Wednesday, 22 July 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’ ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030 বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি Dr. Titumir calls for UN-led debt relief mechanism to safeguard investment in children and women Commerce Minister meets ECOSOC President and Vice-President to advance Bangladesh’s smooth LDC graduation
সব ক্যাটাগরি

বাংলাদেশীর পাশে নিউ ইয়র্ক টাইমস

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 57 বার

প্রকাশিত: January 24, 2012 | 12:07 AM

রিপোর্টার: দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের আর্থিক সহায়তা পেলেন বাংলাদেশী যুবক ফ্রান্সিস স্টিফেন। গতকাল নিউ ইয়র্ক টাইমসে তার আমেরিকা জয়ের কাহিনী ছাপা হয়েছে। মাত্র  দু’বছর আগে ২৪ বছর বয়সী এই যুবক বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছান। কয়েক দশক আগে ফ্রান্সিসের বাবা বাংলাদেশ ছেড়ে আমেরিকায় পাড়ি জমান। ফ্রান্সিস তখন শিশু। তার বাবা বধির। তার মা আমেরিকার জীবন মেনে নিতে পারেননি। তাই তার মা বাংলাদেশেই থেকে যান। সঙ্গে থেকে যান ফ্রান্সিস। বাবা-মায়ের ছাড়াছাড়ি ঘটে। ফ্রান্সিস বাংলাদেশের বৃটিশ পদ্ধতির শিক্ষা পদ্ধতিতে লেখাপড়া করছিলেন। কিন্তু তার মন পড়েছিল আমেরিকায়। কখন তিনি বাবার কাছে যাবেন। অবশেষে তাই হলো। বাবার স্পন্সরশিপে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হলেন। তার স্বপ্ন উচ্চশিক্ষা। কিন্তু তার বাবা চাইছিলেন ফ্রান্সিস দ্রুত একটা চাকরিতে ঢুকে যাক। তাই ফ্রান্সিসের বাবা নার্সিং-এ স্নাতক ডিগ্রি নিতে বললেন। কিন্তু সে ইচ্ছা ফ্রান্সিসের ছিল না। রক্ত ও কাটাছেঁড়া তার পছন্দ নয়। তার ইচ্ছা বিচার ব্যবস্থা নিয়ে পড়াশোনা করার। কিন্তু খরচে কুলাচ্ছিল না। তাই বাবার কথামতো নার্সিংয়ে ভর্তি হতে হলো।  
তিনি প্রথমে হাইস্কুল ডিগ্রি নিলেন। ২০১০ সালে তার একটি মজার অভিজ্ঞতা হলো। একটি জরিপে অংশ নেন। এর উদ্দেশ্য ছিল অভিবাসীদের স্থানীয় ভাষা সম্পর্কে ধারণা নেয়া। বিশেষ করে দক্ষিণ এশীয় অভিবাসী যারা নিজেদের মধ্যে অনর্গল বাংলা ও হিন্দিতে কথা বলেন।
ফ্রান্সিস ২০১১ সালের জানুয়ারিতে জি.ই.ডি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এতে তার আত্মবিশ্বাস বাড়ে। মার্চে তিনি লাগুয়ারদি কমিউনিটি কলেজে ভর্তি হন। পেল গ্রান্ট নামের একটি বৃত্তির আওতায় তার কলেজের টিউশন ফি নির্বাহ হচ্ছিল। কিন্তু সমস্যা দেখা দেয় পাঠ্য বই ও পড়ার উপকরণ কেনায়। এ সময় তার পাশে এসে দাঁড়ায় নিউ ইয়র্ক টাইমস নিডিয়েস্ট কেসেস ফান্ড। ক্যালকুলেটর ও টেক্সট বই কিনতে তাকে ৫৬৬.৫৬ মার্কিন ডলার দেয়া হয়।  ফ্রান্সিস ইতিমধ্যে আরও বৃত্তি পেয়েছেন। নার্সিং বদলে তিনি ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থা নিয়েছেন। ফ্রান্সিস বলেন, আমি কি করতে পারবো তা নিয়ে অনেকের সন্দেহ ছিল। আমার এখন একটাই লক্ষ্য। সবার ভুল ভেঙে দেয়া।
ফ্রান্সিস এখন লং আইল্যান্ড সিটিতে এক কক্ষের অ্যাপার্টমেন্টে বাবার সঙ্গে বসবাস করছেন। মানবজমিন

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV