বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট নিয়ে তোড়জোড়, ফি বাড়ছে
দীন ইসলাম : ই-পাসপোর্ট নিয়ে চলছে তোড়জোড়। ডিসেম্বরকে টার্গেট করে কাজ চালাচ্ছে সরকার। এরই মধ্যে ই-পাসপোর্টের ডামি ফরম তৈরি হয়েছে। যাচাই বাছাই চলছে। এছাড়া ফি নির্ধারণ নিয়েও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগে আলাপ-আলোচনা চলছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর হিসাব করে দেখেছে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি)- এর চেয়ে ই-পাসপোর্টের খরচ বেশি পড়বে। তাই দশ বছর মেয়াদি প্রতিটি ই- পাসপোর্ট নিতে বেশি মূল্য দিতে হতে পারে।
পাসপোর্ট অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা মানবজমিনকে বলেন, ই-পাসপোর্টের তথ্য ফরম আমরা তৈরি করেছি। ওই ফরমে একজন ব্যক্তির জীবন বৃত্তান্ত পুরোটাই থাকবে।
এছাড়া সময়ে সময়ে তথ্য যোগ করার অপশনও রাখা হবে। তিনি জানান, বর্তমানে জরুরি এমআরপি নিতে খরচ লাগে ভ্যাটসহ তিন হাজার চারশ’ ৫০ টাকা এবং অতি জরুরি এমআরপি নিতে লাগে ছয় হাজার নয়শ’ টাকা। সুরক্ষা সেবা বিভাগ সূত্র মতে, সর্বশেষ মালয়েশিয়ার একটি কোম্পানি থেকে এমআরপি কেনা হয়েছে। কিন্তু ই-পাসপোর্ট জার্মানির বিশ্বখ্যাত একটি কোম্পানি থেকে কেনা হচ্ছে। তাই খরচ বেশি পড়বে। এজন্য ফি বাড়ানো সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব সহসাই মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। এর আগে গত ১৯শে জুলাই দেশের নাগরিকদের নিরাপত্তা জোরদার এবং ভুয়া পাসপোর্ট প্রতিরোধে ই-পাসপোর্ট (ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট) চালু করতে বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ‘ই-পাসপোর্ট প্রবর্তন ও স্বয়ংক্রিয় বর্ডার কন্ট্রোল ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এই চুক্তি স্বাক্ষর হয়। এতে বাংলাদেশের পক্ষে বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের ডিজি মেজর জেনারেল এম মাসুদ রেজওয়ান এবং জার্মানির ভেরিডোস কোম্পানির পক্ষে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হেনস উলফগ্যাং কুনজ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। ই-পাসপোর্টের চুক্তি অনুযায়ী জার্মান কোম্পানি ৩০ লাখ ই-পাসপোর্ট বই সরবরাহ করবে।
এই প্রকল্পের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ৫শ’ ৬৯ কোটি টাকা। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ই- পাসপোর্ট চালু হলেও এমআরপি পাসপোর্ট বন্ধ হবে না। ই-পাসপোর্ট সম্পূর্ণভাবে চালু হওয়ার আগ পর্যন্ত এটি চালু থাকবে। এরই মধ্যে বিশ্বের ১১৮টি দেশ ই-পাসপোর্ট দিচ্ছে। বিশ্বে ১১৯তম দেশ হিসেবে ই-পাসপোর্ট চালু করছে বাংলাদেশ। এর আগে ২০১০ সালে আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার (আইসিএও) গাইডলাইন অনুযায়ী বাংলাদেশ মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি) ও মেশিন রিডেবল ভিসা (এমআরভি) পদ্ধতি চালু করে সরকার। কিন্তু এমআরপি ব্যবস্থায় দশ আঙ্গুলে ছাপ ডাটাবেজে সংরক্ষণ না থাকায় একাধিক পাসপোর্ট করার প্রবণতা ধরা পড়ে।
এর ফলে ই-পাসপোর্টের প্রয়োজনীয়তা ব্যাপকভাবে অনুভব করে সরকার। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৬ সালের ২৪শে এপ্রিল পাসপোর্ট সেবা সপ্তাহ উদ্বোধনের সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ই-পাসপোর্ট প্রবর্তনের নির্দেশ দেন। পরে প্রধানমন্ত্রীর জার্মানি সফরের সময় ২০১৭ সালের ১৮ই ফেব্রুয়ারি সে দেশের প্রতিষ্ঠান ভ্যারিডোস জিএমবিএইচ এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মধ্যে ই-পাসপোর্ট চালুর বিষয়ে একটি সমঝোতা চুক্তি হয়। তারই ধারাবাহিকতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পাসপোর্ট অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিদের নিয়ে সাত সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে ই-পাসপোর্ট চালুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এর ভিত্তিতেই ই-পাসপোর্টের চুক্তি শেষে এটি চালু করতে তোড়জোড় শুরু হয়েছে। মানবজমিন
- New York Attorney General James Secures More Than $480,000 and Debt Relief for New York Homeowners
- এই জীবন চিরস্থায়ী নয়, একদিন মরে যাবো
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে; ১৭ ডিসেম্বর উভয় পক্ষকে তথ্য-উপাত্ত জমার নির্দেশ
- নিউইয়র্কে নৃত্যশিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠক তাহসিন ফেরদৌসের অকালমৃত্যু, বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া
- নিউইয়র্কে আবেয়া’র দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ও ফ্যামিলি নাইট: প্রযুক্তি সেমিনার, জব ফেয়ার, বিজ্ঞান মেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব
- Global Anticipation Builds as Dr. Mostofa Sarwar’s Sunflower Wounds Debuts with Successful Houston Open House and Worldwide Pre-Order Milestone
- যুক্তরাষ্ট্রে ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসায় অনিশ্চয়তা, আদালতের নির্দেশের পরও কাটেনি জট
- Human Rights Must Be at the Heart of Economic Governance and Policies: Ambassador Irene Khan