নিউইয়র্কে ‘বঙ্গবন্ধু ভবন’ চাই
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক : ‘নিউইয়র্কে বঙ্গবন্ধু ভবন চাই-এর কোন বিকল্প নেই’-এমন দাবি উঠেছে প্রবাসে বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষ থেকে। উল্লেখ্য, নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কন্স্যুলেট অফিসের জন্যে ভবন খোঁজা হচ্ছে। সেটি জাতিসংঘের আশপাশে অথবা মিড টাউন ম্যানহাটানে হতে পারে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে এ মোমেনের জরুরী নির্দেশ রয়েছে নিজস্ব ভবনে কন্স্যুলেট স্থাপনের। এমন একটি নির্দেশ এক দশক আগেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিয়েছেন। কিন্তু ভবন পাওয়া যাচ্ছে না অজুহাতে সে নির্দেশ ঝুলে রয়েছে। সর্বশেষ পররাষ্ট্র মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পরই ড. মোমেন বিষয়টি ত্বরান্বিত করার নির্দেশ দিয়েছেন বলে কন্সাল জেনারেল সাদিয়া ফয়জুননেসা প্রকাশ্য মিটিংয়ে উল্লেখ করেছেন।
আরো উল্লেখ্য, সর্বশেষ গত সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগদানকালে বাংলাদেশ মিশনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনেও প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে প্রবাসীদের পক্ষ থেকে প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয় যে, চতুর্থ টার্মের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগদানের সময়েই যেন নিজস্ব ভবনে কন্স্যুলেট অফিসের উদ্বোধন করতে পারেন শেখ হাসিনা। সে সময়ই উল্লেখ করা হয়েছে যে, এমন একটি ভবন ক্রয় করতে হবে যেখানে থাকবে কন্সাল জেনারেলের অফিস, সোনালী এক্সচেঞ্জের অফিস, যদি বিমান নিউইয়র্কে আসে তাহলে কান্ট্রি ম্যানেজারের অফিস, কমিউনিটি সেন্টার, লাইব্রেরী, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ তথা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের আলোকে একটি গবেষণাগার এবং সেই ভবনের নাম হবে ‘বঙ্গবন্ধু ভবন’-যার ওপরে পতপত করে ওড়বে লাল-সবুজের পতাকা। বহুজাতিক এ সমাজে বাংলাদেশকে আরো সমুজ্জ্বল করতে ‘বঙ্গবন্ধু ভবন’ যথাযথ ভ’মিকায় অবতীর্ণ হতে পারবে। এবং এমন দাবি হচ্ছে প্রবাসের সচেতন-দেশপ্রেমিক বাঙালিদের। এমন একটি সাজেশনের জন্যে প্রশ্নকর্তা ও সাংবাদিককে সে সময় শেখ হাসিনা ধন্যবাদ জানিয়েছেন এবং অর্থনৈতিক বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই একটি বাড়ি খোঁজা হচ্ছে বলে জানিয়েছিলেন।
ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধারা এক যুক্ত বিবৃতিতে নিউইয়র্কে ‘বঙ্গবন্ধু ভবন’ স্থাপনের পুরনো দাবিটি আবারো সামনে এনেছেন। তারা শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিষয়টি ত্বরান্বিত করতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে নির্দেশ দেয়ার জন্য। কয়েকমাস আগে মুুক্তিযোদ্ধারা নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কন্সাল জেনারেল সাদিয়া ফয়জুননেসার কাছে দেয়া এক স্মারকলিপিতেও ‘বঙ্গবন্ধু ভবন’র প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করে অবিলম্বে তা বাস্তবায়িত করার অনুরোধ জানিয়েছেন।
‘আর্থিক কারণকে অজুহাত হিসেবে দাঁড় করিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ঢাকা অফিসের উচ্চ পর্যায়ের কেউ কেউ ভবনের ফ্লোর (জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের মত) ক্রয়ের পরামর্শ দিচ্ছেন বলে আমরা জানতে পেরেছি। সে ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করলে প্রবাসীদের স্বপ্নের ‘বঙ্গবন্ধু ভবন’ কখনোই নিউইয়র্কে স্থাপন করা সম্ভব হবে না। অন্য ভবনের ভেতরে ফ্লোর ক্রয় করে সেখানে ‘বঙ্গবন্ধু মিলনায়তন’ নামকরণও যথার্থ হবে না। তাই, বঙ্গবন্ধু কন্যার কাছে বিনীত অনুরোধ জানানো হচ্ছে পূর্ণাঙ্গ একটি ভবন ক্রয়ের জন্যে। টাকার অংক বেশী মনে হলেও প্রকারান্তরে সেটি বিনিয়োগের সামিল হবে। এছাড়া, গত ৪৪ বছরে কন্স্যুলেট অফিসের জন্যে যে ভাড়া দেয়া হয়েছে, তা একত্রিত করলে এককালিন ভবন ক্রয়ের বিষয়টি সহজ হবে। বলার অপেক্ষা রাখে না যে, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ব্যতিত নিউইয়র্কে ‘বঙ্গবন্ধু ভবন’র স্বপ্ন পরিপূর্ণতা কখনোই পাবে না’-বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে মুক্তিযোদ্ধারা।
বিবৃতি প্রদানকারিদের মধ্যে রয়েছেন বীর প্রতিক খেতাবধারী মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন (অব:) সিতারা রহমান, ক্যাপ্টেন (অব:) মঈনউদ্দিন, মুক্তিযোদ্ধা ড. নূরন্নবী, মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা খান মিরাজ, মুক্তিযোদ্ধা রাশেদ আহমেদ, মুক্তিযোদ্ধা লাবলু আনসার, মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল বারি, মুক্তিযোদ্ধা আবুল বাশার চুন্নু, মুক্তিযোদ্ধা আবু তাহের, কন্ঠযোদ্ধা রথীন্দ্রনাথ রায় এবং শহীদ হাসান, যোদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ইউসুফ চৌধুরী প্রমুখ।
এদিকে, ৬ মার্চ নিউইয়র্কে কন্সাল জেনারেলের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি এ সংবাদদাতাকে জানান যে, খুবই গুরুত্বের সাথে একটি ভবন খোঁজা হচ্ছে। এ ব্যাপারে ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাথেও যোগাযোগ রয়েছে। এনআরবি নিউজ
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests
- ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ
- Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান
- Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030
- বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর
- ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি