Monday, 9 March 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনকের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার মাহফিল New York Attorney General James Releases Statement on Live Nation Trial নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ৭ মার্চ ঘড়ির কাঁটা এক ঘন্টা এগিয়ে যাবে নিউইয়র্কে জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ও দোয়া মাহফিল Radwan Chowdhury Announces Candidacy for Montgomery County Council At-Large, Launches “Five-Pillar Blueprint” for Accountable Governance. New York Attorney General James Reminds New Yorkers of SNAP Work Requirements নিউইয়র্কে ডিজিটাল ওয়ান ট্র্যাভেলস এবং বাংলা ট্র্যাভেলস এর ইফতার মাহফিল
সব ক্যাটাগরি

নিউইয়র্কে ফেলানী হত্যার প্রতিবাদ সভায় বক্তারা-সরকারের নতজানু নীতি জাতির জন্য লজ্জাজনক

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 7 বার

প্রকাশিত: February 7, 2011 | 1:18 AM

হাকিকুল ইসলাম খোকন: সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশের কিশোরী ফেলানীর নৃশংস হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে গত ২২ জানুয়ারী  রাত সাড়ে ৭টায় জ্যাকসন হাইটসের একটি রেষ্টুরেন্টে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয় আমরা বাংলাদেশী নামে।এতে সভাপতিত্ব করেন অধুনালুপ্ত দৈনিক বাংলার সিনিয়র সাংবাদিক ও লেখক মনজুর আহমেদ। সাংবাদিক শেখ সিরাজুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন সাপ্তাহিক এখন সময় পত্রিকার সম্পাদক কাজী শামছুল হক, সাপ্তাহিক বাংলাদেশ পত্রিকার সম্পাদক ডাঃ ওয়াজেদ এ. খান, লেখক সাঈদ তারেক, সাংবাদিক মাহমুদ খান তাসের, সাংবাদিক মইন উদ্দিন নাসের, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি সোলইমান ভূঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান, ড. শওকত আলী, ডাঃ মজিবুর রহমান, এম.এ.খালেক আকন্দ, আনোয়ার, হোসেন মনজু, আজহারুল হক মিলন, মোঃ হেলাল উদ্দিন, আশরাফ উদ্দিন ঠাকুর, সাইদুর রহমান সাইদ, শাহাদৎ হোসেন, আজাদ যাকির, নাট্যকর্মী রেখা আহমেদ ও আমেরিকায় জামাতের সংগঠন মুসলিম উম্মাহ (মুনা) নেতা মাহতাব আহমেদ প্রমুখ।

 

