Wednesday, 22 July 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’ ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030 বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি Dr. Titumir calls for UN-led debt relief mechanism to safeguard investment in children and women Commerce Minister meets ECOSOC President and Vice-President to advance Bangladesh’s smooth LDC graduation
সব ক্যাটাগরি

প্লট ‘ভাগাভাগি’ করে নিল পূর্ত মন্ত্রণালয়

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 178 বার

প্রকাশিত: September 15, 2010 | 1:16 AM

 উম্মুল ওয়ারা সুইটি: প্রকল্পের প্লট ও ফ্ল্যাট নিজেরা ‘ভাগাভাগি’ করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত পাকা করেছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং রাজউক। বিতর্কিতভাবে নীতিমালায় সংযোজন এনে রাজউকের দুটি প্রকল্পে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের জন্য শতকরা এক ভাগ এবং রাজউকের জন্য শতকরা এক ভাগ কোটা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। খবরটি জানাজানি হওয়ায় অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে বলে জানা গেছে। ইতিমধ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী এবং রাজউক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্ট সংসদীয় কমিটিতে। সরকারি কর্মকর্তারা বিষয়টি নিজ নিজ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর কাছে তোলারও সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গেছে।
গত ১৭ জুন রাজউক বোর্ড সভার বৈঠকে সর্বসম্মতিতে বণ্টনের বিষয়টি অনুমোদন পায়। বৈঠকে বলা হয়, ২০০৯ সালে সংযোজিত নীতিমালা অনুসারেই গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ও রাজউকের জন্য ১ শতাংশ করে প্লট দেওয়া হয়েছে। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সচিব কালের কণ্ঠকে এ ব্যাপারে বলেছেন, নিজেরা দায়িত্বে আছেন বলেই গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের প্লট বরাদ্দ দেওয়া একটি হঠকারী কাজ। এ সচিবরা আরো বলেন, খুবই গোপনে নীতিমালায় রাজউক ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় নিজেদের জন্য কোটা রাখার বিষয়টি সংযোজন করেছেন।
সূত্রমতে, গত ৩ আগস্ট গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে এ নিয়ে আলোচনা হয়। সংসদীয় কমিটি গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ও রাজউকের জন্য এভাবে ভাগ করে প্লট বরাদ্দ দেওয়ার উদ্যোগ থেকে সরে আসারও সুপারিশ করেছে মন্ত্রণালয়ের কাছে। কমিটি সূত্র জানায়, এ সিদ্ধান্ত বাতিল না হলে জনপ্রশাসনে তীব্র অসন্তোষ দেখা দেবে বলে আশঙ্কার কথা জানিয়ে সরকারি কর্মকর্তারা তাদের কাছে অভিযোগ করেছেন। এই কর্মকর্তারা সরকারি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির কাছেও একই অভিযোগ দিয়েছেন। এরপর গত ২ সেপ্টেম্বর সরকারি প্রতিষ্ঠানবিষয়ক কমিটি রাজউকের প্লট বরাদ্দসহ অন্যান্য অনিয়ম তদন্তে একটি উপকমিটি গঠন করেছে।
সংসদীয় কমিটি সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা সংসদীয় কমিটিকে বলেছেন, গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ও রাজউকের নীতিবহির্ভূত এ সিদ্ধান্ত নিয়ে জনপ্রশাসনে এক ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি করছে। উদ্যোগটি চূড়ান্ত হলে প্লট ও ফ্ল্যাটের আশায় অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা রাজউক ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে বদলি হতে চাইবেন। কর্মকর্তারা সংসদীয় কমিটির সদস্যদের কাছে অভিযোগ করেছেন, এ বৈষম্যের অবসান না হলে তাঁরা প্রয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর শরণাপন্ন হবেন। এ ছাড়া কর্মকর্তারা লালমাটিয়ার ফ্ল্যাট বরাদ্দ নিয়েও রাজউক ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন।
৩ আগস্টের ওই বৈঠকে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আবদুল মান্নান খান ও রাজউকের চেয়ারম্যানও উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে কমিটির সদস্য সংসদের সরকারি দলের হুইপ নূর-ই আলম চৌধুরী লিটন বলেন, উত্তরা ও পূর্বাচল প্রকল্পের প্লট বরাদ্দে সরকারি কোটায় ২০০৪-এর নীতিমালার লঙ্ঘন করা হয়েছে। এর কারণও তিনি প্রতিমন্ত্রীর কাছে জানতে চান। লিটন চৌধুরী বলেন, গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের জন্য ১ শতাংশ এবং রাজউকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ১ শতাংশ কোটা রাখার অভিযোগ এসেছে। তিনি প্রশ্ন করেন, সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ২৮ শতাংশ কোটা সংরক্ষিত রাখার পরেও কেন আলাদাভাবে একটি মন্ত্রণালয় এবং রাজউকের জন্য ১ শতাংশ কোটা সংরক্ষিত করতে হবে? বৈঠকে কমিটির অন্য সদস্যরাও রাজউক ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের জন্য কোটা সংরক্ষণের কার্যক্রম বন্ধ রাখার প্রস্তাব করেন এবং সংরক্ষিত কোটায় যাঁরা প্লট পেয়েছেন, সেগুলো স্থগিত করার জোর সুপারিশ করেন।
বৈঠকে কমিটির সদস্যরা বলেন, এর মাধ্যমে কর্মকর্তাদের মধ্যে এক ধরনের অসম প্রতিযোগিতার সৃষ্টি হবে এবং বিভিন্ন জায়গা থেকে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে বদলি হয়ে আসার জন্য তাঁরা অবৈধ পথ অবলম্বন করবেন।
জানা গেছে, ৩ আগস্টের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, পরবর্তী বৈঠকে প্লট বরাদ্দসংক্রান্ত সব সংস্থার নীতিমালা কমিটিতে উপস্থাপন করা হবে। সে হিসেবে আজ বুধবার গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির বৈঠকে রাজউকের প্লট বরাদ্দের নীতিমালা উপস্থাপন করার কথা।
যোগাযোগ করা হলে কমিটির সদস্য নসরুল হামিদ বিপু এমপি গতকাল বলেন, ‘গত বৈঠকে কমিটি এ বিষয়টি উত্থাপন করেছে। কিসের আলোকে প্রশাসনিক মন্ত্রণালয় ও রাজউক নিজেদের জন্য ২ শতাংশ সংরক্ষিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, আমরা তা জানতে চেয়েছি। আগামীকালের বৈঠকে আমরা নীতিমালা দেখব। তারপরই এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেব।’
নূর-ই আলম চৌধুরী লিটন বলেন, ‘গত বৈঠকে বিষয়টি আমি উত্থাপন করেছি। এভাবে যাঁদের প্লট দেওয়া হয়েছে, সেগুলো স্থগিতের জন্যও বলা হয়েছে।’ তিনি বলেন, উত্তরা ও পূর্বাচল প্রকল্পের ২০০৪-এর নীতিমালায় নেই এমন কিছু ধারা ২০০৯-এর নীতিমালায় নতুন করে সংযোজন করে এসব করা হয়েছে। কমিটি সংরক্ষিত কোটার কার্যক্রম বন্ধ রাখার প্রস্তাব করেছে।
জানা যায়, উত্তরা ও পূর্বাচল নীতিমালা ২০০৪-এ গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ও রাজউকের জন্য পৃথক কোনো কোটা রাখার বিধান ছিল না। গত বছর এ নীতিমালা সংশোধনের নামে রাজউক কিছু বিষয় সংযোজন করে। এ সুবিধা নিয়েই প্রকল্প দুটিতে ২ শতাংশ প্লট গণপূর্ত ও রাজউকের জন্য বরাদ্দ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সদস্যদের সরকারি কর্মকর্তারা বলেছেন, কোটা বরাদ্দ করা ছাড়াও আরো অনেক অনিয়ম হয়েছে। যেমন, রাজউকের প্লট পাওয়ার পরও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অনেক কর্মকর্তা নিয়ম ভঙ্গ করে লালমাটিয়ার সরকারি ফ্ল্যাটের বরাদ্দ নিয়েছেন। অথচ অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের অনেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা কোনো প্লটই পাননি।
রাজউক সূত্রে জানা গেছে, রাজউকের গত ১৭ জুনের বৈঠকে নিজেদের জন্য কোটা ভাগাভাগি করে উত্তরা ও পূর্বাচল প্রকল্পের প্লট ভাগাভাগির বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়। রাজউকের চেয়ারম্যান নুরুল হুদার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকের কার্যবিবরণীতে বলা হয়, ‘উত্তরা তৃতীয় পর্ব এবং পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পেও প্লট বরাদ্দের জন্য অনুমোদিত প্লট বরাদ্দ পদ্ধতি ২০০৯-এ প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ১ শতাংশ প্লট সংরক্ষণ করা আছে। সেই মতে প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়ের প্লট সংখ্যা ৬৬ হবে। গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় স্মারক নং প্রঃশাঃ৬/রাজ-৬৬/৯৮/৩২৫, তারিখ ১৬/০৬/২০১০-এর মাধ্যমে ৪৩ কর্মকর্তা ও কর্মচারীর নামের তালিকা প্রেরণ করেছে। তালিকাদৃষ্টে দেখা যায়, পূর্বাচল প্রকল্পে ১০ কাঠার জন্য চারজন, সাড়ে সাত কাঠার জন্য ছয়জন, পাঁচ কাঠার জন্য ১৬ জন, তিন কাঠার জন্য সাতজন এবং উত্তরা তৃতীয় প্রকল্পের পাঁচ কাঠার জন্য আটজন ও তিন কাঠা প্লটের জন্য দুজন। শতকরা হার হিসাবে পূর্বাচল প্রকল্পে প্লটের সংস্থান রয়েছে ১০ কাঠার চারটি, সাড়ে সাত কাঠার সাতটি, পাঁচ কাঠার ২৬টি এবং তিন কাঠার ২২টি প্লট। অন্যদিকে উত্তরা তৃতীয় পর্ব প্রকল্পে তিন কাঠার চারটি এবং পাঁচ কাঠার তিনটি প্লট।’
কার্যবিবরণীর বিষয় আলোচনার পর বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, ৪৩ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর তালিকার মধ্যে উত্তরা তৃতীয় পর্ব প্রকল্পে পাঁচ কাঠা আয়তনের তালিকাভুক্ত আটজন কর্মকর্তার মধ্যে চারটি পাঁচ কাঠার প্লট (একটি পাঁচ কাঠার প্লট রাজউকের কোটা হতে এনে) বেগম শিরিন আক্তার, কোড নম্বর ০৮০০১৪৬৩; মো. রাশিদুল হাসান, কোড নম্বর ০৮০০১৮২৮; মো. খায়রুল ইসলাম, কোড নম্বর ০৮০৪৪১৪; মোহাম্মদ মোফাখ্খারুল ইসলাম, কোড নম্বর ০৮০৪৩৮০৯-কে পাঁচ কাঠা আয়তনের প্লট এবং পাঁচ কাঠা আয়তনের তালিকাভুক্ত অবশিষ্ট চারজনকে তিন কাঠা আয়তনের প্লট বরাদ্দের ক্ষেত্রে সংশোধনী এনে ৪৩ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর তালিকা সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হলো।
ওই সভায় একইভাবে রাজউকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্প এবং সম্প্রসারিত তৃতীয় পর্ব প্রকল্পে প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়।
পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ছয় হাজার এবং উত্তরা সম্প্রসারিত তৃতীয় পর্ব প্রকল্পে ৭০০ প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ১ শতাংশ সংরক্ষিত কোটা হিসেবে রাজউক পাচ্ছে পূর্বাচলে ৬৬ এবং উত্তরা প্রকল্পে আটটি প্লট। একই হারে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারাও দুই প্রকল্পে ৭৪টি প্লট পাচ্ছেন। এভাবে ছয় হাজার ৭০০ প্লটের মধ্যে ১৪৮টি প্লট বরাদ্দে অনিয়ম হচ্ছে।
সরকারি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির গত ২ সেপ্টেম্বরের বৈঠকেও প্লট বরাদ্দ নিয়ে রাজউক ও প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এর আগে রাজউক ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটিতে প্লট বরাদ্দ নিয়ে বিভিন্ন দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে বলে কমিটি সূত্র জানিয়েছে।
এ ব্যাপারে সরকারি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি এ বি এম গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘রাজউকের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ এসেছে আমাদের কাছে। সে পরিপ্রেক্ষিতেই আমরা চার সদস্যের কমিটি গঠন করেছি। প্লট বরাদ্দের নীতিমালা সঠিক আছে কি না সেটাও খতিয়ে দেখবে কমিটি।’
উপকমিটির প্রধান এস কে বাকের বলেন, ‘তদন্ত কাজ চলছে। প্লট বরাদ্দ নিয়ে অনেক অনিয়ম দেখা যাচ্ছে। কমিটি সেগুলো দেখছে। আগামী তিন মাসের মধ্যে আমরা এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন দেব।’
এ ব্যাপারে জানতে যোগাযোগ করা হলেও রাজউকের চেয়ারম্যানকে পাওয়া যায়নি।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV