নাইন ইলেভেন ট্র্যাজেডি

টুইন টাওয়ার জ্বলছে ফাইল ছবি । ইউএসএনিউজ ডেস্ক: মানব ইতিহাসে স্মরণকালের সবচেয়ে বর্বরোচিত ও লোমহর্ষক দিন ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর।এই দিনে ভয়ঙ্কর আত্মঘাতী সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয় যুক্তরাষ্ট্রে। যাত্রীবাহী বিমান ছিনতাই করে আল কায়দা জঙ্গিদের এ হামলায় ১৯ হাইজ্যাকারসহ ২ হাজার ৭৫০ জন নিহত হন। বদলে যায় যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। শুরু হয় আল কায়দাবিরোধী ওয়ার অন টেরর বা সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ।২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর সকাল, আল কায়দার ১৯ জঙ্গি যুক্তরাষ্ট্রের যাত্রীবাহী ৪টি ফ্লাইট হাইজ্যাক করে। এর দুটি দিয়ে তারা নিউইয়র্ক শহরের টুইন টাওয়ারে হামলা চালায়। এতে বিশ্ববাণিজ্য কেন্দ্রের এ টাওয়ারে আগুন ধরে যায়। দুই ঘণ্টার মধ্যে টুইন টাওয়ার ধসে পড়ে। সঙ্গে ধ্বংস ও ক্ষতিগ্রস্ত হয় এর পার্শ্ববর্তী কয়েকটি বিল্ডিং। তৃতীয় ফ্লাইটটি দিয়ে জঙ্গিরা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সদর দফতর পেন্টাগনে আঘাত হানে। উইকিপিডিয়া অবলম্বনে।
চতুর্থ ফ্লাইটটি নিয়ে হাইজ্যাকাররা পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যের শাংকসভেলি এলাকার আকাশে যায়। ওখান থেকে তারা সেটিকে নিউইয়র্কের দিকে নিতে চায়। তাদের লক্ষ্যবস্তু ছিল যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসির ক্যাপিটাল হিল ভবন অথবা হোয়াইট হাউসে আঘাত হানা। এ সময় কিছু যাত্রী ও ফ্লাইটের ক্রু বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার জন্য হাইজ্যাকারদের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে লিপ্ত হয়। এতে ফ্লাইট আকাশে বিধ্বস্ত হয়ে শাংকসভেলি এলাকার মাটিতে পড়ে। ওই ফ্লাইটের কেউ বাঁচেননি।এ ঘটনায় ১৯ হাইজ্যাকারের সবাই নিহত হয়। এছাড়া টুইন টাওয়ার ও এর আশপাশে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনে ২ হাজার ৭৫২ জন প্রাণ হারান। নিহতদের বেশিরভাগই বেসামরিক ব্যক্তি, নারী ও শিশু।ওই নিহতদের মধ্যে আরও রয়েছেন ৩৪৩ জন দমকল কর্মী ও ৬০ পুলিশ কর্মকর্তা।
পেন্টাগনে আত্মঘাতী বিমান হামলায় তখন ১৮৪ জন নিহত হন। উল্লেখ্য, আল কায়দার তখনকার ওই হামলায় যারা প্রাণ হারান তারা শুধু যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ছিলেন না। ওই হামলায় ৭০টি দেশের প্রবাসী মার্কিনিরাও নিহত হন।প্রসঙ্গত, ওই হামলায় তাৎক্ষণিক মৃত্যুই শেষ কথা নয়, উদ্ধার কাজ চালাতে গিয়ে যারা আহত, অসুস্থ এবং বিষক্রিয়ার শিকার হয়েছিলেন তাদের মধ্যে ৮৩৬ জন পরে মৃত্যুবরণ করেন।সমকাল
চতুর্থ ফ্লাইটটি নিয়ে হাইজ্যাকাররা পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যের শাংকসভেলি এলাকার আকাশে যায়। ওখান থেকে তারা সেটিকে নিউইয়র্কের দিকে নিতে চায়। তাদের লক্ষ্যবস্তু ছিল যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসির ক্যাপিটাল হিল ভবন অথবা হোয়াইট হাউসে আঘাত হানা। এ সময় কিছু যাত্রী ও ফ্লাইটের ক্রু বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার জন্য হাইজ্যাকারদের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে লিপ্ত হয়। এতে ফ্লাইট আকাশে বিধ্বস্ত হয়ে শাংকসভেলি এলাকার মাটিতে পড়ে। ওই ফ্লাইটের কেউ বাঁচেননি।এ ঘটনায় ১৯ হাইজ্যাকারের সবাই নিহত হয়। এছাড়া টুইন টাওয়ার ও এর আশপাশে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনে ২ হাজার ৭৫২ জন প্রাণ হারান। নিহতদের বেশিরভাগই বেসামরিক ব্যক্তি, নারী ও শিশু।ওই নিহতদের মধ্যে আরও রয়েছেন ৩৪৩ জন দমকল কর্মী ও ৬০ পুলিশ কর্মকর্তা।
পেন্টাগনে আত্মঘাতী বিমান হামলায় তখন ১৮৪ জন নিহত হন। উল্লেখ্য, আল কায়দার তখনকার ওই হামলায় যারা প্রাণ হারান তারা শুধু যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ছিলেন না। ওই হামলায় ৭০টি দেশের প্রবাসী মার্কিনিরাও নিহত হন।প্রসঙ্গত, ওই হামলায় তাৎক্ষণিক মৃত্যুই শেষ কথা নয়, উদ্ধার কাজ চালাতে গিয়ে যারা আহত, অসুস্থ এবং বিষক্রিয়ার শিকার হয়েছিলেন তাদের মধ্যে ৮৩৬ জন পরে মৃত্যুবরণ করেন।সমকাল
সর্বশেষ সংবাদ
- SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK
- Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী
- যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট সিনেট নির্বাচনে বাংলাদেশি-আমেরিকান শেখ রহমানের টানা পাঁচবার জয়
- A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History
- নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং
- Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency
- New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes