নিউইয়র্ক এবং লন্ডনের চাইতে নিরাপদ শহর ঢাকা!
আসিফুজ্জামান পৃথিল : হত্যাকান্ডের বিচারে ঢাকা এবং নিউইয়র্কের চাইতে ঢের নিরাপদ শহর ঢাকা। ফেব্রয়ারি এবং মার্চ মাসের হত্যাকা-ের তুলনামূলক বিচারে এই তথ্য জানা গেছে।
বিগত দুইমাসে লন্ডনে হত্যাকা-ের সংখ্যা নিউ ইয়র্কে হত্যার হারকে ছাড়িয়ে গেছে। গেল ফেব্রুয়ারি মাসেই লন্ডনে ১৫টি হত্যাকান্ড হয়। যা ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি হত্যাকা- বলে জানিয়েছে লন্ডন পুলিশ। আর ফেব্রুয়ারি মাসে নিউইয়র্কে খুন হয়েছে ১৪ জন। সে তুলনায় ভালো অবস্থানে রয়েছে ঢাকা। এই মাসে ঢাকায় নিহত হয়েছেন মাত্র এক জন!
২০বছর বয়সী এক স্কটিশ যুবককে হত্যার মধ্য দিয়ে এ বিষয়টি আলোচনায় উঠে আসে। এবছর মার্চের মধ্যেই এ পর্যন্ত ৩১টি হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়েছে। যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে এ ধরণের হামলার পেছনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে খুব দ্রুত যেকোনো ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। এরফলেও সহিংসতা অনেকখানিই বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছে লন্ডন পুলিশ।
গত ২৫ ফেব্রুয়ারি সকালে মহাখালীর দক্ষিণপাড়া জামে মসজিদের উন্নয়ন কাজের ঠিকাদার নাসির কাজিকে তিন যুবক এসে এলোপাতাড়ি গুলি করে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় নাসিরের। ফ্রেব্রুয়ারি মাসে ঢাকায় খুনের ঘটনা এই একটিই।
আর মার্চ মাসে ঢাকা শহরে খুন হয়েছে ৬ জন। গত ৮ মার্চ দুপুরে তেজগাঁওয়ের পশ্চিম নাখালপাড়ায় ২৮৮ নম্বর বাড়ির নিচতলার ফ্লাটে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয় আমেনা বেগম (৬৫) নামে এক গৃহকর্ত্রীকে। গত ৭ মার্চ রাজধানীর দারুসসালাম থানার বসুপাড়ার ডি-ব্লকের ৬৫/৬/১ নম্বর বাড়ির পেছনের খাল থেকে অজ্ঞাত এক নারীর (২৫) বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
একইদিন রাজধানীর কদমতলী থানার শনিরআখড়া এলাকার নিজ বাসা থেকে শিউলি (২৮) নামে এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ৬ মার্চ রাজধানীর দারুসসালাম এলাকার টোলারবাগের ৩১২/৪ নম্বর বাসার পঞ্চম তলার ফ্ল্যাট থেকে মরিয়ম বেগম (৪০) নামে এক নারীর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। মরিয়ম ঢাকা নার্সিং কলেজের হাউসকিপার ছিলেন। গত ১৭ মার্চ মেরুল বাড্ডার মাছের আড়তে দিনেদুপুরে গুলি করে হত্যা করা হয় আবুল বাশার বাদশাকে। চলতি মাসের শুরুতে পুরান ঢাকায় দোল উৎসবে খুন হয় কলেজছাত্র রওনক (১৭)।
ফেব্রয়ারি এবং মার্চ মাসে ঢাকায় এই ৭টি খুনের ঘটনা ঘটেছে। লন্ডনে এই দুই মাসে ঢাকার রচেয়ে ২৫ জন বেশী মানুষ হত্যাকান্ডের শিকার হয়েছেন।
নিউ ইয়র্ক ও বোস্টনের মত শহরগুলোতে পুলিশের জন্য বরাদ্দকৃত সম্পদের পরিমাণ বেশি। সেই তুলনায় লন্ডনের রাস্তায় পুলিশের সংখ্যা অনেক কম। এছাড়াও লন্ডনের রাস্তায় পুলিশের সংখ্যা কমিয়ে নেয়াকেও এর পেছনে দায়ী বলে মনে করছেন সমালোচকরা। এ প্রসঙ্গে লন্ডনের মেয়র সাদিক খানের মুখপাত্র শহরটির নিরাপত্তা জোরদার প্রসঙ্গে দায়িত্বরত পুলিশদের কঠোর পরিশ্রমের অনুরোধ জানান।
আর লন্ডন এবং নিউইয়র্ক এই দুই শহরেই পুলিশের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ এবং পুলিশের সংখ্যা ঢাকা থেকে ঢের বেশী। এই দুই শহরে পুলিশের সংখ্যাও ঢাকার চাইতে বেশী। নিউইয়র্কে পুলিশ সদস্যর সংখ্যা সাড়ে ৫২ হাজার এবং লন্ডনে এই সংখ্যা সাড়ে ৩৭ হাজার। পক্ষান্তরে কোটি মানুষের নগরী ঢাকায় পুলিশ রয়েছে মাত্র ২৩ হাজারেরও কম! আমাদের সময়.কম
- নারীর ক্ষমতায়ন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ : ড. খলিলুর রহমান
- নিইউয়র্কে টাইমস স্কয়ারের মঙ্গল শোভাযাত্রায় যোগ দিচ্ছেন ম্যানহাটান বরো প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড হোয়েলম্যান
- নিউইয়র্কে স্ট্রিট ভেন্ডরদের জন্য নতুন আইন কার্যকর; জেল শাস্তি বাতিল, আরোপ করা হবে জরিমানা
- New York Attorney General James Leads Bipartisan Coalition Suing Predatory Lender OneMain for Scheme to Trap Consumers in Debt
- নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট হাউসে ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন ২৩ মার্চ : আহ্বায়ক কমিটি গঠন
- বাংলাদেশে আওয়ামীলীগসহ সকল রাজনৈতিক দলের স্বাভাবিক রাজনীতির পরিবেশ সৃষ্টি করার দাবি নিউজার্সি স্টেট আওয়ামী লীগের
- নিউইয়র্কে ‘অল কাউন্টি হেলথকেয়ার গ্রুপ’র বার্ষিক ইন্টারফেইথ ইফতার পার্টি
- HUSBAND CHARGED WITH MURDER AND DISMEMBERMENT OF WIFE WHOSE REMAINS WERE FOUND IN SEPARATE LOCATIONS ALONG BROOKVILLE BLVD AND CROSS BAY BLVD








