট্রেনেরই ইঞ্জিনসহ লাগোয়া কয়েকটি বগি চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যায়। বিক্ষুব্ধ জনতা দীর্ঘসময় স্টেশন ঘেরাও করে রাখে। দুর্ঘটনার পর থেকে ঢাকার সঙ্গে চট্টগ্রাম, সিলেট ও কিশোরগঞ্জের রেলযোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। তবে প্রায় ৫ ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল আবার শুরু হয়। রাত পৌনে ১০টার দিকে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া সুবর্ণ এক্সপ্রেস নরসিংদী স্টেশন অতিক্রম করে। এদিকে রাত সোয়া ৭টার দিকে দুর্ঘটনাকবলিত ট্রেন দুটির উদ্ধারকাজে নামে সেনাবাহিনীর একটি দল। ঢাকা ও আখাউড়া থেকে দুটি উদ্ধারকারী ট্রেন রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঘটনাস্থলে পেঁৗছে। ট্রেন দুর্ঘটনায় হতাহতের ঘটনায় গভীর দুঃখ ও শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ জিল্লুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়া। সেনাবাহিনী, র্যাব, ফায়ার সার্ভিস ও রেড ক্রিসেন্টের কর্মীদের উদ্ধার তৎপরতা চালায়। শত শত মানুষও উদ্ধার তৎপরতায় অংশ নেন। উদ্ধারকর্মীরা জানান, আজ দুপুরের আগ পর্যন্ত উদ্ধার তৎপরতা শেষ হবে না। ঘটনার পরপরই যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন, সড়ক ও রেলপথ বিভাগের সচিব মোজাম্মেল হক খান এবং বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক টিএ চৌধুরী ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হন। যোগাযোগমন্ত্রী সংসদ অধিবেশন থেকে সরাসরি দুর্ঘটনাস্থলে পেঁৗছান। ঘটনাস্থলে পেঁৗছে যোগাযোগমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, দুর্ঘটনায় ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর সঙ্গে নাশকতামূলক কার্যক্রমের যোগসূত্র থাকতে পারে বলে তিনি জানতে পেরেছেন।বিষয়টি নাশকতা, না দুর্ঘটনা, তা খতিয়ে দেখার জন্য চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ খুঁজে বের করে রিপোর্ট দেওয়ার জন্য ৪৮ ঘণ্টা সময় দেওয়া হয়েছে। এ কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন রেলওয়ের প্রধান প্রকৌশলী ইউসুফ আলী মৃধা। কমিটিতে আরও আছেন চিফ অপারেটিং সুপারিনটেনডেন্ট, চিফ সিগন্যাল অ্যান্ড টেলিকম ইঞ্জিনিয়ার এবং চিফ মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার। রেলওয়ের বিভাগীয় পর্যায়ে চার সদস্যের আরেকটি তদন্ত কমিটি হয়েছে বলে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের এক তথ্য বিবরণীতে জানানো হয়। বিভাগীয় ট্রাফিক কর্মকর্তা মোঃ নাজমুল ইসলাম এ কমিটির প্রধান। এ কমিটিকে দু’দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। বিভাগীয় কমিটিতে আরও আছেন ডিভিশনাল মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার, ডিভিশনাল চিফ অপারেটিং সুপারিনটেনডেন্ট ও ডিভিশনাল চিফ সিগন্যাল অ্যান্ড টেলিকম ইঞ্জিনিয়ার।
এদিকে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু, নরসিংদী সদর আসনের এমপি লে. কর্নেল (অব.) নজরুল ইসলাম হীরু ও নরসিংদী-৩ আসনের এমপি জহিরুল হক ভূঁইয়া মোহন, সাংসদ শেখ মুজিবুর রহমান, পৌর চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন, উপজেলা চেয়ারম্যান মঞ্জুর এলাহী, নরসিংদী জেলা প্রশাসক অমৃত বাড়ৈ ও পুলিশ সুপার ড. আক্কাস উদ্দিন ভূঁইয়াসহ রেলওয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা দুর্ঘটনাস্থলে যান। তারা উদ্ধারকাজ তদারকিসহ আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। সাংসদ জহিরুল হক ভূঁইয়া মোহনও মনে করেন, এটি নাশকতা হতে পারে। মঙ্গলবার নরসিংদী শহরে জামায়াতে ইসলামীর কিছু কর্মীকে গ্রেফতারের জের হিসেবে একটি অপশক্তি নাশকতামূলক এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে মনে করেন এ সাংসদ।
