Thursday, 23 July 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’ ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030 বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি Dr. Titumir calls for UN-led debt relief mechanism to safeguard investment in children and women Commerce Minister meets ECOSOC President and Vice-President to advance Bangladesh’s smooth LDC graduation
সব ক্যাটাগরি

নিউইয়র্কে যুক্তরাস্ট্র আওয়ামী লীগের বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালন

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 11 বার

প্রকাশিত: January 15, 2011 | 12:20 AM

 তৈয়বুর রহমান টনি, নিউইয়র্ক: ঐতিহাসিক ১০ জানুয়ারি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস।গত ৯ই জানুয়ারি রোববার সন্ধায় ঢাকা ক্লাবে বঙ্গবন্ধু স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে যুক্তরাট্র আওয়ামি লীগ এক বিশাল আলচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োযন করে।সভা পরিচালনা করেন ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক নিজাম চৌধুরি ও ফারুক আহমদ।সভায় সভাপতিত্ব করেন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সৈয়দ বসরাত আলী ও প্রধান অতিথি ছিলেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্হাহী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত ডঃএ কে আবদুল মোমেন।মন্চেঁ উপবিষ্ট ছিলেন যুক্তরাট্র আওয়ামি লীগের সহ সভাপতি মাহাবুবুর রহমান, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল ইসলাম, আন্তরজাতিক সম্পাদক আবুল কাসেম. দফতর সম্পাদক আক্তার আহমদ চৌধুরী,ষ্টেট আওয়ামী লীগ সভাপতি মুক্তিযোদ্দা সিরাজ উদ্দিন আহমেদ ,সাধারন সম্পাদক মজিবুর রহমান ম্ঞিা ,মুক্তিযোদ্বা কোমান্ডার নূরন নবী ,মূল ধারার রাজনীতিক মুরশের্দ আলম,যুব ডেপুটি কমান্ড হাজী এনাম ও শ্রম বিষয়ক সম্পাদক যোসেফ কেনেডী।

  

 সভার শরূতে করান তেলায়াৎ ও দোয়া করেন কাজী মনির, বাইবেল পাঠ করেন ডঃ টমাস দুলু ও গীতা পাঠ করেন অনুকুল অধিকারী ।সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন যুক্তরাট্র আওয়ামি লীগ এর সাংস্কৃতিক সম্পাদক স্বাধীন বাংলা বেতারের শিল্পী ও মুক্তিযোদ্দা শহীদ হাসান । ভাষা আন্দোলন ও শহীদ মুক্তিযোদ্দাদের প্রতি শ্রোদ্বা জানিয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।সাংস্কৃতিক সম্পাদক স্বাধীন বাংলা বেতারের শিল্পী ও মুক্তিযোদ্দা শহীদ হাসান এর নেতৃত্বে শুরুতে জাতীয় সঙ্গিত দিয়ে শুর করা হয় ।অনুষ্ঠান বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক মাহাবুবুল আলম হানিফ টেলিকনফারেন্সে বলেন যুদ্বাপরাধীদের বিচারকে কেউ চক্রান্ত বা নস্যাত করতে পারবে না। তিনি বলেন যুদ্বাপরাধী ও দূনীতিবাজ আজ এক হয়ে গেছে ।এজন্য আওয়মী লীগ নেতা কর্মিদের ঐক্যবদ্ব্যভাবে তাদের চক্রান্তকে প্রতিহত করতে হবে ।শুধু তাই না বিএনপি জামাত সব সময় এই সরকারের প্রতিটা উন্নায়ন কাজে বাধা দিচ্ছে মিথ্যা কথা বলে জনগন কে বিভরান্ত করছে ।তারা কখনোই দেশকে ও জনগনকে ভাল বাসে নাই ।জাতি আজ বুঝতে পেরেছে তাদের দূষশাসন, ও জনগন কে অত্যাচার, লুটপাট করে দেশ কে কোথায় নিয়ে গিয়েছিল । তাই আপনাদের সব সময় সজাগ থাকতে হবে চক্রান্তকারীরা সব জায়গাতে ঘাপটিমেরে আছে। আপনারা প্রবাসে বসে ঐতিহাসিক ১০ জানুয়ারি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালন করছেন দীর্ঘ ১০ মাস পাকিস্তানে নির্জন কারাবাস শেষে ১৯৭২ সালের এই দিনে বঙ্গবন্ধু স্বাধীন জন্মভূমির মাটিতে পা রাখেন বিজয়ীর বেশে। সদ্য বিজয়ের আনন্দে উদ্বেলিত গোটা বাঙালি জাতি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে উল্লাসে ফেটে পড়ে । লাখো লাখো বীর বাঙালি আনন্দ-অশ্রু, শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় সিক্ত হন বাংলার অবিসংবাদিত নেতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান । ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ হানাদার পাকিস্তানি বাহিনী বাঙালি জাতির চির আকাঙ্ক্ষার স্বাধীনতা আন্দোলন নস্যাৎ করার জন্য গভীর রাতে ঝাঁপিয়ে পড়ে বাঙালি নিধনে । ‘অপারেশন সার্চলাইট’ শুরু করে । ওই রাতেই বরবর পাকিস্তানি বাহিনী হাজার হাজার নিরীহ-নিরস্ত্র বাঙালির ওপর বর্বর অত্যাচার হামলা চালায়, শুরু করে গণহত্যা । শুধু সেদিন রাতেই ঢাকাসহ সারাদেশে ইয়াহিয়া খানের জংলি বাহিনী কয়েক হাজার মানুষকে নৃশংসভাবে হত্যা করে ।

  
 ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কে বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে বঙ্গবন্ধুর ওপর নেমে আসে মৃত্যুর হুমকি । গভীর রাতে গ্রেফতার করা হয় বঙ্গবন্ধুকে। এর ঠিক আগ মুহূর্তে ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা দেন । তাকে স্বাধীনতার দাবি থেকে সরে আসতে বলা হয় । তা না হলে হত্যা করা হবে বলে হুমকি দেয়া হয়, কিন্তু বাঙালির অধিকার ছাড়া তিনি কোন কিছু মানবেন না বলে জানিয়ে দেন । পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার ডাক দেন । পাকিস্তানি বাহিনী বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করে পাকিস্তানের কারাগারে পাঠিয়ে দেয় । মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন বঙ্গবন্ধুকে রাষ্ট্রপতি করে গঠিত হয় প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার । এই সরকারের নেতৃত্বেই চলে মহান মুক্তিযুদ্ধ।পাকিস্তানের বন্দিদশা থেকে মুক্তি পাওয়ার পর ১৯৭২ সালে ১০ই জানুয়ারী জাতির জনক বঙ্গবন্দু  পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার ডাক দেন । পাকিস্তানি বাহিনী বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করে পাকিস্তানের কারাগারে পাঠিয়ে দেয় , মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন বঙ্গবন্ধুকে রাষ্ট্রপতি করে গঠিত হয় প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার । এই সরকারের নেতৃত্বেই চলে মহান মুক্তিযুদ্ধআর যারা বক্তব্য রাখেন শিক্ষা বিষক সম্পাদক শামছুদ্দিন আজাদ,কোষাধ্যক্ষ আবুল মনসুর খানঁ,যুব বিষয়ক সম্পাদক আবুল হাসীব মামুন,মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক এম.এ জাহাঞ্জির,  ডেপুটি কমন্ডার সরাফ সরকার,    ডেপুটি কমন্ডার ডা.মাসুদুল হাসান,আবদুস সামাদ আজাদ,মমতাজ শাহনেয়াজ,শাহীন আজমল,মুজিবুল মওলা,মোস্তফা কামাল পাশা,খোরশেদ খন্দকার,নূরুল ইসলাম নজরুল,যুব লীগের সভাপতি মিছবাহ আহমদ,ইকবাল হোসেন, তৈয়ব টনি, ছাএ লীগৈর সভাপতি টিটু রহমান,সাধারন সম্পাদক মুহসীন রিপন, বজলুর রহমান, রুহেল চৌধুরী, গজ নবী,তোফায়েল আহমদ, জিয়া উদ্দিন কুনু, নুরুল আমিন,স্বেচ্চাসেবক লীগের যুগ্ম আহ্ববায়ক মাহাবুবুর রহমান টুকু, নিউ জারসি আওয়ামী লীগ সভাপতি আব্দুল মোক্তাদির, সাধারন সম্পাদক টিপু সুলতান,দেওয়ান এ চৌধুরী,শেখ হাসিনা মন্চোঁ আব্দুল জালিল ,সাউথ জার্সি আওয়ামী লগি সভাপতি জাহাঞ্জির ভূইয়া, সাধারন সম্পাদক জসীম উদ্দিন,কৃষক লীগের হাজী নিজাম উদ্দিন,ও প্রমুখ ।
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন পাকিস্তানের নির্জন অন্ধকার কারাগারে শুরু হয় বঙ্গবন্ধুর বিচার  এতে তার ফাঁসির আদেশ হয়  এমনকি দেয়া হয়নি আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ । কারাগারের যে সেলে বঙ্গবন্ধুকে রাখা হয়েছিল, সেই সেলের পাশে কবরও খোঁড়া হয়, কিন্তু বঙ্গবন্ধুর মুক্তির দাবি ও প্রহসনের বিচার বন্ধ করতে প্রবল বিশ্ব জনমতের চাপের মুখে স্বৈরাচার পাকিস্তানি সরকার ফাঁসির আদেশ কার্যকর করতে সাহস পায়নি ।
দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদ, বহু ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে ১৯৭১-এর ১৬ ডিসেম্বর দেশ স্বাধীনতার প্রকৃত বিজয় অর্জন করে , স্বাধীনতা লাভের পর বিশ্বমানচিত্রে নতুন স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র বাংলাদেশ বিশ্ব দরবারে বঙ্গবন্ধুর নিঃশর্ত মুক্তি
 দাবি করে । জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক চাপে পাকিস্তান সরকার সদ্য ভূমিষ্ঠ স্বাধীন বাংলাদেশের জনক বঙ্গবন্ধু মুজিবকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয় , পাকিস্তানি কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে ইতিহাসের মহানায়ক, নির্যাতিত, নিপীড়িত, গরিব-দুঃখী-মেহনতি মানুষের কা-ারি,
 সর্র্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব লন্ডন ও দিল্লি হয়ে ১০ জানুয়ারি বিজয়ীর বেশে বিশেষ বিমানে স্বাধীন-স্বার্বভৌম বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখেন ।
 এ সময় অস্থায়ী সরকার, আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ, মুক্তিযোদ্ধাসহ লাখো লাখো বাঙালি বিমানবন্দরে বাঁধভাঙা জোয়ারের মতো জাতির জনককে আনন্দ-উল্লাসে পুষ্পবৃষ্টিতে বরণ করে নেয় , বঙ্গবন্ধুও তার প্রিয় মাতৃভূমিতে ফিরে অকৃত্রিম ভালোবাসা আর
 শ্রদ্ধায় আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন, প্রতিক্ষণেই ঢুকরে কেঁদে ওঠেন  স্বয়ং জাতির জনক তার । মাহাবুবুল আলম হানিফ আরও বলেন জনগনের ম্যান্ডেট নিয়ে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছে ।আমাদের র্নিবাচনী প্রতিশ্রূতি ছিল যুদ্বাপরাধীদের বিচার,সেই বিচার শুরু হয়ে গেছে ।তারেক রহমান ও কোকোরা দূরনীতি করেছে তারা ও রেহাই পাবে না । তিনি বলেন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করেছে, দেশে যে কোন সময়ের চাইতে মানবাধিকার পরিস্তিতি সন্তোষজনক,তবে ষড়যস্থ্র থেমে না । দুই/তিনজনের বক্তব্যর মাঝে শহীদ হাসানের পরিচালনায় সঙ্গিতা  অনুষ্ঠাটি এ ভাবে চলে ।আর ড.মোমেন বলেন আওয়মী লীগৈর নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্বে এক নতুন ইমেজ তৈরী করেছে, এটাকে ধরে রাখতে আওয়ামী লীগের পক্ষে সকলকে এক যোগে কাজ করতে হবে ।নিজাম চৌধুরী বলেন যুক্তরাষ্ঠ্র আওয়মী লীগের ভিতরে আবার ষরযস্ত্র চলছে চ্কন্তকারীরা অনুপ্রবেশ করে দলের মধ্যে ভাংনের চেষ্টা করছে তারা আগেও অনেক বার চেষ্টা করেছিল কিন্তূ এবার তারা মরিয়া হয়ে উঠেছে দল কে ভেঙ্গে শেখ হাসিনার হাত কে র্দূবল করতে । তারা পারবেনা জন নেএী শেখ হাসিনার হাত কে র্দূবল করতে আমরা এর প্রতিরোধ করবো ইনশাআল্লাহ।

 

 

পরিশেষে দলীয সঙ্গিত গেঁয়ে এবং নৈশভোজের মধ্যে দিযে  অনুষ্ঠাটি পরিসমাপ্তি হয়।শিল্পিদের মধ্যে ছিলেন,শহীদ হাসান, আলীম উদ্দিন,শাহরীন সুলতানা ,তবলায় ছিলেন চন্দন মন্ডল।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV