বর্তমানে বিশ্বে ক্ষুধার্ত মানুষ প্রায় ১০০ কোটি
বাংলাপ্রেস,নিউইয়র্ক থেকে- বর্তমানে বিশ্বে ক্ষুধার্ত মানুষ প্রায় ১০০ কোটি। বিভিন্ন দেশে দারিদ্র্য, সংঘাত ও রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে চলতি বছর ক্ষুধার্ত মানুষের সংখ্যা প্রায় ১০০ কোটিতে পৌঁছেছে। ইন্টারন্যাশনাল ফুড পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (আইএফপিআরআই), ওয়েলথ হাঙ্গার লাইফ এবং কনসার্ন ওয়ার্ল্ডওয়াইডের প্রকাশিত গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেঙ্ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। উন্নয়নশীল এবং উন্নত হওয়ার পর্যায়ে থাকা ১২২টি দেশের পরিস্থিতি নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আফ্রিকা মহাদেশের চারটি দেশে ক্ষুধার্তরা চরম দুর্দশায় রয়েছে। এ ছাড়া ২৫টি দেশের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এই ২৫ দেশের মধ্যে বাংলাদেশও রয়েছে। সূচকে সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় রয়েছে গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গো। সেখানে পুষ্টিহীন লোকের সংখ্যা এবং শিশুমৃত্যু হারও আশঙ্কাজনক। সূচকে বিভিন্ন দেশের অবস্থান নির্ণয় করতে তিনটি বিষয়ে উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়। সেগুলো হলো পুষ্টিহীন লোকসংখ্যা, স্বাভাবিকের চেয়ে কম ওজনের শিশুর সংখ্যা ও শিশুমৃত্যু হার।
মোট এক শ পয়েন্টের ভিত্তিতে তৈরি হয়েছে গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেঙ্। সেখানে ২০ পয়েন্টের ওপরে পাওয়া দেশগুলোর পরিস্থিতি শঙ্কাজনক এবং ৩০-এর ওপর পয়েন্ট পাওয়া দেশগুলোকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এ বছর একমাত্র দেশ হিসেবে কঙ্গোই কেবল ৪০-এর বেশি পয়েন্ট পেয়েছে। অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অন্য তিনটি দেশ হলো বুরুন্ডি, ইরিত্রিয়া ও চাদ।
আশঙ্কাজনক অবস্থায় থাকা ২৫টি দেশ হলো নেপাল, তানজানিয়া, কম্বোডিয়া, সুদান, জিম্বাবুয়ে, বুরকিনা ফাসো, টোগো, গিনি-বিসাউ, রুয়ান্ডা, জিবুতি, মোজাম্বিক, ভারত, বাংলাদেশ, লাইবেরিয়া, জাম্বিয়া, তিমুর-লেসত (পূর্ব তিমুর), নাইজার, অ্যাংগোলা, ইয়েমেন, দ্য সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক, মাদাগাস্কার, দ্য কমোরোস, হাইতি, সিয়েরা লিয়ন ও ইথিওপিয়া।
এ সূচকের তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশ, ভারত, পূর্ব তিমুর, ও ইয়েমেনে স্বাভাবিকের চেয়ে কম ওজনের শিশুর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। দেশগুলোর ৪০ শতাংশেরও বেশি শিশু এ সমস্যায় ভুগছে।
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests
- ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ
- Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান
- Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030
- বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর
- ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি