নিউ ইয়র্ক ফ্লাইট নিয়ে আশ্বাস, মেলেনি অনুমতি
কাজী সোহাগ: ঢাকা-ম্যানচেস্টার-নিউ ইয়র্ক ফ্লাইট নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসন বাংলাদেশের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দলকে কেবল আশ্বাস দিয়েছে। ওই ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি দেয়নি। তাই আগামী মাসে ওই ফ্লাইট চালু করা নিয়ে দেখা দিয়েছে সংশয়। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে শর্ত সাপেক্ষে ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি পাওয়ারও চেষ্টা করা হয়। তবে শর্ত পূরণ করলে কেবল অনুমতি মিলবে বলে স্পষ্ট জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তাদের এ অনড় মনোভাবের কারণে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আরও ছয় মাস সময় চাওয়া হয়েছে। কারিগরি দিক দিয়ে সিভিল এভিয়েশন ক্যাটিগরি-২ হিসেবে চিহ্নিত হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র এরই মধ্যে ওই ফ্লাইট পরিচালনা নিয়ে আপত্তি জানায়। পরে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী জি এম কাদেরের নেতৃত্বে উচ্চ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল গত ১২ই সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যায়। সোমবার প্রতিনিধি দল যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন ফেডারেল এভিয়েশন অথরিটি (এফএএ) কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে। সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের ওই মনোভাবের কথা জানানো হয়। তথ্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে ওয়াশিংটন থেকে পাঠানো এক তথ্য বিবরণীতেও বিষয়টি উঠে এসেছে। এদিকে প্রতিনিধি দল নিউ ইয়র্ক ফ্লাইট চালু নিয়ে মার্কিন এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সঙ্গেও বৈঠক করে। ব্যাংকটির চেয়ারম্যান ও প্রেসিডেন্ট প্রেড পি হোচবার্গ এ বিষয়ে মার্কিন যোগাযোগ দপ্তরের সঙ্গে একযোগে কাজ করার আশ্বাস দেন। ওই বৈঠকে অংশ নেন প্রতিনিধি দলের সদস্য বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, কমিটির সদস্য মইন উদ্দিন খান বাদল, মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সিভিল এভিয়েশনের চেয়ারম্যান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার আকরামুল কাদের ও বাংলাদেশ দূতাবাসের ইকোনমিক মিনিস্টার। এর আগে আগামী মাসের ২৫ তারিখে ওই ফ্লাইট চালুর সম্ভাব্য দিন নির্ধারণ করা হয়। বাংলাদেশের এ উদ্যোগে বেঁকে বসে যুক্তরাষ্ট্র। মানদণ্ডের দিক দিয়ে সিভিল এভিয়েশন যোগ্য না হওয়ায় তারা ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া বিমানকে যুক্তরাষ্ট্রের আকাশে নামতে দেবে না বলে স্পষ্ট জানায়। যুক্তরাষ্ট্রের এ আপত্তির কারণে সিভিল এভিয়েশনের পক্ষ থেকে একটি কারিগরি টিম পাঠানো হয়। তবে তাদের বক্তব্যে সন্তুষ্ট হতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্রের সিভিল এভিয়েশনের কর্মকর্তারা। এতে বিপাকে পড়ে বেসরকারি বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়। কারিগরি দিক দিয়ে ব্যর্থ হওয়ায় এবার রাজনৈতিক দৌড়ঝাঁপ শুরু করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্মতি নিয়েই এ উদ্যোগ নিয়েছে মন্ত্রণালয়। এ প্রসঙ্গে প্রতিনিধি দলের সদস্য মইন উদ্দিন খান বাদল বলেন, ক্যাটিগরি-১ উন্নীত হওয়ার আগেই যেন এ ফ্লাইট চালু করা যায় সে লক্ষ্যে আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাবো। ইতিমধ্যে সেখানে একটি কারিগরি দল সফরে আছে। আমাদের উদ্দেশ্য হবে কারিগরি নয়, রাজনৈতিকভাবে সিদ্ধান্ত আদায় করা। সংসদীয় কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন বলেন, বিমানের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পাশাপাশি আমরা যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবো। এক কথায় তাদের সবার সহযোগিতা চাওয়া হবে। এদিকে আগামী মাসেই বিমান বহরে যোগ হতে যাচ্ছে অত্যন্ত ব্যয়বহুল নতুন প্রজন্মের দু’টি উড়োজাহাজ ৭৭৭-৩০০ ই আর। ওই দু’টি বিমান কিনতে বাংলাদেশের ব্যয় হবে ৩০৯ মিলিয়ন ডলার। এরই মধ্যে বিভিন্ন উৎস থেকে ঋণ নিয়ে সরকার ১১৩ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করেছে। এ অবস্থায় উড়োজাহাজ দু’টিকে বসিয়ে রাখলে বিপুল পরিমাণ অর্থের অপচয় হবে। মানবজমিন
- নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং
- New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals
- নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests
- ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ
- Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান
- Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030