Friday, 5 June 2026 |
শিরোনাম
A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes নিউইয়র্কে নতুন সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘হৃদয় বীণা সংগীতালয়’র যাত্রা শুরু শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীতে নিউইয়র্কে ‘জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসী’র দোয়া মাহফিল জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক বিজয় নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পরিবার নিউইয়র্ক সিটি’র উদ্যোগে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী পালন নিউইয়র্ক স্টেট এসেমব্লি ডিস্ট্রিক্ট ৮৭’র নির্বাচনে কারিনা-জাকির মুখোমুখি NYIC Action Endorses Immigrant Champions and New Voices for NYS Legislature
সব ক্যাটাগরি

ফিলাডেলফিয়া সিটি হলের সামনে অনাদিকাল ধরে থাকবে বাংলাদেশের পতাকা

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 185 বার

প্রকাশিত: November 23, 2010 | 8:58 PM

 এনা : বিজয়ের মাসের প্রারম্ভে যুক্তরাষ্ট্রে বাঙালিদের আরেকটি বিজয় রচিত হলো। ১৭৭৬ সালের ৪ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠের ঐতিহাসিক স্মৃতি বিজড়িত স্থান ফিলাডেলফিয়া সিটি হলের সামনে এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম বেঞ্জামীন ফ্রাঙ্কলিন স্মরণে প্রতিষ্ঠিত পার্কওয়েতে ১৯ টি দেশের সাথে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাও উড্ডয়ন করা হলো। এ পতাকা উড্ডীন থাকবে অনাদিকাল ধরে। পতাকার স্ট্যান্ডে বড় করে লেখা রয়েছে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ।

 

 এর পাশে রয়েছে এঙ্গোলা, বেলারোজ, বস্টওয়ানা, বুলগেরিয়া, এলসালভেদর, ফিজি, জর্জিয়া, ইন্দোনেশিয়া, কুয়েত, নেপাল, ওমান, কাতার, সেন্ট ভিনসেন্ট নেভিস, সিনেগাল, তাঞ্জানিয়া, ত্রিনিদাদ এন্ড টবাগ্যো ও তুরস্ক।  ১৯ নভেম্বর বর্ণাঢ্য এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ফিলাডেলফিয়া সিটির মেয়র মাইকেল নাটার পতাকা উত্তোলন করেন। এ সময় বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতসহ ১৯ দেশের সঙ্গীত গীত হয়। এ পতাকা স্থাপনের জন্যে বেশ কয়েক বছর বছর ধরে তদ্বিররত বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব গ্রেটার ফিলাডেলফিয়া এবং বাংলাদেশ কম্যুনিটি অব পেনসিলভেনিয়ার কর্মকর্তারাও অনুষ্ঠানে বিশেষভাবে আমন্ত্রিত হন। সবুজ ভূমিতে রক্তে রঞ্জিত পতাকা উত্তোলনের সময় বীর প্রতিক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা আবু তাহের আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।সৃষ্টিকর্তার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানান তিনি নতুন এ দেশেও বাংলাদেশের পতাকার সম্মান অর্জনের জন্য।

 
ছবিঃ বাংলা প্রেস

 

এ সময় বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব গ্রেটার ফিলাডেলফিয়ার সভাপতি হাজী শেখ খোরসান, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলাউদ্দিন লিটন, বাংলাদেশ কম্যুনিটি অব পেনসিলভেনিয়ার কর্মকর্তাসহ ডেলওয়ার ভ্যালী বাংলাদেশ এসোসিয়েশনের সভাপতি ড. গোলাম কবির, পেনসিলভেনিয়া কম্যুনিটির ড. ইবরুল হাসান চৌধুরী বাংলাদেশের মানুষের পক্ষ থেকে মেয়র মাইকেল নাটারকে শুভেচ্ছা জানান। এ সময় আবু তাহের বীর প্রতিক এবং সিটি মেয়রের কমিশন অন এশিয়ান আমেরিকান এফেয়ার্সের চেয়ারপার্সন ড. নীনা আহমেদও সেখানে ছিলেন।

ফিলাডেলফিয়ার ডেইলি নিউজেও সংবাদটি গুরুত্বের সাথে প্রকাশিত হয়েছে। উল্লেখ্য যে, সিটিতে বসবাসরত বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের নিরলস শ্রমের স্বীকৃতি হিসেবে সিটি হলের পক্ষ থেকে ঐসব দেশের জাতীয় পতাকা উড্ডীনের অনুমোদন দেয়া হয়। এ অনুমোদনের সমন্বয় করে ফিলাডেলফিয়া মিউজিয়াম অব আর্ট।
এ পতাকা উড্ডীনের একদিন পর অর্থাৎ ২১ নভেম্বর রোববার ঐ পার্কে সমবেত হন ১১ হাজার রানার ২৬ মাইল দীর্ঘ ম্যারাথনে অংশ নেয়ার জন্য। সে সময় অপর ১০৮ দেশের পতাকার সাথে বাংলাদেশের পতাকাও রানারদের সাদর সম্ভাষণ জানায়।
এর আগে লসএঞ্জেলেস সিটিতে লিটল বাংলাদেশ হয়েছে। নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাবাজার এভিনিউ, মিশিগানের ডেট্রয়েট সিটিতে বাংলাদেশ এভিনিউ এবং শিকাগো ডাউনটাউনে শেখ মুজিব ওয়ে হয়েছে। এছাড়া গত বছরের বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানের দিন ঘোষণা দেয়া হয় যে নিউজার্সীর প্যাটারসন সিটি হলের সামনে প্রতি বছর বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে।
অনুসন্ধানকালে জানা যায়, ২০০৪ সাল থেকে বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব গ্রেটার ফিলাডেলফিয়া এবং ২০০৭ সাল থেকে বাংলাদেশ কম্যুনিটি অব পেনসিলভেনিয়ার কর্মকর্তারা নানাভাবে চেষ্টা করেন বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা ঞ্জোমীন ফ্রাঙ্কলীন পার্কওয়েতে স্থায়ীভাবে উড্ডীনের জন্যে। তবে তা বাস্তবায়িত হয়নি সিটি প্রশাসনে জোরালো লবিংয়ের অভাবে। ২০০৯ সালে ড. নীনা আহমেদকে সিটি মেয়র মাইকেল নাটার এশিয়ান আমেরিকান এফেয়ার্স কমিশনের চেয়ারপার্সন করায় বিষয়টি ত্বরান্বিত হয়।
এ প্রসঙ্গ উল্লেখ করে ড. নীনা আহমেদ বার্তা সংস্থা এনাকে বলেন, ২০০৭ সালে বাংলাদেশ এসোসিয়েশন ডেলওয়ারেভ্যালীর সদস্য থাকাবস্থায় আমি তদানিনত্মন কংগ্রেসম্যান চাকা ফাত্তাহ্‌‌র কাছে বিষয়টি উপস্থাপন করেছিলাম। এরপর তিনি আমার সে পত্র ফরোয়ার্ড করেছিলেন সিটি কাউন্সিলে। সে প্রস্তাবটি পাশ হয় কিন্তু তা বাস্তবায়িত করার মত জোরালো লবিং ছিল না সিটি হলে। এজন্যে বিষয়টি ঝুলে ছিল। ড. নীনা বলেন, ঘটনাটি ঘটেছে এটাই বড় সত্য এবং প্রবাসীদের জন্যে এটি বড় অর্জন। এজন্যে একক কেউ কৃতিত্ব দাবি করা সমীচিন নয়, এ অহংকারের দাবিদার প্রতিটি বাঙালি।   
                                   
                                      
 
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV