Wednesday, 22 July 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’ ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030 বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি Dr. Titumir calls for UN-led debt relief mechanism to safeguard investment in children and women Commerce Minister meets ECOSOC President and Vice-President to advance Bangladesh’s smooth LDC graduation
সব ক্যাটাগরি

নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি এবং অঙ্গ সংগঠনের আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী (ভিডিও সহ)

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 110 বার

প্রকাশিত: May 4, 2024 | 6:18 PM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম, নিউইয়র্ক : নিউইয়র্কে জ্যাকসন হাইটসে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি এবং অঙ্গ সংগঠনের আয়োজনে গত ২৯ এপ্রিল সন্ধ্যায় ঈদ পুনর্মিলনী অনুঅনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম সদস্য মিজানুর রহমান মিল্টন ভুইয়া।
যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাকসুদ চৌধুরীর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অর্নার হিসাবে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি এডভোকেট জামাল আহমেদ জনি। প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক ছাত্র নেতা এম বাসেত রহমান। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক ছাত্রনেতা মোহাম্মদ আব্দুস সবুর, যুক্তরাষ্ট্র শ্রমিক দলের সভাপতি জাহাঙ্গীর এম আলম, বিএনপি নেতা ফারুক চৌধুরী, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম মোল্লা, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সফিক রহমান দুলাল।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি এমদাদুল হক কামাল, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক সাঈদ তারেক, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ সেলিম, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা সৈয়দা মাহমুদা শিরিন, যুক্তরাষ্ট্র শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম শাহীন, শ্রমিক দলের সিনিয়র সহ সভাপতি মোস্তাক আহমেদ, যুবদল নেতা আল মামুন সবুজ, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রাশেদ রহমান, সাবেক ছাত্র দল নেতা আহমেদ সোহেল, জাফর তালুকদার প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম সদস্য মিজানুর রহমান মিল্টন ভুইয়া এই ধরনের সুন্দর অনুষ্ঠান আয়োজন করার জন্য আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে ক্লান্তিকাল অতিক্রম করছে। বার বার আমরা স্বৈরাচারের কবলে পড়ছি। যুগে যুগে বিএনপি স্বৈরাচারের পতন করে, আর স্বৈরাচার ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতায় চলে আসে। তিনি আরো বলেন, আমরা পাকিস্তানের কবল থেকে মুক্তি পেয়ে এখন দিল্লির কবলে পড়েছি। বাংলাদেশ আবারো স্বৈরাচারের কবলে পড়েছে। এই নব্য স্বৈরাচার হচ্ছে শেখ হাসিনা। বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে স্বৈরাচারি শেখ হাসিনা ডামি নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় রয়েছে এবং বাংলাদেশকে ভারতের করদ রাজ্যে পরিণত করেছে। এই স্বৈরাচারের পতন ছাড়া গণতন্ত্র এবং দেশ রক্ষা করা যাবে না। গণতন্ত্র রক্ষা করা না গেলে বিএনপির চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা যাবে না এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনা যাবে না। এই জন্য আমাদের সকল বিভাজন ভুলে গিয়ে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে শেখ হাসিনা সরকারের পতন নিশ্চিত করতে হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম সদস্য মিজানুর রহমান মিল্টন ভুইয়া বলেন, বাংলাদেশ আবারো স্বৈরাচারের কবলে পড়েছে। এই নব্য স্বৈরাচার হচ্ছে শেখ হাসিনা। বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে স্বৈরাচারি শেখ হাসিনা ডামি নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় রয়েছে এবং বাংলাদেশকে ভারতের করদ রাজ্যে পরিণত করেছে। এই স্বৈরাচারের পতন ছাড়া গণতন্ত্র এবং দেশ রক্ষা করা যাবে না। গণতন্ত্র রক্ষা করা না গেলে বিএনপির চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা যাবে না এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনা যাবে না।
গেস্ট অব অর্নার এডভোকেট জামাল আহমেদ জনি বলেন, আমাদের মধ্যে নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা থাকবে কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র বিএনপিতে কোন বিভক্তি নেই। মান অভিমান বা ভুল বুঝাবুঝির কারণে কেউ কেউ সাময়িক আলাদা অনুষ্ঠান করতে পারেন। কিন্তু আমাদের সবার মনে রাখতে হবে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি এক এবং অভিন্ন। তিনি আরো বলেন, আমাদের সমানে কঠিন চ্যালেঞ্জ। আর সেই চ্যালেঞ্জ হচ্ছে স্বৈরাচারি সরকারের পতন ঘটানো। এই ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন ঘটাতে না পারলে দেশ এবং দেশের জনগণকে রক্ষা করা যাবে না। সুতরাং আমাদের ঐক্যবদ্ধ থেকে প্রবাস থেকে কঠোর আন্দোলন করতে হবে।
অনুষ্ঠানকে সফল এবং স্বার্থক করার জন্য সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন অনুষ্ঠানের সভাপতি মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV