পেনসিলভেনিয়ায় সিনাগগে বন্দুকধারীর গুলিতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১১
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক : পেনসিলভেনিয়া অঙ্গরাজ্যে ইহুদি ধর্মাবলম্বীদের উপসনালয় সিনাগগে এক অস্ত্রধারীর হামলায় অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছে। এতে আহত হয়েছে আরো ছয় জন। শনিবার সেখানকার পিটাসবার্গ শহরে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ সন্দেহভাজন হামলাকারীকে আটক করেছে। এ খবর দিয়েছে আল জাজিরা।
হামলার বিষয়ে শহরের জননিরাপত্তা পরিচালক ওয়েন্ডেল হিসরিক বলেন, শনিবারের হামলায় সন্দেহভাজন এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। সে একাধিক গুলিবিদ্ধ হয়েছে। পুলিশি হেফাজতে একটি হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছে।
গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই’র স্পেশাল এজেন্ট বব জোনস বলেন, হামলাকারী একটি রাইফেল ও তিনটি হ্যান্ডগান নিয়ে সিনাগগের মধ্যে হামলা শুরু করে। এসময় উপাসনালয়ের মধ্যে বিপুল সংখ্যক মানুষ ছিল। স্থানীয় টিভি চ্যানেলের খবরে বলা হচ্ছে, হামলাকারী একজন শ্বেতাঙ্গ পুরুষ। একজন নিরাপত্তাকর্মী বার্তা সংস্থা এপিকে জানিয়েছেন, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির নাম রবার্ট বাওয়ার্স। তার বয়স ৪০ বছর।
হামলার পূর্বে ওই ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছেন, ‘ইহুদি শরণার্থী সংগঠন হিব্রু ইমিগ্রেন্ট এইড সোসাইটি হামলাকারী নিয়ে আসছে। যাতে আমাদের লোকজনদের হত্যা করা হবে। এ অবস্থায় আমি বসে বসে লোকজনদের হত্যাকান্ডের শিকার হতে দেখতে পারি না। আমি সেখানে যাচ্ছি।’ পেনসিলভেনিয়া ভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গ্যাবে এই কথা লেখেন তিনি। এছাড়া, সম্প্রতি তিনি ৩টি সেমি-অটোমেটিক হ্যান্ডগানের ছবিও পোস্ট করেন তিনি। ক্যাপশন দেন- ‘আমার বন্দুক পরিবার।’ একই সঙ্গে কিছু বুলেটের ছবিও প্রকাশ করেন। ওই অ্যাকাউন্টটি বাওয়ার্সের ব্যক্তিগত বলে নিশ্চিত করেছে গ্যাব কর্তৃপক্ষ।
ওয়াশিংটন থেকে আল জাজিরার প্রতিবেদক জানান, স্থানীয় সময় সকাল ১০ টার দিকে হামলা শুরু হয়। এসময় সাপ্তাহিক ধর্মীয় অনুষ্ঠান সাব্বাথ পালনের জন্য জড়ো হচ্ছিলেন ইহুদিরা। হামলার সময় সেখানে ৬০ থেকে ১০০ জনের মতো মানুষ ছিল। অতর্কিতই গুলি চালাতে শুরু করে হামলাকারী। এতে ঘটনাস্থলেই প্রায় ১০ জন নিহত হন। কিছুক্ষণ পরেই সেখানে নিরাপত্তাবাহিনী পৌছে। পরে পাল্টা গুলি চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন তারা। এসময় হামলাকারী বাওয়ার্সও গুলিবিদ্ধ হন।
শনিবারের হামলায় নিহতদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। এক টুইটার বার্তায় তিনি জানান, পিটাসবার্গের ঘটনা তিনি দেখেছেন। হামলাকারীকে পাগল উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, বারবার এমন ঘটনা দেখা লজ্জাজনক। কিছু একটা করা দরকার। পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, এটা খুবই ভয়াবহ। দেশে, পুরো বিশ্বেই বিদ্বেষপূর্ণ যেসব ঘটনা ঘটছে এগুলো আতঙ্কজনক। কিছু একটা করা দরকার। কেউ এমন কান্ড ঘটালে তার মৃত্যুদন্ড দেয়া উচিত। পেনসিলভেনিয়ার গভর্নর টম ওলফ এ ঘটনাকে ‘চরম ট্র্যাজেডি’ আখ্যা দেন।
- New York Attorney General James Secures More Than $480,000 and Debt Relief for New York Homeowners
- এই জীবন চিরস্থায়ী নয়, একদিন মরে যাবো
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে; ১৭ ডিসেম্বর উভয় পক্ষকে তথ্য-উপাত্ত জমার নির্দেশ
- নিউইয়র্কে নৃত্যশিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠক তাহসিন ফেরদৌসের অকালমৃত্যু, বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া
- নিউইয়র্কে আবেয়া’র দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ও ফ্যামিলি নাইট: প্রযুক্তি সেমিনার, জব ফেয়ার, বিজ্ঞান মেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব
- Global Anticipation Builds as Dr. Mostofa Sarwar’s Sunflower Wounds Debuts with Successful Houston Open House and Worldwide Pre-Order Milestone
- যুক্তরাষ্ট্রে ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসায় অনিশ্চয়তা, আদালতের নির্দেশের পরও কাটেনি জট
- Human Rights Must Be at the Heart of Economic Governance and Policies: Ambassador Irene Khan