Thursday, 23 July 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’ ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030 বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি Dr. Titumir calls for UN-led debt relief mechanism to safeguard investment in children and women Commerce Minister meets ECOSOC President and Vice-President to advance Bangladesh’s smooth LDC graduation
সব ক্যাটাগরি

নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির সভায় ঘুষাঘুষি, চেয়ার ও পানির বোতল নিক্ষেপ; পুলিশকে অবহিত

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 95 বার

প্রকাশিত: July 5, 2023 | 1:35 PM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক : নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির কার্যকরি কমিটির সভায় ঘুষাঘুষি, চেয়ার ও পানির বোতল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। গত রোববার ২ জুলাই সোসাইটির কার্য নির্বাহী কমিটির সভায় এ ঘটনা ঘটে। সভাপতি আব্দুর রব মিয়া ও সাধারন সম্পাদক রুহুল আমিন সিদ্দিকী প্রানপন চেষ্টা করেও সংঘর্ষে লিপ্ত কর্মকর্তাদের নিবৃত্ত করতে পারেন নি। প্রথমে ঘুষাঘুষি শুরু হয় সোসাইটির সিনিয়র সহ সভাপতি মহিউদ্দীন দেওয়ান ও কোষাধ্যক্ষ নওশেদ হোসেনের মধ্যে। এক পর্যায়ে মহিউদ্দীন দেওয়ান চেয়ার নিক্ষেপ করেন। এতে আহত হন নওশেদ হোসেন। তার সর্মথকরা চড়াও হন মহিউদ্দীনের ওপর। সংঘর্ষের এক পর্যায়ে চেয়ার এসে সহ সভাপতি ফারুক চৌধুরীর গায়েও লাগে। ক্রিড়া সম্পাদক মইনুল উদ্দীন মাহবুব ক্ষুব্ধ মহিউদ্দীনকে জড়িয়ে ধরেও থামাতে পারছিলেন না। তবে মহিউদ্দীনের একজন সর্মথক বলেন, তাকে জড়িয়ে ধরার সুযোগে নওশেদ মহিউদ্দীনকে আঘাত করার সুযোগ পায়। বোতল নিক্ষেপে আহত হন সহ সাধারন সম্পাদক আমিনুল ইসলাম। ভয়ে ফারহানা চৌধুরী অন্য রুমে গিয়ে আশ্রয় নেন। কর্মকর্তারা একে অপরের বিরুদ্ধে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। একজন অপরজনকে বলেন, সোসাইটির অফিসে বাইরে আয়। খেলা হবে। মারামারি শেষে সভাপতি উভয় পক্ষকে মিলিয়ে দেন। এক পর্যায়ে মহিউদ্দীন দেওয়ান সভা ত্যাগ করে চলে যান। কার্যকরি কমিটির সভা শেষে নবগঠিত ট্রাষ্টি বোর্ডের সদস্যদের পরিচয় পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।
এরমধ্যে আঘাতপ্রাপ্ত নওশেদের আঙ্গুল ফুলে কালো হয়ে যায়। তিনি ৯১১ কল করেন। ঘটনাটি পুলিশকে অবহিত করেছেন। এম্বুলেন্সের ভেতরে তার আঙ্গুলে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়।
সোসাইটিতে সংঘাতের ব্যাপারে সভাপতি আব্দুর রব মিয়া বলেন, অপ্রীতিকর একটি ঘটনা ঘটেছে। নিন্দা জানানোর ভাষা আমার নেই। তবে আমি ও সাধারন সম্পাদক আপ্রান চেষ্টা করেছি পরিবেশ শান্ত রাখতে। শেষে মহিউদ্দীন দেওয়ান ও নওশেদকে মিলিয়ে দিয়েছি। বৈঠক শেষ হবার পর আমি, রুহুল আমিন সিদ্দিকী ও ফারুক চৌধুরী চলে আসি। পরে জানতে পেরেছি নওশেদ তার আহত হবার বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করেছে।
এদিকে একটি দায়িত্বশীল সুত্র জানায়, ট্রাষ্টি বোর্ডের ১২ জনের মধ্যে ১১ জন ইতোমধ্যেই নির্বাচিত হয়েছেন। একটি পোষ্টের নির্বাচনকে কেন্দ্র করেই এই সংঘাতের সুত্রপাত। কমিউিনিটির এক বড় ভাইকে ট্রাস্টিবোর্ডে রাখা ও ভোট নিয়েই নাকি এই সংঘাতের সুত্রপাত হয়েছিল। নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির ইতিহাসে সৃষ্টি হলো কলংকজনক অধ্যায়ের।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV