নিউইয়র্ক সহ বিভিন্ন স্টেটে ইবিটি/ফুড স্ট্যাম্প জালিয়াতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান : অভিযুক্ত গ্রীনকার্ডধারীদের বিরুদ্ধে ডিপোর্টেশন প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে!
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম : যুক্তরাষ্ট্রে দরিদ্র মানুষের জন্য প্রদত্ত ইবিটি বা ফুড স্ট্যা¤প অপব্যবহার ও জালিয়াতির বিরুদ্ধে নিউইয়র্ক সহ বিভিন্ন স্টেটে ফেডারেল ও সিটি প্রশাসন কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে। জালিয়াতির অভিযোগে অভিযুক্ত গ্রীনকার্ডধারীদের বিরুদ্ধে ডিপোর্টেশন প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে বলে কয়েকজন ইমিগ্রেশন এটর্নীর আশঙ্কা। গত কয়েক সপ্তাহে নিউইয়র্ক, নিউজার্সী ও মিশিগানের ইমিগ্র্যান্ট অধ্যুষিত এলাকার বিভিন্ন গ্রোসারীতে হানা দিয়ে জালিয়াতির ঘটনা হাতে নাতে ধরেছে কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি বাংলাদেশী-আমেরিকান মালিকানাধীন গ্রোসারীও রয়েছে। অভিযোগে জানা গেছে, ইবিটির মাধ্যমে ক্রয়যোগ্য নয় এমন অনেক আইটেম অভিযুক্ত গ্রোসারীগুলো থেকে উচ্চমূল্যে বিক্রয় করা হতো। তাছাড়া কিছু কিছু ক্ষেত্রে কম দামে নগদ প্রদানের বিষয়টিও আইনপ্রয়োগকারি কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে। বেশ কিছুদিন নজরে রাখার পর সম্প্রতি জ্যামাইকার একটি গ্রোসারী ষ্টোরকে ৫০ হাজারের বেশী ডলার জরিমানা করা হয়েছে।
এদিকে, মিশিগানের ডেট্রয়টে ফুড স্ট্যাম্প জালিয়াতির দায়ে চার বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিককে ভিন্ন রকম সাজা দিয়েছেন বিচারক। দন্ডপ্রাপ্ত চারজন সম্পর্কে পরস্পরের ভাই। তারা ডেট্টয়টের হ্যামট্্রাকে ‘দেশি বাজার’ নামে একটি দোকান চালান। তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগে বলা হয়, এ চার ব্যক্তি স্বল্প আয়ের মানুষদের জন্য দেয়া খাদ্য সহায়তার স্ট্যাম্প কিনে নিতেন। বিনিময়ে তারা নগদ টাকা, মোবাইল ফোন কার্ড ইত্যাদি দিতেন। যুক্তরাষ্ট্রের আইনে যা অবৈধ। ওই মামলার পাবলিক প্রিিকউটর বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে এসে এখানকার ট্যাক্স পেয়ারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা দেখানোর বদলে তারা জালিয়াতির মাধ্যমে রাষ্ট্রের ৫ লাখ টাকা চুরি করেছে।’ অভিযুক্ত চার ব্যক্তি স্বল্প আয়ের মানুষদের জন্য দেয়া খাদ্য সহায়তার স্ট্যাম্প কিনে নিতেন। যা যুক্তরাষ্ট্রের আইনে অবৈধ।
শাস্তি হিসেবে জেল-জরিমানার পাশাপাশি স্থানীয় পত্রিকায় বাংলা ও ইংরেজিতে বিজ্ঞাপন দিয়ে তাদেরকে বলতে হবে, ‘প্রিয় পাঠক, ফুড স্ট্যাম্প জালিয়াতি একটি ফেডারেল অপরাধ। এটি করলে আপনাকে শাস্তি পেতে হবে। আমরা ফুড স্ট্যাম্প জালিয়াতি করার অপরাধে শাস্তি পেয়েছি।’ বিজ্ঞাপনটি স্থানীয় পত্রিকায় ৩৬ বর্গইঞ্চি জুড়ে ছাপাতে হবে। যা পত্রিকায় রাখতে হবে ৩ সপ্তাহ পর্যন্ত। এ বিজ্ঞাপনের সম্পূর্ণ খরচ বহন করতে হবে চার ভাই আলি, নজর, মুস্তাক ও মোহাম্মদ আহমেদকে।
আদালত বলেন, ‘বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতরা ভাল নাগরিক। তবে ফুড স্ট্যাম্প জালিয়াতি সম্পর্কে তাদের জানা উচিত।’ দোকানের মূল মালিক মোহাম্মদ আহমেদকে ৯ মাসের কারাদন্ড ও ৭ লাখ ২৪ হাজার ডলার ফেডারেল সরকারের ফান্ডে জমা দিতে হবে। অভিযুক্ত বাংলাদেশিরা ডিবি লটারি পেয়ে যুক্তরাষ্ট্রে আসেন।
জানা গেছে, জালিয়াতির অভিযোগে কেবল গ্রোসারীগুলোর বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না, যারা ইবিটি ব্যবহারে জালিয়াতি কিংবা অবৈধ উপায়ে ব্যবহারের করছে, তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। জালিয়াতির অভিযোগে অভিযুক্ত গ্রীনকার্ডধারীদের বিরুদ্ধে ডিপোর্টেশন প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে বলে কয়েকজন ইমিগ্রেশন এটর্ণী জানিয়েছেন।
- নিউইয়র্কে নৃত্যশিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠক তাহসিন ফেরদৌসের অকালমৃত্যু, বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া
- নিউইয়র্কে আবেয়া’র দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ও ফ্যামিলি নাইট: প্রযুক্তি সেমিনার, জব ফেয়ার, বিজ্ঞান মেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব
- Global Anticipation Builds as Dr. Mostofa Sarwar’s Sunflower Wounds Debuts with Successful Houston Open House and Worldwide Pre-Order Milestone
- যুক্তরাষ্ট্রে ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসায় অনিশ্চয়তা, আদালতের নির্দেশের পরও কাটেনি জট
- Human Rights Must Be at the Heart of Economic Governance and Policies: Ambassador Irene Khan
- বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বাস্তবায়ন উপলক্ষে নিউইয়র্কে সমাবেশ, আগামী ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার সঙ্গে দেশে ফেরার প্রত্যয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের
- অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকারকে রাখতে হবে: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান
- নিউইয়র্কে হিউম্যান সাপোর্টের বিনামূল্যে ফ্লু টিকাদান কর্মসূচি