Thursday, 19 March 2026 |
শিরোনাম
নারীর ক্ষমতায়ন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ : ড. খলিলুর রহমান নিইউয়র্কে টাইমস স্কয়ারের মঙ্গল শোভাযাত্রায় যোগ দিচ্ছেন ম্যানহাটান বরো প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড হোয়েলম্যান নিউইয়র্কে স্ট্রিট ভেন্ডরদের জন্য নতুন আইন কার্যকর; জেল শাস্তি বাতিল, আরোপ করা হবে জরিমানা New York Attorney General James Leads Bipartisan Coalition Suing Predatory Lender OneMain for Scheme to Trap Consumers in Debt নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট হাউসে ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন ২৩ মার্চ : আহ্বায়ক কমিটি গঠন বাংলাদেশে আওয়ামীলীগসহ সকল রাজনৈতিক দলের স্বাভাবিক রাজনীতির পরিবেশ সৃষ্টি করার দাবি নিউজার্সি স্টেট আওয়ামী লীগের নিউইয়র্কে ‘অল কাউন্টি হেলথকেয়ার গ্রুপ’র বার্ষিক ইন্টারফেইথ ইফতার পার্টি HUSBAND CHARGED WITH MURDER AND DISMEMBERMENT OF WIFE WHOSE REMAINS WERE FOUND IN SEPARATE LOCATIONS ALONG BROOKVILLE BLVD AND CROSS BAY BLVD নিউইয়র্কে জ্যাকসন হাইটসের গ্রাফিক্স ওয়ার্ল্ডে মাসব্যাপী ইফতার আয়োজন নিউইর্য়কে এনওয়াইপিডি মুসলিম অফিসার সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ডিনার ও অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠিত
সব ক্যাটাগরি

নিউ ইয়র্ক টাইমসের সম্পাদকীয় সমস্যার মূলে সাব-কন্ট্রাক্ট

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 107 বার

প্রকাশিত: September 15, 2013 | 5:40 PM

ডেস্ক: বাংলাদেশের গার্মেন্ট শিল্প নিয়ে পোশাক শিল্পের নির্বাহী, শ্রমিক অধিকার কর্মী, আমেরিকান ও ইউরোপীয় সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করতে গত সপ্তাহে নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটিতে যোগ দিয়েছিলেন ঢাকার তৈরী পোশাক কারখানার মালিকরা। নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক সম্পাদকীয়তে এ কথা বলা হয়। এটি লিখেছেন, বিকাশ বাজাজ। এতে তিনি আরও লিখেছেন, এ শিল্পের বিপর্যয়ে এদিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ হয়েছে বিশ্বের। বাংলাদেশ থেকে যে পশ্চিমা ক্রেতারা পোশাক কেনে গত বছরই তারা বাংলাদেশের এ খাতে সংস্কারের চেষ্টা করে। এ শিল্পে লাভের পরিমাণ কম। অব্যাহত অসন্তোষ আছে। ফলে এ শিল্পের নিরাপত্তার মান উন্নয়নে রয়েছে বড় বড় সব প্রতিবন্ধকতা। বিকাশ বাজাজ লিখেছেন, আমি এক ব্যবসায়ী এবং একজন কারখানা মালিকের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে কথা বলতে রাজি হন। কারণ, তারা জানেন তাদের নাম প্রকাশ হলে ক্রেতারা অসন্তুষ্ট হতে পারে। কারখানা মালিক আমাকে বললেন, ওয়াল-মার্টের মতো বড় বড় কোম্পানি একসঙ্গে কয়েক লাখ টি-শার্ট ও শর্টসের অর্ডার দেয়। এ মালিকের কারখানা এক সঙ্গে এতবড় অর্ডার সরবরাহ করতে সক্ষম নয়। তাই তিনি কিছু অর্ডার দিয়ে দেন ছোট ছোট উৎপাদনকারীর কাছে। তিনি বলেছেন, অফিসিয়ালি আমি এটা করতে পারি না। কিন্তু আন-অফিসিয়ালি আমি এটা করতে পারি। অনুমোদনহীন ছোট ছোট কারখানার কাছে সাব-কণ্ট্রাকটিং, পরিদর্শনহীন কারখানা এক্ষেত্রে বড় কথা নয়। এ বিষয়টি ব্যাপকভাবে প্রচলিত। এটাই হলো নিরাপত্তা নির্দেশলাইন লঙ্ঘনের প্রাথমিক কারণ। এর ফলে রানা প্লাজার মতো কারখানা ধসে অথবা অগ্নিকাণ্ডে শত শত শ্রমিকের মৃত্যুকে রোধ করা যাচ্ছে না। কারখানার মালিকরা স্বীকার করলেন তারা যা করছেন তা অন্যায়। তারা বললেন, এক্ষেত্রে পশ্চিমা পোশাক তৈরীকারক কোম্পানিগুলোও দায়ী। কারণ, তারা মাঝে মধ্যে এমন সব কোম্পানিকে তারা কাজ দেয়। তারা জানে এসব কোম্পানির পর্যাপ্ত মেশিন নেই। কাজ শেষ করে দেয়ার মতো শ্রমিক তাদের নেই। খুচরা ক্রেতারা সাব-কন্ট্রাক্টের বিষয়টি এড়িয়ে যায়। কারণ, তারা বড় খুব কম কণ্ট্রাক্ট পায়। সরবরাহকারীরা বড় কোন অর্ডার তা ফিরিয়ে দেয় না। তারা মনে করে, এ অর্ডার ফিরিয়ে দিলে তারা ভবিষ্যতে কাজ পাবে না। বাংলাদেশে কোন কারখানা না বলার আগে তিনবার ভাবে। ওদিকে সাব-কন্ট্রাক্টররা অর্ডার পাওয়ার জন্য বেপরোয়া হয়ে থাকে। কারখানার আধুনিকায়নে তাদের সামর্থ্য নেই। তবে বাংলাদেশের গার্মেন্ট শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ওই দু’ব্যক্তি বলেছেন, তারা এ ব্যবস্থার উন্নয়নের চেষ্টা করছেন। তাই পশ্চিমা কোম্পানিগুলোকে এমন সব বড় সরবরাহকারীর সঙ্গে কাজের চুক্তি করা উচিত হবে না, যারা সাব-কণ্ট্রাক্ট ছাড়া কাজ করাতে পারবে না।মানবজমিন 

ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV