নারায়নগঞ্জে সন্ত্রাসীদের হাত থেকে পরিবারকে বাচাতে ফ্রান্স প্রবাসীর আর্তনাদ
পিবিসি নিউজঃ নারায়নগঞ্জে সন্ত্রাসীদের হাত থেকে পরিবারকে বাচাতে সাংবাদিক সমাজের কাছে আকুল আবেদন করেছেন ফ্রান্স প্রবাসী পাবেল রহমান নামের এক বাংলাদেশী। তার লেখা আবেদনটি পাঠকদের উদ্দেশ্যে হুবহু প্রকাশ করা হল।
আমার নাম পাবেল রহমান। বাবার নাম – মোস্তফা রাহামান। নারায়ন গঞ্জ আমার দেশের বাড়ি, বর্তমানে ফ্রান্সে থাকি, একমাস হয়ে গেলো এখানে।আপনাদের কাছে আমার একটা আবেদন এইযে – আমি একটা পরিস্থিতির শিকার,সন্ত্রাসবাদের শিকার। আমার একটা দোকান আছে চিটা গং রোড এর চৌরাস্তায়। হাজী এ রহমান মার্কেট এর ২য় তলায় মোবাইল বিক্রয় , সার্ভিসিং ও কম্পিউটার সার্ভিসিং এর। দোকানের নাম সুপ্তি মোবাইল কর্নার।দোকান নং 22 আমাদের পুরো পরিবার এই দোকানের আয়ের উপর নির্ভরশীল। আর এই মার্কেট এ যত দোকান আছে তাদের মধ্য থেকে আমাদের এই দোকান টা সব চাইতে ভালো চলে। এমনকি এই এলাকার সব চাইতে আস্থাশীল , এবং বেশী পরিচিতি। এটাই হয়ত সহ্য করতে পারেনি আওয়ামী লীগ এর কিছু সন্ত্রাসীরা । সম্প্রতি এই দোকানের পজিশন এর দিকে তাদের নজর পড়ে।আমাদের পজিশন মালিক একটু ভীতু প্রকৃতির, তাকে ভয় ভীতি দেখিয়ে দোকান থেকে আমাদের বের করে দিতে বলে। কিন্তু তার পক্ষে এটা সম্ভব ছিলনা। কারন দোকান মালিকের সাথে আমাদের চুক্তি ছিল ৫ বছরের। মেয়াদ শেষ হতে আরও দু বছর বাকি। কিন্তু তারা নাছোড় বান্দা। যেকোনো কায়দা করে দোকান মালিক কে বেকায়দায় ফেলে দেয় । সেই দোকান আওয়ামী ক্যাডাররা নিজেদের বলে দাবি করে। নুর হোসেন চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগের খুব বড় কেডার। নারায়াঙ্গঞ্জ ৩ নং ওয়ার্ড তার ইশারায় চলে।
আপনাদের প্রকাশিত সংবাদের একটা লিঙ্ক পাঠালাম ক্লিক করে জানতে পারবেন উনি কতটা ভয়াবহ লোক http://www.probashibarta.com/bn/details.php?NewsId=15001&cat=23&NewsDate=2010-11-24
কেউ তার উপর কোন কথা বলেনা। উনার নিয়ন্ত্রন এ সব চলে। আজ প্রায় দশ দিন হয়ে গেলো তারা আমার দোকান বন্ধ করে চাবি নিয়ে গেছে । থানা পুলিশ কেউ কিছু বলতে পারেনা ।আমরা ভয়ে মামলা করতে পারিনাই। আমি ফোন করে খোঁজ খবর নেই।আমি খুব টেনশন করছি।আমার বাবা খুব নরম মনের একজন মানুষ। উনি কোন দিন মামলা করবেন না । আর মামলা করেই বা কি লাভ? আমার বাবা নাকি তাদের বলেছিল যে- দেখেন , আমি ২ লক্ষ টাকা অগ্রিম দিয়েছি, এই টাকা আমাকে দিয়ে দিন আমি চলে যাই। অথবা মাসে মাসে আপনারা ভাড়া নিয়ে যাবেন। কিন্তু তারা কোনটাই করেনি। এখন আমাদের দোকান বন্ধ। কালকেনাকি নুর হোসেন এর কাছে আব্বু গিয়েছিল। তিনি বলেন -আমার কিছুই করার নাই!!!!!আমিও ফ্রান্স এ এসেছি অনেক টাকা ঋণ করে। মাত্র এক মাস হল। আমার বাবা মা সবাই হতাশ ভাবে দিন কাটাচ্ছেন । এখন আমার কি করার আছে বলেন! আমিও তাদের উৎপাত এ বাংলাদেশ ছেড়ে চলে আসছি । বাধ্য হয়ে আসতে হয়েছে আমাকে। কোন উপায় না পেয়ে আপনাদের কাছে লিখলাম সম্ভব হলে পত্রিকায় লেখাটি প্রকাশ করে আমার মত সাধারন একজন প্রবাসীর পাশে দাঁড়াবেন। প্রশাসনের কোন সহৃদয় ব্যক্তি যদি আমার পরিবারের সামান্য সহায় সম্ভল বাচাতে এগিয়ে আসে তাহলে আমি বড় উপকৃত হব।সকল সাংবাদিক ভাইদের প্রতি আবেদন করছি অনুগ্রহ করে আমার পরিবারের পাশে একটু দাঁড়াবেন। আমি খুব খুশি হব। thanks
- SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK
- Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী
- যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট সিনেট নির্বাচনে বাংলাদেশি-আমেরিকান শেখ রহমানের টানা পাঁচবার জয়
- A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History
- নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং
- Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency
- New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes