নিউইয়র্কে বিমানবাহিনীর প্রাক্তন সদস্যদের বর্ণাঢ্য পুনর্মিলনী
নিউইয়র্ক: বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর প্রাক্তন সদস্য ও পরিবারবর্গের বার্ষিক পুনর্মিলনী অত্যন্ত জাকজমকপূর্ণভাবে গত ২৫ ফেব্রুয়ারী শুক্রবার সন্ধ্যায় উডসাইডের ঢাকা ক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিবছরের ধারাবাহিকতায় এ বছরও অনুষ্ঠানটির আয়োজন করেছে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রাক্তন সদস্য ও পরিবারবর্গের একমা(ড) সামাজিক সংগঠন বিএএফ কর্পোরেশন ইউএসএ ইনক। বর্ণাঢ্য এই অনুষ্ঠানটি সংগঠনের সভাপতি আক্তারুজ্জামান আজাদের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সরকার আলমগীরের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।
সরকার আলমগীরের স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয় এবং তিনি অনুষ্ঠান উপস্থাপনার জন্য সংগঠনের প্রধান সমন্বয়কারী শাহজাদা ইলিয়াসকে মঞ্চে আহবান করেন। শাহজাদা ইলিয়াস উপস্থিত সকলকে শুভেচ্ছা জানিয়ে সভাপতি আক্তারুজ্জামান আজাদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি এজেএম বাবুল ও সাধারণ সম্পাদক সরকার আলমগীরকে মঞ্চে আসন গ্রহণের আহবান জানান। একই সাথে মঞ্চে অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় সহযোগিতার জন্যে মো:জাকির হোসেনকেও আহবান জানান। মো:জাকির হোসেন মঞ্চে আসন গ্রহণের জন্যে একাত্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধা বিমান বাহিনীর প্রাক্তন সদস্য আ: আজিজ খান, সাজেদুর রহমান সাঈদ, আলতাফ হোসেন ও মো: আবুল বাশারকে অনুরোধ করেন। আসন গ্রহণ শেষে মো: জাকির হোসেন একাত্তরের বিজয় গাঁথা ও মুক্তিযুদ্ধে বিমানবাহিনীর সদস্যদের অবদান শীর্ষক লিখিত প্রবন্ধ পাঠ করে শোনান। উপস্থিত সকলেই অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে তা শ্রবণ করেন। তরুণ প্রজন্মের মিমি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে অবস্থানকালীন তার স্মৃতিকথা অত্যন্ত আবেগ দিয়ে ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এবং দেশ বাংলা ও বাংলা টাইমস সম্পাদক ও প্রকাশক ডা. চৌধুরী সারওয়ারুল হাসান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এবং জেবিবিএ উপদেষ্টা ও সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সাঈদ রহমান মান্নান, বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. ফেরদৌস খন্দকার, শিক্ষাবিদ ড. মনসুর খান, ঢাকা ক্লাবের সত্ত্বাধিকারী অনন্যা রহমান ও তরুণ সফল ব্যবসায়ী তারেক হাসান খানকে। বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং বিমান বাহিনীর প্রাক্তন সদস্য আব্দুল আজিজ খান, সাজেদুর রহমান সাঈদ, আলতাফ হোসেন ও আবুল বাশার মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিকথা ব্যক্ত করেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ডা. চৌধুরী সারওয়ারুল হাসান, ড. মনসুর খান, অনন্যা রহমান ও তারেক হাসান খান। বক্তারা অনুষ্ঠান আয়োজক এবং সংগঠনের উচ্চকিত প্রশংসা করেন। আরো বক্তব্য রাখেন বিমান বাহিনীর প্রাক্তন সদস্য কারিমুল হক, মো: রবিউল ইসলাম ও মো: নাসিম হাসান। সভাপতির সমাপনী বক্তব্যের মধ্যদিয়ে আলোচনা পর্বের ইতি ঘটে। তিনি সকলের আন্তরিক সহযোগিতার জন্যে অশেষ ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নাদিম আহমেদ, শামসুল আলম, ফজলুর রহমান, মোবারক হোসেন, মো: আবুল কাশেম, মাসুম রহমান, মোস্তফা আহমেদ, সিরাজুল ইসলাম, ফিরোজ খান, সেলিম খান, নাজিম আহমেদ, মো: আতিয়ার, কাজী হারুনুর রশিদ ও ফকির আলাউদ্দিন প্রমুখ।
মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শুরুতেই চমৎকার যাদু প্রদর্শন করেন বিখ্যাত যাদুশিল্পী এম এইচ চৌধুরী নান্নু। যাদু শেষে গান নিয়ে আসেন রেজাউল করিম কিরণ, হাফিজুর রহমান হাফিজ, ইরশাদ করিম এরিনা, তানভীর শাহীন, আজাদুর রহমান লিপন, উজ্জ্বল গমেজ ও মামুন। তবলায় ছিলেন পিনাকী চক্রবর্তী। চমৎকার ২টি নৃত্য পরিবেশন করেন প্রবাসীর জনপ্রিয় নৃত্যশিল্পী নারমীন। গান গেয়ে দর্শকদের মুগ্ধ করেন তরুণ প্রজন্মের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ফারজানা পপি। তিনি তিনটি গান গেয়ে শোনান। দর্শকরা মুগ্ধ হয়ে তা শ্রবণ করেন। ডা: চৌধুরী সারওয়ারুল হাসান একটি চমৎকার কৌতূক পরিবেশন করেন। তিনি বাংলা এবং ইংরেজিতে বলায় বয়স্কদের ছাড়া ছোটরাও হেসে কুটি কুটি হয়। ব্যতিক্রমভাবে চমৎকার একটি গান পরিবেশন করেন মিসেস নাঈমা খান। একটি জারি গান গেয়ে শোনান শামসুল আলম। চমৎকার ২টি গান গেয়ে শোনান অনন্যা রহমান। নৈশভোজের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সফল সমাপ্তি ঘটে। অনুষ্ঠান চলে মধ্যরাত পর্যন্ত।
- নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং
- New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals
- নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests
- ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ
- Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান
- Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030