নিউ ইয়র্ক টাইমসের সম্পাদকীয় -ক্ষতিপূরণ নিয়ে সরকারের কথার বরখেলাপ
ডেস্ক: চার মাস আগে বাংলাদেশে রানা প্লাজা ধসে কমপক্ষে ১১২৯ জন শ্রমিক নিহত হয়ছেন। কিন্তু পর্যাপ্ত ক্ষতিপূলণের জন্য এখন তাদের পরিবারগুলো অপেক্ষায়। কোন কোন ক্ষেত্রে এখনও ক্ষতিপূরণ পাননি। এটা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকারের কথার বরখেলাপ। যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী পত্রিকা নিউ ইয়র্ক টাইমসের সম্পাদকীয়তে এসব কথা বলা হয়েছে। এর শিরোনাম ‘বাংলাদেশজ ওয়ার্কার্স ডিজার্ভ বেটার’। এতে আরও বলা হয়, ঢাকার বাইরে দুর্বল কাঠামোর ওপর নির্মিত আটতলা ভবন রানা প্লাজা ধসের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিশ্র“তি দিয়েছিলেন নিহত প্রতিজনের জন্য তার আত্মীয়-স্বজনদের নগদ ১২৫০ ডলার করে দেয়া হবে। এছাড়া দেয়া হবে ১৯০০০ ডলারের সেভিংস সার্টিফিকেট। ঘটনার শিকার প্রতিজনকে কারখানা মালিকদের আইনগতভাবে ১২৫০ ডলার করে দেয়ার কথা। যারা ঘটনার শিকার তাদের কাছে এই অর্থ যথার্থ নয়। কারণ আহতদের বেশির ভাগই যুবতী ও যুবক। তাদের সামনে পড়ে আছে সারাটি জীবন। এ অর্থ আসার কথা ছিল সরকার ও বিভিন্ন বেসরকারি দাতাদের কাছ থেকে। এর মধ্যে রয়েছে কারখানা মালিকরা। কিন্তু এখনও সরকার অনেকের কাছে সেই অর্থ বিতরণ করেনি। সরকার প্রায় ৭৭৭টি পরিবারকে ১২৫০ থেকে ৫০০০ ডলার পর্যন্ত অর্থ সরবরাহ দিয়েছে। যে ক্ষতিপূরণ দেয়ার প্রতিশ্র“তি দেয়া হয়েছিল এ অর্থ তার চেয়ে অনেক কম। এমন কথা জানিয়েছে ওয়াশিংটনভিত্তিক গ্র“প সলিডারিটি সেন্টার। এ সংগঠন সারাবিশ্বের শ্রমিক ইউনিয়নের জন্য কাজ করে। বাকি অনেক পরিবার এখনও কোন সহায়তা বা ত্রাণই পায় নি। কারণ, সরকার প্রায় ৩০০ মৃতদেহ সনাক্তকরণে চটজলদি পদক্ষেপ নেয়নি। রানা প্লাজা ধস যেমন একটি বড় ট্রাজেডি তেমনি ক্ষতিপূরণ পাওয়াও ঘটনার শিকার পরিবারগুলোর কাছে একটি বড় ট্রাজেডি। কিন্তু এক্ষেত্রে শেখ হাসিনার প্রশাসন আরও ভাল কাজ করতে পারে। শ্রম ও আইনী সহায়তাকারী গ্র“পগুলোর মতে, কাকে কাকে টাকা দেয়া হয়েছে সরকার তা বলেনি। কেন এক পরিবার আরেক পরিবারের চেয়ে বেশি টাকা পেয়েছে তা বলা হয় নি। বলা হয়নি কেন ১৯০০০ ডলারের সার্টিফিকেট সহ আরও অর্থ বিতরণ করা হয় নি। বর্তমানে শেখ হাসিনার অফিস যে অর্থ বিতরণ করতে তা পরিশোধের পুরো কর্মসূচিটি দেখাশোনা করা উচিত একটি নিরপেক্ষ প্রশাসকের। দ্রুত করা উচিত মৃতদেহের সনাক্তকরণ কাজ। পশ্চিমা বিশ্বের যে দু’ডজনখানেক অথবা তার সমান সংখ্যক পোশাক প্রস্তুতকারক কোম্পানি ও ক্রেতা যাদের পোশাক রানা প্লাজায় তৈরি হতো তাদেরও এতে অর্থ সহায়তা দেয়া উচিত, ভূমিকা রাখা উচিত। এখনও পর্যন্ত বৃটিশ ক্রেতা সংস্থা প্রাইমার্ক ছাড়া অন্য কেউ কোন রকম ক্ষতিপূরণ দেয়নি। আগামী মাসে জেনেভাভিত্তিক শ্রমিক ইউনিয়ন ইন্ডাস্ট্রিঅল ও অ্যামস্টার্ডামভিত্তিক ক্লিন ক্লোথস ক্যাম্পেইন একটি বৈঠক আহ্বান করেছে। সেখানে এ নিয়ে আলোচনার একটি সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। অন্য কারখানায় অগ্নিকাণ্ড ও ধসের পর আমেরিকার ও ইউরোপের কিছু কোম্পানি শ্রমিকদের ও তাদের পরিবারকে সহায়তা দিয়েছে। কিন্তু রানা প্লাজা ধসের পর তাদের এবারও তাই করা উচিত। রানা প্লাজা ধসের ঘটনা এখনও বিশ্বে তৈরি পোশাক তৈরির বাংলাদেশী কারখানার ভয়াবহ কর্ম পরিবেশ তুলে ধরে। এমন পরিবেশের কারণে যারা নিহত হয়েছেন বা আহত হয়েছেন তাদের বিষয়ে এখনই জরুরি ভিত্তিতে পদক্ষেপ নিতে হবে।মানবজমিন
- নারীর ক্ষমতায়ন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ : ড. খলিলুর রহমান
- নিইউয়র্কে টাইমস স্কয়ারের মঙ্গল শোভাযাত্রায় যোগ দিচ্ছেন ম্যানহাটান বরো প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড হোয়েলম্যান
- নিউইয়র্কে স্ট্রিট ভেন্ডরদের জন্য নতুন আইন কার্যকর; জেল শাস্তি বাতিল, আরোপ করা হবে জরিমানা
- New York Attorney General James Leads Bipartisan Coalition Suing Predatory Lender OneMain for Scheme to Trap Consumers in Debt
- নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট হাউসে ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন ২৩ মার্চ : আহ্বায়ক কমিটি গঠন
- বাংলাদেশে আওয়ামীলীগসহ সকল রাজনৈতিক দলের স্বাভাবিক রাজনীতির পরিবেশ সৃষ্টি করার দাবি নিউজার্সি স্টেট আওয়ামী লীগের
- নিউইয়র্কে ‘অল কাউন্টি হেলথকেয়ার গ্রুপ’র বার্ষিক ইন্টারফেইথ ইফতার পার্টি
- HUSBAND CHARGED WITH MURDER AND DISMEMBERMENT OF WIFE WHOSE REMAINS WERE FOUND IN SEPARATE LOCATIONS ALONG BROOKVILLE BLVD AND CROSS BAY BLVD








