নিউইয়র্কে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ যুক্তরাষ্ট্র কমান্ড আহ্বায়ক কমিটির মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন
নিউইয়র্ক: বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ যুক্তরাষ্ট্র কমান্ড আহ্বায়ক কমিটির উদ্যোগে গত ২৬ মার্চ নিউইয়কের জ্যাকসন হাইটসের খাবার বাড়ি রেস্টুরেন্টে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন যুক্তরাষ্ট্র কমান্ডের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মুকিত চৌধুরী। সভা পরিচালনা করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর আব্দুল কাদির। সভায় বক্তাগণ স্বাধীনতা যুদ্ধে নিজ নিজ অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে দেশে বর্তমানে অসহায় ও গরিব মুক্তিযোদ্ধাদের পাশে দাঁড়ানো কর্তব্য পালন করার জন্য- সরকারের কাছে দাবি জানান। আজ আমরা জীবনের শেষ পর্যায়ে এসে যদি শান্তিতে মরতে না পারি- তবে যুদ্ধে মৃত্যুই শ্রেয় ছিল। আজ অনেক মুক্তিযোদ্ধা তাদের পরিবারের নিকট লজ্জায় জবাব দিহি করতে পারেন না। কারন যদিও তারা স্বাধীনতা যুদ্ধে জয়ী হয়েছিলেন; কিন্তু জীবন যুদ্ধে আজ তারা পরাজিত। সভায় বক্তাগণ দৃঢ়তার সাথে উল্লেখ করেন- যে, প্রবাসে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের যারা সম্মান জানাতে চান- তাদের উচিত মুক্তিযোদ্ধা দাবিদারের নিকট বিগত ৪০ বছরে সরকারের কোন না কোন তালিকায় নাম থাকার প্রমাণ চাওয়া। কারণ আজ এমন অবস্থা এসে দাঁড়িয়েছে যে, যারা যুদ্ধের ৯মাস দেশের অভ্যন্তরে চাকরিরত অবস্থায় ছিল অথবা শহীদের সন্তান বা যারা দস্তখত বিহীন সার্টিফিকেট যোগাড় বা ফটোকপি করে নিয়েছে অথচ তার এলাকার তার মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের খবর জানেন না এবং আজ অবধি সরকারের কোন তালিকায় তাদের নাম নেই- তারা আজ বড় মুক্তিযোদ্ধা সেজে বিভিন্ন সভা-সমিতিতে মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় দিয়ে বেড়াচ্ছে। সভায় আহ্বান জানানো হয় যে তারা যেন নিজ থেকেই নিজেকে নিভৃত করেন। মুক্তিযোদ্ধা সংসদ একটি অরাজনৈতিক- স্বাধীনতার স্বপক্ষের সংগঠন। এই সংগঠন মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে কাজ করার নির্মিত্তে গঠিত হয়েছে। কোন রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নয়। সভায় মুক্তিযোদ্ধারা অনতিবিলম্বে যুদ্ধাপরাধ তথা মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার শুরুর দাবি জানান। সভাপতি তার ভাষণে বলেন, আমরা মুক্তিযোদ্ধারা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে জীবন বাজি রেখে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিলাম বলে পরবর্তিতে ভারতসহ বর্হিঃবিশ্বের সহায়তায় মাত্র ৯ মাসে স্বাধীনতা অর্জনকরতে সক্ষম হয়েছিলাম। আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে যারা আজ শহীদ তাদের স্বপ্ন ছিলো স্বাধীনদেশে গরীব দুঃখি মানুষের মুখে হাসি ফুটবে- অথচ বিগত ৪০ বছর যাবত আমরা বেঁচে যাওয়া মুক্তিযোদ্ধারাই নির্যাতন ও বঞ্চনার শিকার। জননেত্রী শেখ হাসিনা যেহেতু বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ প্রধান উপদেষ্টা ও পৃষ্ঠপোষক- তাই তাঁকে দৃঢ়ভাবে এখনো জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদের জীবনের দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান জানান। সভায় বক্তব্য রাখেন- যুক্তরাষ্ট্র কমান্ডের যুগ্ম-আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ হানিফ পাটোয়ারী, মুক্তিযোদ্ধা মোঃ শফিকুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা আশরাফুল হোসেন মৃধা, মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আখতারুজ্জামান খান ও মুক্তিযোদ্ধা মুক্তা বেগম। প্রবাসের সকল প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা যারা এখনও আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেননি তাদেরকে নিম্নের নাম্বার- ৯১৭-৩৬৩-৪৯৮৫, ৭১৮-৫০৭-০১০৪ ও ৩৪৭-৬৪৯-৫২৮৭ অথবা [email protected] যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।
- SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK
- Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী
- যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট সিনেট নির্বাচনে বাংলাদেশি-আমেরিকান শেখ রহমানের টানা পাঁচবার জয়
- A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History
- নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং
- Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency
- New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes