নিউইয়র্ক ষ্টেট বিএনপি’র উদ্যোগে জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকী পালন
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি নেতা অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন ও আখতার হোসেন বাদল নেতৃত্বাধীন সংগঠনের নিউইয়র্ক ষ্টেট বিএনপি আয়োজিত শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, ‘যতদিন বাংলাদেশ থাকবে ততদিন দেশের জনগণ জিয়া ও জিয়া পরিবারকে স্মরণ রাখবে’। কেননা, জিয়া বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক, বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা আর আধুনিক বাংলাদেশের সৎ রাষ্ট্রনায়কের উজ্জল দৃষ্টান্ত। অপরদিকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের প্রতীক, আপোষহীন নেত্রী। আর জিয়া-খালেদার পুত্র তারেক রহমান বাংলাদেশের আগামী দিনের ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রনায়ক।
বক্তারা বলেন, জিয়া পরিবারের জনপ্রিয়তায় ইর্ষান্বিত হয়ে শেখ হাসিনা সরকার নানা ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে প্রতিহিংসার রাজনীতি করছে। জিয়া পরিবারকে ধ্বংস করতে চাচ্ছে। দেশ ও প্রবাসের জিয়ার সৈনিকেরা যেকোন মূল্যে আওয়ামী লীগের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করবে। সিটির ব্রুকলীনস্থ মধুবন রেষ্টুরেন্টে গত ১৯ জানুয়ারী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আয়োজিত দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন এবং বিশেষ বক্তা ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও মূলধারার রাজনীতক, ব্যবসায়ী আখতার হোসেন বাদল ।
খবর ইউএনএ’র।
নিউইয়র্ক ষ্টেট বিএনপি’র সভাপতি ছালেহ আহমদ মানিকের সভপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভা পরিচালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন শিপন। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত ও বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন মোহাম্মদ সোহেল। সভায় অতিথিদ্বয় ছাড়াও অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট্র জাগপা সভাপতি মোহাম্মদ রহমত উল্লাহ, বিএনপি নেতা মোহাম্মদ হোসেন কচি, মোহাম্মদ মহিন আহমেদ, আনসার আলী চেয়ারম্যান, নোমান সিদ্দিকী
প্রমুখ।
সভায় বক্তারা বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার পত্নী ডা. জোবায়দা রহমানের সম্পদ ক্রোকের সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ এবং দেশব্যাপী দলীয় নেতা-কর্মীদের উপর নিপীড়ন-নির্যাতন, গ্রেফতার ও হামলা-মামলা বন্ধ সহ অবিলম্বে সকল নেতা-কর্মীদের মুক্তি দাবী এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দাবী করেন।
সভায় অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, জিয়া ছিলেন খাঁটি দেশপ্রেমিক নেতা। তিনি জনগণের নেতা ছিলেন বলেই কোটি কোটি মানুষ তাঁকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন এবং আজীবন জিয়াকে স্মরণ রাখবে। জিয়ার তুলনা শুধু জিয়ার সাথেই চলে। তিনি বলেন, দেশ ও প্রবাসের বিএনপি নেতা- কর্মী সহ দেশের মানুষ আওয়ামী লীগ সরকারের নিপীড়ন-নির্যাতনের বিরুদ্ধে জেগে উঠেছে, ঐক্যবদ্ধ হয়েছে, আন্দোলন শুরু হয়েছে।
তাই সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। কোন ষড়যন্ত্র বা প্রলোভন এই আন্দোলন রুখতে পারবে না। আখতার হোসেন বাদল বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়ার মতো জনপ্রিয় নেতা দেশে দ্বিতীয়টি নেই। তিনি শুধু দেশের কোটি কোটি মানুষের নেতাই ছিলেন না, ছিলেন বিশ্বনেতাও। ছিলেন মুসলিম বিশ্বের প্রিয় নেতা। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানের বড় ভুল ছিলো শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফিরে আসার সুযোগ করে দেয়া। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ভোট বিহীন নির্বাচনে শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হয়ে জিয়া ও জিয়া পরিবারকে ধ্বংস করতে উঠেপড়ে লেগেছে। তিনি বলেন, আমরা শহীদ জিয়ার সৈনিক, আমাদের নেতা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আর আগামী দিনের নেতা দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।আমরা যেকোন পরিস্থিতিতেই জিয়া পরিবারকে রক্ষা করবো।
নিউইয়র্ক ষ্টেট বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি মো: মোস্তফা কামাল মুকুল, প্রচার সম্পাদক মো: তাইবুর রহমান, সিটি বিএনপির সভাপতি মো: সাইফুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মো: মাহবুবুর রহমান সহ অনুষ্ঠানে উল্লেখযোগ্য নেতা-কর্মীর মধ্যে হোসাইন মোহাম্মদ মনির, মোহাম্মদ মীর হোসেন, মনির আহমদ, আশরাফুল হাসান, আব্দুল মাবুদ সম্রাট, বিপ্লব হোসেন, কদ্দুস হাওলাদার, মোহাম্মদ নিপুন, ওমর ফারুক, একেএম হায়দার, নূর নবী, মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, মোাম্মদ ইউসুফ, মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, মোহাম্মদ খোকন, নূর মোহাম্মদ, ইকবাল হোসেন, আবুল কাশেম, সিরাজুল ইসলাম, মোহাম্মদ জসিম
উদ্দিন, লিটন শাহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests
- ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ
- Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান
- Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030
- বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর
- ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি