Sunday, 6 September 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ ইনকের শরৎ উৎসব ও ফ্যামিলি নাইট নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে ‘কল সেন্টার’ চালু নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের নয়া কমিটির বর্ণাঢ্য অভিষেক এবং ১৩তম চার্টার বার্ষিকী উদযাপন New York Attorney General James Warns New Yorkers About Student Loan Scams Justice, equality and human rights essential to building a lasting culture of peace: Irene Khan ন্যায়বিচার, সমতা ও মানবাধিকারই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ার ভিত্তি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে চায় : স্টেট ডিপার্টমেন্টের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সারাহ নিউইয়র্কে মুসলিম কমিউনিটি ও আহলে সুন্নাতুল জামাতের ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল New York Attorney General James Sues Amazon for Fraudulently Overcharging Advertisers More Than $20 Billion Irene Khan Takes Office as Bangladesh’s Permanent Representative to the United Nations
সব ক্যাটাগরি

নিউইয়র্ক সিটিতে পুলিশ কর্তৃক পথচারিকে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ, তল্লাশীর ঘটনা হ্রাস

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 66 বার

প্রকাশিত: October 12, 2016 | 11:54 PM

এনআরবি নিউজ, নিউইয়র্ক : নিউইয়র্ক সিটিতে পুলিশ কর্তৃক পথচারিকে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ এবং তল্লাশীর ঘটনা আগের একই সময়ের তুলনায় গত ৬ মাসে অনেক কমেছে। সে সংখ্যা ৭৬৩৬। নিউইয়র্ক সিভিল লিবাটিজ ইউনিয়ন জানিয়েছে এ তথ্য। উল্লেখ্য, ২০০৪ সালে শুরু হয়েছে এ কার্যক্রম। খুন, গুলি এবং অন্যান্য গুরুতর অপরাধের ঘটনা হ্রাস পাওয়ায় পথচারিকে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের ঘটনাও কমেছে। আগের পুলিশ কমিশনার রেমন্ড কেলির আমলে অর্থাৎ ২০১১ সালের ১২ মাসে ৬ লাখেরও বেশী পথচারিকে থামিয়ে তল্লাশী অথবা জিজ্ঞাসাবাদের ঘটনা ঘটায় পুলিশের এ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে তুমুল প্রতিবাদ উঠেছিল। সুশীল সমাজ এবং মানবাধিকার সংস্থাগুলো দাবি জানায় এমন বিধি সংস্কারের। এ নিয়ে রাজপথে মিছিল-মিটিংও হয়।

২০১১ সালের প্রথম ৬ মাসে ৩ লাখ ২০ হাজার পথচারিকে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ/তল্লাশীর ঘটনা ঘটেছিল। যদিও ৯৮% পথচারির কাছেই বেআইনী কোন অস্ত্র অথবা অপরাধে সম্পৃক্ততার কোন তথ্য উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। ধুমাত্র বর্ণ এবং জাতিগত কারণে এই প্রক্রিয়ার ভিকটিমদের অন্যতম বাংলাদেশী বংশোদ্ভ’ত মানবাধিকার কর্মী এবং এটর্নী সমÍলী হক পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণের মামলা করেছিলেন। এক পর্যায়ে এটর্নী সমÍলীর সাথে সমঝোতায় বাধ্য হয় নিউইয়র্কের পুলিশ তথা সিটি প্রশাসন।

সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নের নির্বাহী পরিচালক ডোনা লিবারম্যান বলেছেন, ‘মনে চাইলেই পথচারিকে থামিয়ে অযথা হয়রানির ঘটনা যত দ্রুত বন্ধ করা হবে, ততোই জনজীবনে স্বস্তি আসবে। নিউইয়র্ক সিটি পুুলিশের এ অভিযানের শিক্ষা নিয়ে আমেরিকার অন্য এলাকাতেও এমন কার্যক্রম স্থগিত করা হবে বলে আশা করছি।’ প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, নিরাপত্তার নামে নিউইয়র্ক পুলিশের এ কার্যক্রমের টার্গেট হয়েছে কৃষ্ণাঙ্গ এবং হিসপ্যানিকরা। এমন সুনির্দিষ্ট অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে একটি মামলাও হয়। সিটি প্রশাসন দেন-দরবার করে সে মামলার নিষ্পত্তি করার পরই পুলিশ সতর্কতার সাথে অব্যাহত রেখেছে ‘স্টপ এ্যান্ড ফ্রিস্ক’ নামক বহুল বিতর্কিত এই কার্যক্রম। তবে পুলিশের এ অভিযানের ওপর কঠোর নজরদারির জন্যে পৃথক একটি সংস্থা দায়িত্ব পালন করছে। এ কারণে মনে চাইলেই আর কাউকে থামিয়ে তল্লাশী অথবা জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে না।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০০৪ সাল থেকে ২০১২ সালের মধ্যে যাদেরকে থামিয়ে তল্লাশী অথবা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে, তার মধ্যে মাত্র ১০ কে গ্রেফতারের ঘটনা ঘটে। এ বছরের প্রথম ৩ মাসে সে হার বেড়ে ২০.৫% হয়েছিল। তবে অক্টোবরের ২ তারিখ পর্যন্ত নিউইয়র্ক সিটির অপরাধ ৩.০৬% কমেছে। অর্থাৎ গুরুতর অপরাধ সংঘটিত হয়েছে ৭৬০৪১টি। গত বছর একই সময়ে এ সংখ্যা ছিল ৭৮৪৪৪টি।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