প্রণোদনায় নারী?
প্রণোদনায় নারীকী কারণে এক ধরনের মানুষ খুব কৃপণ হয় আর অন্যরা অনেক উদার? মার্কিন ধনকুবের বিল গেটস দুই হাজার ৮০০ কোটি মার্কিন ডলার দান করেছেন, কিন্তু তাঁর মতো হয়ে অনেকেই কেন ব্যক্তিগত সম্পত্তির ওপর নিজেদের দখল আরও পাকাপোক্ত করতে মনোযোগী হন? নতুন গবেষণায় এসব জিজ্ঞাসার বিস্ময়কর জবাব পাওয়া গেছে। পরিবারে নারীর উপস্থিতি, সে কন্যাশিশু হলেও, একজন পুরুষকে উদার সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রভাবিত করে।একজন বিত্তশালী ব্যক্তির উদারতা এবং প্রেরণার উৎস সন্ধান করেন ডেনমার্কের একদল গবেষক। বড় অঙ্কের দাতব্য ব্যয়ের হিসাব দেখার পরিবর্তে পুরুষ নির্বাহীদের কয়েকজন কী কারণে তাঁদের নিচের স্তরের কর্মীদের উদারভাবে অতিরিক্ত অর্থ দিতে রাজি হন, তা ওই গবেষণায় খতিয়ে দেখা হয়। এতে ডেনমার্কের ১০ হাজার প্রতিষ্ঠানে গত এক দশকে কর্মীদের পাওনা পরিশোধের দলিলপত্র অন্তর্ভুক্ত করা হয়। মজার ব্যাপার হলো, প্রধান নির্বাহীরা বাবা হওয়ার পর পরই নিজ প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের পেছনে খরচ কমিয়ে আনার চেষ্টা করেন। প্রত্যেক নির্বাহী বাবা হওয়ার পর কর্মীদের বেতনের জন্য নির্ধারিত বার্ষিক বরাদ্দ জনপ্রতি গড়ে ১০০ ডলার কমিয়ে দেন। তবে পুরো ব্যাপার একপর্যায়ে বিপরীত রূপ নেয়। অধ্যাপক মাইকেল ডাল ও তাঁর সহকর্মীরা নিবিড় পর্যবেক্ষণে দেখতে পান, প্রধান নির্বাহীদের উদারতার তারতম্য হয় তাঁদের নিজ সন্তানের লিঙ্গের ভিত্তিতে। সন্তান ছেলে হলে তাঁরা ব্যয় সংকোচনের চেষ্টা করলেও মেয়ে জন্ম নিলে অন্য রকম আচরণ করেন। মেয়ে একজন বাবার মনকে কার্যত নমনীয় করে এবং তাঁকে সবার প্রতি যত্নশীল হতে সাহায্য করে। তিনি যখন নিজের মেয়ের চুল আঁচড়ে দেওয়া বা তাকে ক্লাসে পৌঁছে দেওয়ার মতো কাজগুলো করেন, তখন তার মনে অন্যদের প্রতি সহানুভূতি জেগে ওঠে। তিনি সবার উপকারে মনোযোগী হন। এ ব্যাপারে সহমত হন যুক্তরাজ্যের ওয়ারউইক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক অ্যান্ড্রু অসওয়াল্ড ও তাঁর সহযোগীরা।
অপর এক গবেষণায় দেখা যায়, একজন ব্যক্তির বোনের সংখ্যা যত বেশি, তিনি নিজ সন্তানদের লালনপালনে ততটাই বেশি সময় দিয়ে থাকেন। আবার সমাজবিজ্ঞানীরা মনে করেন, বোনের সহানুভূতিশীলতা ও সেবামূলক আচরণ ভাইদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়ে। ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের ক্ষেত্রেও নারীরা তুলনামূলক বেশি যত্নশীল ভূমিকা পালন করে থাকেন। এ কথা তো বহুল প্রচলিত যে প্রত্যেক সফল পুরুষের জীবনে প্রেরণা হিসেবে একজন নারীর অবস্থান থাকে। বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফটের প্রধান বিল গেটসের জীবনেও নারীর ভূমিকা অনেক। ২০ বছর আগে তিনি যখন বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি হওয়ার পথে এগিয়ে যাচ্ছিলেন, দাতব্য প্রতিষ্ঠান গড়ার পরামর্শ তিনি তখন ফিরিয়ে দেন। কিন্তু কয়েক বছর পরই তিনি সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন। কারণ, তত দিনে তাঁর একটি সন্তান জন্ম নিয়েছে এবং সে অবশ্যই মেয়ে। আবার গেটসের জীবনে তাঁর মা মেরি ও স্ত্রী মেলিন্ডার প্রভাবও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিউইয়র্ক টাইমস।প্রথম আলো
- নারীর ক্ষমতায়ন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ : ড. খলিলুর রহমান
- নিইউয়র্কে টাইমস স্কয়ারের মঙ্গল শোভাযাত্রায় যোগ দিচ্ছেন ম্যানহাটান বরো প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড হোয়েলম্যান
- নিউইয়র্কে স্ট্রিট ভেন্ডরদের জন্য নতুন আইন কার্যকর; জেল শাস্তি বাতিল, আরোপ করা হবে জরিমানা
- New York Attorney General James Leads Bipartisan Coalition Suing Predatory Lender OneMain for Scheme to Trap Consumers in Debt
- নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট হাউসে ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন ২৩ মার্চ : আহ্বায়ক কমিটি গঠন
- বাংলাদেশে আওয়ামীলীগসহ সকল রাজনৈতিক দলের স্বাভাবিক রাজনীতির পরিবেশ সৃষ্টি করার দাবি নিউজার্সি স্টেট আওয়ামী লীগের
- নিউইয়র্কে ‘অল কাউন্টি হেলথকেয়ার গ্রুপ’র বার্ষিক ইন্টারফেইথ ইফতার পার্টি
- HUSBAND CHARGED WITH MURDER AND DISMEMBERMENT OF WIFE WHOSE REMAINS WERE FOUND IN SEPARATE LOCATIONS ALONG BROOKVILLE BLVD AND CROSS BAY BLVD