৭ জনের পরিচয় মিলেছে। রেলওয়ের লোকোমোটিভ শাখার অফিস সহকারী মোহাম্মদ উল্লাহ দুর্ঘটনায় নিহত হন। তিনি আখাউড়ায় কর্মরত ছিলেন। তাছাড়া মহানগর গোধূলি ট্রেনের চালক জহিরুল হক, রেলের নিরাপত্তা কর্মী মফিজুল (৩০) ও ট্রেনযাত্রী হাফিজউদ্দিনের (৫০) লাশ নরসিংদী জেলা হাসপাতালে রয়েছে। নরসিংদী সদর হাসপাতাল মর্গে রয়েছে জহুরুল হক (৬৫) নামে এক যাত্রীর মরদেহ। এ হাসপাতালে দুর্ঘটনায় নিহত ১২ বছর বয়সী একটি শিশুর লাশও রয়েছে। ঢাকায় পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন নিরাপত্তাকর্মী শফি আলম (৫৫)। দুর্ঘটনায় নিহত আরও দুই অজ্ঞাতপরিচয় যাত্রীর লাশও রয়েছে ওই হাসপাতালে। এদিকে একটি ইঞ্জিনের ওপর উঠে যাওয়া একটি বগির ভেতর আরেকজনের মরদেহ আটকে ছিল। তার দুই পা কামরার ভেতর থেকে বাইরের দিকে বেরিয়ে আছে।ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি ‘চট্টলা’ এক্সপ্রেসের চালক রফিকউদ্দিন (৫০) জানান, ‘লাইন ক্লিয়ার ছিল, তাই তিনি ট্রেন চালিয়ে স্টেশনে ঢুকছিলেন। তবে কেন দুর্ঘটনা ঘটল তা তিনি বুঝে উঠতে পারছেন না।’ সেখানে চিকিৎসাধীন যাত্রীরা জানান, তারা চট্টলা এক্সপ্রেসে ঢাকায় আসছিলেন। ট্রেনটি নরসিংদী স্টেশনে পেঁৗছার আগেই অন্য একটি ট্রেনের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। দুর্ঘটনায় পড়ার আগে পর্যন্ত চট্টলা এক্সপ্রেস দ্রুতগতিতেই চলছিল বলে জানান আহত এক যাত্রী।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা মহানগর গোধূলি নামে একটি যাত্রীবাহী ট্রেন নরসিংদী রেলস্টেশনে এক নম্বর প্লাটফর্মে পেঁৗছলে বিপরীত দিক থেকে চট্টলা এক্সপ্রেস একই লাইনে ঢুকে পড়ে। এতে দুটি ট্রেনের ইঞ্জিনের সঙ্গের ৩টি কামরা দুমড়ে-মুচড়ে যায়। নরসিংদী রেলস্টেশনের এক কর্মচারী বলেন, চট্টলা এক্সপ্রেসের নরসিংদী স্টেশনে না দাঁড়িয়ে সরাসরি প্রধান রেলপথ হয়ে ঢাকা যাওয়ার কথা ছিল। অন্যদিকে মহানগর গোধূলি এ ট্রেনটিকে পাশ দেওয়ার জন্য স্টেশনে দাঁড়িয়েছিল। কিন্তু সংকেত ভুল করায় একই লাইনে চট্টলা ট্রেনটি চলে আসে।
দুর্ঘটনার সময়ের চিত্র তুলে ধরে প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন জানান, বিকট শব্দে দুটি ট্রেন পরস্পর আঘাত হানে। এর পরপরই এক নারকীয় দৃশ্যের অবতারণা হয়। বিশেষ করে গোধূলির ছাদে ও ইঞ্জিনের পাশে ঝুলে থাকা মানুষ চারদিকে ছিটকে পড়েন। যাত্রীদের আহাজারিতে চারপাশের পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। দুর্ঘটনা ঘটার আধাঘণ্টা পর স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলে আসেন। তবে ট্রেন সংঘর্ষের পর নরসিংদী রেলস্টেশনে কর্মরত রেলওয়ে কর্মকর্তারা অফিসে তালা লাগিয়ে পালিয়ে যায়। আত্মগোপনে থাকা স্টেশন মাস্টার এটিএম মুসা জানান, মহানগর গোধূলিকে এক নম্বর প্লাটফর্মে আসার জন্য সিগন্যাল দেওয়া হয়েছিল। ওই সময় চট্টলা এক্সপ্রেসের আউটার সিগন্যালে অবস্থান করার কথা। কিন্তু চট্টলা এক্সপ্রেস সেটা না করে একই প্লাটফর্মে ঢুকে পড়ে।
দুর্ঘটনার পর ট্রেন দুটির যাত্রীরা যে যার মতো ট্রেন থেকে লাফিয়ে নিচে নামেন। আটকেপড়া অনেক মহিলা ও শিশুযাত্রীকে আর্তনাদ করতে দেখা গেছে। দুর্ঘটনার পর হাজার হাজার স্থানীয় মানুষ আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েছেন। কাউকে কাউকে রিকশা, ভ্যান ও কাঁধে করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে আহতের সংখ্যা বেশি হওয়ায় স্থানীয় চিকিৎসকরা চিকিৎসাসেবা দিতে হিমশিম খান। এদিকে দুর্ঘটনার পরপরই এক শ্রেণীর সুযোগসন্ধানী লুটপাট করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
উদ্ধার তৎপরতা:রাত সোয়া ৭টায় দুর্ঘটনাকবলিত ট্রেন দুটির উদ্ধারকাজে নামে সেনাবাহিনীর একটি দল। ঘটনার খবর পেয়ে নরসিংদীর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমীন জাহান ঘটনাস্থলে যান। নরসিংদী ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকর্মী, পুলিশ প্রশাসন, রেড ক্রিসেন্টের কর্মীসহ স্থানীয় জনতা উদ্ধার তৎপরতায় অংশ নেন। তাছাড়া রেলের উপসহকারী পরিচালক দিলীপ কুমার বোসের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের একটি উদ্ধারকারী দল সরঞ্জাম নিয়ে ঘটনাস্থলে রওনা দেয়। নরসিংদীর পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট আক্কাস উদ্দিন ভূঁইয়া জানান, সংঘর্ষে একটি ট্রেন আরেকটির ওপর উঠে গেছে। রাত ১২টা পর্যন্ত