 প্রতিবাদ সভায় যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি গিয়াস আহমেদ বলেন, সকল প্রবাসীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে আমাদের কাজ করতে হবে। আন্তর্জাতিক মহলে প্রবাসী বাংলাদেশীদের ব্যাপারে দৃষ্টি দিতে হবে। অরাজনৈতিক সংগঠনের ব্যানারে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বিভিন্ন দলমতের প্রবাসীরা আলোচনায় অংশ নিয়েছেন। সমাবেশে কিশোরী ফেলানী হত্যার ঘটনায় বর্তমান সরকারের সমালোচনা করে বক্তারা বলেন, ফেলানী হত্যার পর সরকারের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিবাদ জানানো হয়নি। সরকারের এই নতজানু নীতি জাতির জন্য লজ্জাজনক। বক্তারা আরো বলেন, শেখ হাসিনা ভারতের স্বার্থ রক্ষা করে প্রতিটি পদক্ষেপ নিচ্ছেন।
সভাপতির বক্তব্যে মনজুর আহমদ বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতি এখন মেধাশুন্য। বঙ্গবন্ধু ভারতের সাথে সম্পর্কের ক্ষেত্রে সতর্ক ছিলেন। আর তাই স্বাধীনতার পরপরই ভারতের কাছে গ্যাস রপ্তানীর সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে বলেছিলেন, আমাদের এই একটাই সম্পদ আছে, আর তা যদি দিয়ে দেই তাহলে থাকল কি? মনজুর আহমেদ আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু ভারতের প্রতি যত শক্ত ছিলেন জিয়াউর রহমান তার চেয়ে বেশী শক্ত অবস্থান গ্রহণ করেন।মনজুর আহমদ আরও বলেন, স্বাধীন সার্বভৌম দেশের নির্বাচিত সরকার তার দায়িত্ব পালন না করলে দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হবেই। দেশের সীমান্ত রক্ষার দায়িত্ব শুধু বিডিআরের, সেনাবাহিনী দেশ রক্ষায় কোন দায়িত্ব পালন করছে না, তারা ভাড়া খাটছে বিদেশে মার্সেনারীর মত। বিডিআর সীমান্ত রক্ষার দায়িত্বে থাকলেও তারা কি করছে? তাদের দায়িত্ব সীমান্তে আমাদের রক্ষা করা। বিডিআর গঠন করেছিলেন বঙ্গবন্ধু। বিডিআরকে দাড় করানো হয়েছিল বিএসএফের মোকাবিলায়।বঙ্গবন্ধুর গড়া বিডিআর ভেঙ্গে দিয়েছেন তার কন্যা শেখ হাসিনা। তিনি হুশিয়ার করে বলেন, নতজানু নীতি পরিহার না করলে দেশের সার্বভৌমত্ব প্রশ্নের মুখে পড়বে। প্রবীণ সাংবাদিক মইনুদ্দিন নাসের বলেন, বাংলাদেশের সাংবাদিক সংবাদপত্র মালিকরা ভারতের দালালীতে লিপ্ত। এদের মধ্যে কারা ধানমন্ডির ভারতীয় দূতাবাসে গিয়ে কি করেন তা আমার জানা আছে।তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষ জাগলে শেখ হাসিনা পালাতে পারবেন না, তার বাবার নামও মুছে যাবে। শেখ হাসিনা ভারতের দালালে পরিণত হয়েছেন। তার পিতা বঙ্গবন্ধু, কিন্তু তিনি জাতি পিতার কন্যার মত আচরন করছেন না। বঙ্গবন্ধু ভারতের প্রতি অনুগত ছিলেন না। তার প্রমাণ সিআইর রিপোর্টএর রিপোর্টে পাওয়া যায়। আর তাইতার বিরুদ্ধে চক্রান্তের কথা ফাঁস করেনি।মইনুদ্দিন নাসের আর বলেন, আমাদের স্বাধীন করে দেবার জন্য ভারতের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। সেদিক থেকে ভারত আমাদের বড় বন্ধু কিন্তু আমি বুঝি না তারা কেন আমাদের শত্রু ভাবে? সীমান্তে ওদের বিএসএফ আমাদেরকে গুলি করে মারে, কই আমাদের বিডিআরতো ওদেরকে গুলি করে না। ফেলানি মরে গিয়ে বুঝিয়ে দিয়ে গেছে আমাদের অবস্থান কোথায়? আমরা বন্ধু মনে করলেও ভারত আমাদের শত্রুভাবে। স্বচ্ছল গরীব দেশের মধ্যেকার সীমান্তের সব জায়গায় অবাধে পারাপার হয়ে থাকে। আমেরিকার সীমান্ত অতিক্রম করে লক্ষ লক্ষ মেক্সিকান ঢুকে পরে, কোটি কোটি ডলার ব্যয় করেও তা বন্ধ করা যাচ্ছে না।কলামিস্ট সাংবাদিক সাঈদ তারেক বলেন, বাংলাদেশের অভাবী মানুষ কাজের সন্ধানে ভারতে যায়। ভারতের শত্রু ভাবাপন্ন মনোভাব পরিত্যাগ না করলে সীমান্তে আমাদের এভাবে আরও মরতে হবে। গত চল্লিশ বছর ধরে বিএসএফ বাংলাদেশীদের মারছে।তিনি আরও বলেন, আমি দেখেছি সীমান্তের বিএসএফ সদস্যরা বাংলাভাষী না, ভিন্ন ভাষী এইসব বিএসএফ সদস্যরা আমাদের প্রতি ঘৃণা নিয়ে দায়িত্ব পালন করে। অধ্যাপক . শওকত আলী প্রধানমন্ত্রীর কাছে ফেলানী হত্যার বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবী করে বলেন, এর বিচার না করলে আপনি যেভাবে বিচার করে যাচ্ছেন তার পরিণতিও ভাল হবে না।তিনি বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব বিকিয়ে দেয়ার ষড়যন্ত্র চলছে। সুদানের মত গণভোটের মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের পাঁচ হাজার বর্গ মাইল ভারতকে দিয়ে দেবার চক্রান্ত হচ্ছে। . ইউনূস আমাদের জন্য বিশ্বের যেকোন স্থানে কিছু বলার ক্ষমতা রাখেন অথচ তার মন্ডপাত করছেন আপনি।যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি নেতা সোলেমান ভূঁইয়া বলেন, ভারতের নীতি হচ্ছে, আসবোযাবো, নিয়ে যাবো। বঙ্গবন্ধু তিনবিঘা দিয়েছিলেন আজও তার বিনিময়ে কিছু পাইনি সোলেমান ভূইয়া আরও বলেন, ভারতীয় পত্রিকায় ফেলানীর হত্যাকান্ডের ছবি ছাপে, বাংলাদেশের পত্রিকায় ছাপে না। বঙ্গবন্ধু ঠিকই করেছিলেন সব বন্ধ করে দিয়ে চারটি পত্রিকা রেখেছিলেন, জিয়াউর রহমান সব প্রকাশের সুযোগ করে দিয়ে ভুল করেছিলেন।ডাঃ মজিবুর রহমান বলেন, ফেলানীর ছবি দেখে কে বলবে ভারত আমাদের বন্ধু? প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানান শেখ সিরাজুল ইসলাম। নৈশভোজের মাধ্যমে সভার সমাপ্তি ঘটে। 

 
ট্যাগ:
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV