পবিত্র কোরআনে হাত রেখে নিউইয়র্ক সিটির প্রথম মুসলিম মেয়র হিসেবে শপথ নিলেন মামদানি
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক : পবিত্র কোরআনে হাত রেখে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শহর নিউইয়র্ক সিটির প্রথম মুসলিম মেয়র হিসেবে শপথ নিলেন জোহরান মামদানি। নতুন বছরের প্রথম প্রহরে ম্যানহাটনের ঐতিহাসিক কিন্তু পরিত্যক্ত সিটি হল সাবওয়ে স্টেশনে অনাড়ম্বর আয়োজনে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেল লেটিটিয়া জেমস তাকে শপথবাক্য পাঠ করান। পাশে ছিলেন মামদানির স্ত্রী রামা দুয়াজি। শপথ শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে মামদানি বলেন, ‘এই শহরের প্রতিটি টানেল ও এর ওপরে থাকা সব নিউইয়র্কবাসীকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা। এই দায়িত্ব পাওয়া আমার জীবনের অন্যতম বড় সম্মান।’
মধ্যরাতের শপথের পর দুপুরে সিটি হল প্লাজায় আনুষ্ঠানিক অভিষেক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে প্রগতিশীল রাজনীতিক বার্নি স্যান্ডার্স ও আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-কর্টেজের উপস্থিতি মামদানির রাজনৈতিক অবস্থানকে আরও স্পষ্ট করে।
নতুন বছরের শুরুতে নিউইয়র্ক পেয়েছে এক ভিন্নধারার নেতৃত্ব। ৩৪ বছর বয়সী মামদানি নিউইয়র্কের ইতিহাসে শুধু প্রথম মুসলিম মেয়রই নন, তিনি একই সঙ্গে দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভূত ও আফ্রিকায় জন্ম নেওয়া প্রথম মেয়র। উগান্ডার কাম্পালায় জন্ম নেওয়া মামদানি সাত বছর বয়সে পরিবারসহ নিউইয়র্কে আসেন। তিনি খ্যাতনামা চলচ্চিত্র নির্মাতা মীরা নায়ার ও শিক্ষাবিদ মাহমুদ মামদানির সন্তান।
ডেমোক্রেটিক সমাজতন্ত্রী হিসেবে পরিচিত মামদানি এবারের নির্বাচনে রেকর্ডসংখ্যক ভোটারের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেন। প্রায় ২০ লাখ ভোটারের মধ্যে তিনি অর্ধেকের বেশি ভোট পেয়ে জয়ী হন। বাড়িভাড়া স্থিতিশীল রাখা, বিনা মূল্যে বাস সার্ভিস, শিশুদের জন্য ফ্রি ডে-কেয়ার এবং জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো—এই প্রতিশ্রুতিগুলো বিশেষ করে তরুণ ও নিম্ন-আয়ের ভোটারদের আকৃষ্ট করেছে।
ডেমোক্রেটিক সমাজতন্ত্রের ধারণা নিয়ে রিপাবলিকান শিবিরের আপত্তি রয়েছে। পাশাপাশি সাবওয়ে ব্যবস্থার সংকট, আবর্জনা ব্যবস্থাপনা, আবাসন সমস্যা এবং ফেডারেল সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক—সব মিলিয়ে বড় চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে নতুন মেয়রের সামনে। বিশেষ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে মামদানির সম্পর্ক নজরদারিতে থাকবে। নির্বাচনী প্রচারে ট্রাম্প প্রকাশ্যেই মামদানির সমালোচনা করেছেন এবং নিউইয়র্কের ফেডারেল তহবিল কমানোর হুমকিও দিয়েছেন। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মামদানির স্বচ্ছ ভাবমূর্তি ও জনভিত্তিক সমর্থন তার সবচেয়ে বড় শক্তি।
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests
- ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ
- Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান
- Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030
- বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর
- ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি
- Dr. Titumir calls for UN-led debt relief mechanism to safeguard investment in children and women