Saturday, 5 September 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে ‘কল সেন্টার’ চালু নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের নয়া কমিটির বর্ণাঢ্য অভিষেক এবং ১৩তম চার্টার বার্ষিকী উদযাপন New York Attorney General James Warns New Yorkers About Student Loan Scams Justice, equality and human rights essential to building a lasting culture of peace: Irene Khan ন্যায়বিচার, সমতা ও মানবাধিকারই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ার ভিত্তি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে চায় : স্টেট ডিপার্টমেন্টের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সারাহ নিউইয়র্কে মুসলিম কমিউনিটি ও আহলে সুন্নাতুল জামাতের ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল New York Attorney General James Sues Amazon for Fraudulently Overcharging Advertisers More Than $20 Billion Irene Khan Takes Office as Bangladesh’s Permanent Representative to the United Nations নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আইরিন খান
সব ক্যাটাগরি

পিতা-মাতার কবরের কাছে বসবাস

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 19 বার

প্রকাশিত: July 27, 2013 | 3:51 PM

 

দুইমাস ধরে বাবা-মায়ের কবরের কাছে নীল প্লাস্টিকের তাঁবুতে বসবাস করতে বাধ্য হচ্ছে ওরা । তারা সবাই ভাইবোন। সকলের মধ্যে ছোটটির বয়স মাত্র ৭। গ্রামবাসীর দেয়া খাবারেই বেঁচে আছে তারা। ভারতের উত্তর প্রদেশের প্রতাপড়ে এ ঘটনা ঘটেছে। খবর এনডিটিভির। 

সূত্র জানায়, এলাকাটি প্রাদেশিক রাজধানী লক্ষেৗ থেকে ১৬০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। দুই বছরের মধ্যে এদের মা-বাবা দুজনেই এইডসে মারা যায়। তারপর থেকে কোনো আত্মীয়-স্বজন তাদের সাহায্য করেনি। তাদের এক চাচা বলেছেন, যেখানে বড় হয়ে উঠেছে সেই ছোট ঘরটিতে ওরা যদি থাকে তবে যে ভাইরাসের কারণে ওদের মা-বাবা মারা গেছেন, তাতে ওরাও আক্রান্ত হবে। এদের মধ্যে বড়জনের বয়স ২১ , সে-ই তার ছোট চার ভাইবোনকে নিয়ে কবরস্থানে চলে যায়। প্রতিবেশীরা স্বীকার করেছে, ছেলে-মেয়েগুলোকে তারা কোনো সাহায্য করার প্রস্তাব দেয়নি এবং সমাজচ্যুত করেছে। প্রতিবেশী হযরত আলী জানিয়েছেন, তারা ভেবেছেন তারাও আক্রান্ত হতে পারেন, তাই ওদের গ্রামের বাইরে দূরে কোথাও গিয়ে থাকতে বলেছেন।
সংবাদ মাধ্যমে এ ঘটনা প্রকাশের কয়েক ঘন্টার মধ্যেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদব নিগৃহীত ওই শিশুদের প্রত্যেকের জন্য এক লাখ রুপি অনুদানসহ একটি বাড়ি বরাদ্দের ঘোষণা দেন। এরপরও কোনো আত্মীয় তাদের সাহায্যে এগিয়ে আসেনি। স্থানীয় এক সরকারি কর্মকর্তা বলেন, আমরা তাদের একটি বাড়ির ব্যবস্থা করছি। তাদের মধ্যে দুজনকে স্কুলে পাঠানো হবে। গ্রামীণ চাকরি প্রকল্পের আওতায় সবার বড়জনের চাকরির ব্যবস্থা করছি। কিন্তু সামাজিকভাবে একঘরে করে রাখার বিষয়ে আমরা কি করতে পারি।ইত্তেফাক

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
সর্বশেষ সংবাদ