দ্রুতগতিতে উদ্ধার তৎপরতা চালাতে দেখা গেছে। সেনাসদস্যদের পাশাপাশি র্যাব, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ট্রেনের কামরা কেটে মরদেহ উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছেন। উদ্ধারকর্মীরা ট্রেন দুটির ভেতর ঢুকে টর্চের আলোর সাহায্যে মৃতদেহ খুঁজছেন। তবে নরসিংদী রেলস্টেশনে কর্মরত রেলওয়ের কোনো কর্মকর্তাকে তখন পর্যন্ত ঘটনাস্থলে দেখা যায়নি। এ অবস্থায় উদ্ধার তৎপরতায় কিছুটা শৈথিল্য রয়েছে বলে স্থানীয় নাগরিকরা অভিযোগ করেন। তবে উদ্ধারকর্মীরা বলেন, তারা রাতের মধ্যেই উদ্ধারকাজ শেষ করবেন। উদ্ধার তৎপরতায় স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারাও অংশ নেন।
আহতদের চিকিৎসা:আহতদের মধ্যে কাইয়ুম (৩০), সালাম (৩৫), ওয়াসিম (৪২), ওবায়দুল হক (৪৫), আরিফ (৫০), শরীফ (৪৫), মোহাম্মদ আলী রিকন (৫৫), রাশেদুল হাসান (৫০), জাবেদ (১২), আসাদুল রহমান (৪৮), রহিমা (২৫), কামাল (৬০), শফিকুর (৪৮), আবদুর রউফ (৪৫), হানিফ উদ্দিনকে (৪০) নরসিংদী জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অন্য কয়েকজনকে সদর হাসপাতালসহ জেলার বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। তাদের পরিচয় তাৎক্ষণিক জানা যায়নি। গুরুতর অবস্থায় রাত ৯টায় চট্টলা এক্সপ্রেসের চালক রফিকউদ্দিনসহ (৫০) ৫ জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অন্যরা হলেন_ ট্রেনটির সহকারী চালক মাইনউদ্দিন (৩০), চট্টলা এক্সপ্রেসের নিরাপত্তাকর্মী জসিমউদ্দিন (২৫), যাত্রী মাহবুব হোসেন (২৬) এবং হুমায়ুন কবির (২৫)। রাত ১০টার দিকে আরও ৩ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাদের একজন গোধূলি এক্সপ্রেসের সহকারী চালক আরিফুর রহমান রাসেল (৩২)। অন্য দু’জন হলেন_ সুলতান উদ্দিন আহমেদ (৬০) ও আবু তাহের (৫০)। তাদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেতার শোক:রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান এক শোকবার্তায় শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। তিনি আহতদের সুচিকিৎসা কামনা করেন। এক শোকবার্তায় আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। তিনি আহতদের আশু সুস্থতা কামনা করেন। প্রধানমন্ত্রী দুর্ঘটনায় আহতদের অবিলম্বে সুচিকিৎসার ব্যবস্থা এবং উদ্ধারকাজে অংশ নেওয়ার জন্য সেনাবাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন।
এদিকে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন এবং বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়া। তিনি এ দুর্ঘটনায় অসংখ্য প্রাণহানিকে দেশের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি বলে উল্লেখ করেন। বিএনপি চেয়ারপারসন নিহতদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে শোকাহত পরিবারবর্গের প্রতি সহমর্মিতা জানান। তিনি আহতদের সুচিকিৎসার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানান। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানের জন্য নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের দিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করে সুষ্ঠু তদন্তের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান বিরোধীদলীয় নেতা।এ ছাড়া জাতীয় সংসদ গতকাল শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছে। স্পিকার আবদুল হামিদ অ্যাডভোকেট সংসদের পক্ষ থেকে নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। তিনি আহতদের আশু আরোগ্য কামনা করেন।
- SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK
- Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী
- যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট সিনেট নির্বাচনে বাংলাদেশি-আমেরিকান শেখ রহমানের টানা পাঁচবার জয়
- A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History
- নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং
- Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency
- New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes