Thursday, 23 July 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’ ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030 বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি Dr. Titumir calls for UN-led debt relief mechanism to safeguard investment in children and women Commerce Minister meets ECOSOC President and Vice-President to advance Bangladesh’s smooth LDC graduation
সব ক্যাটাগরি

বাংলাদেশে শেয়ারবাজারে স্মরণকালের সবচেয়ে বড় দরপতন:দিশেহারা বিনিয়োগকারীরা

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 45 বার

প্রকাশিত: January 10, 2011 | 8:05 PM

ইউএসএনিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে  শেয়ারবাজারে স্মরণকালের সবচেয়ে বড় দরপতন হয় সোমবার ।এতে দিশেহারা হয়ে পড়েন বিনিয়োগকারীরা। মাত্র ৫৫ মিনিটের মধ্যে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক কমে যায় ৬৬০ পয়েন্ট। পতনের মাত্রা এতই তীব্র ছিল যে, লেনদেনের একপর্যায়ে ডিএসইতে ৪৭ কোম্পানির শেয়ারের ক্রেতা উধাও হয়ে যায়। দরপতনের তীব্রতা এড়াতে দুই বাজারেই লেনদেন বন্ধ করে দেওয়া হয়। বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার সকাল ১১টায় আবার লেনদেন শুরু হবে। দেশের শেয়ারবাজার ইতিহাসে মূল্যপতনের কারণে লেনদেন বন্ধ করে দেওয়ার ঘটনা এটিই প্রথম। এ দরপতনে বিনিয়োগকারীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন।পুলিশি বাধা, লাঠিচার্জ, টিয়ার শেল উপেক্ষা করে বিনিয়োগকারীরা রাজপথে নেমে আসেন। রাজধানীর মতিঝিল, দিলকুশা এলাকা তাদের প্রতিবাদ মিছিলে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে। মিছিল, অবরোধ, গাড়ি ভাংচুর, অগি্নসংযোগে মতিঝিল এলাকা সম্পূর্ণ অচল হয়ে পড়ে। বিক্ষোভের এ আগুন রাজধানীর বাইরে চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট, বরিশাল, খুলনা, বগুড়া, নরসিংদী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, টাঙ্গাইলসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। নরসিংদীতে বিনিয়োগকারীরা আধঘণ্টার জন্য ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করেন। খুলনায় বিনিয়োগকারীরা প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়ে ঘোষণা দেন, তিনি হস্তক্ষেপ না করলে মঙ্গলবার পূর্ণ দিবস হরতাল পালন করা হবে। বাজারের ভয়াবহ অবনতি ঠেকাতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই), চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) এবং মার্চেন্ট ব্যাংকারস অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমবিএ) সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেছে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। বৈঠকে ঋণ সুবিধা বাড়ানোসহ চারটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বাজার পরিস্থিতির উন্নয়নে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমানকে টেলিফোনে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর পরপরই তিনি বাণিজ্যিক ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহীদের সংগঠন এবিবি, সোনালী ব্যাংক এবং ডিলার ব্যাংকগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেছেন। বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংক তফসিলি ব্যাংকগুলোকে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের আহ্বান জানায়। তারা বলেন, কেউ নির্ধারিত সীমার বেশি বিনিয়োগ করলেও তা তারা নমনীয়ভাবে দেখবেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির শিক্ষক ড. আবু আহমেদ বলেছেন, বাজার সম্পর্কে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থার সংকট সৃষ্টি হলে বাজার নিচের দিকে চলে যায়। এখন সেটাই হচ্ছে। তিনি বলেন, গত নভেম্বর থেকে বাজার অস্থিতিশীল হতে শুরু করে। বড় বিনিয়োগকারীরা তাদের বিনিয়োগ উঠিয়ে নেওয়ার পর ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা বাজার ধরে রাখতে পারেননি। কারণ তাদের সেই ক্ষমতা নেই। তিনি বলেন, এখন যদি ব্যাংক, ইন্স্যুরেন্স ও লিজিং কোম্পানিসহ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা নতুন করে বিনিয়োগ করে তাহলে বাজার আবার ঘুরে দাঁড়াবে। বাজার স্থিতিশীল করতে প্রয়োজনে সরকারকেও ভূমিকা নিতে হবে।

এসইসির সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী জানান, দেশের পুঁজিবাজার অতিমূল্যায়িত হয়ে পড়েছিল। অনেক শেয়ারের দাম মৌল ভিত্তির বহু উপরে চলে গিয়েছিল। এ ধরনের উঁচু বাজার কখনোই টেকসই হয় না। ঋণ সংকোচনের বিষয়টি বাজার পড়ে যাওয়ার পেছনে কাজ করছে বলে আপাতদৃষ্টিতে মনে হচ্ছে। তবে যে কোনো কারণেই হোক না কেন এ ধরনের অতিমূল্যায়িত বাজার টেকে না। এক সময় তা সংশোধন হয়ে যায়। তিনি বলেন, এমন পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত না হয়ে সবাইকে বাজার স্থিতিশীল করার পক্ষে কাজ করতে হবে।
সরকারের পদক্ষেপের অভাব :সংশ্লিষ্টরা অভিযোগ করেছেন, শেয়ারবাজারের সাম্প্রতিক অস্থিতিশীলতার আগুনে সর্বশেষ ঘি ঢেলেছেন স্বয়ং অর্থমন্ত্রী। আগের পাঁচ দিনের টানা বড় দরপতনে বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমে এসেছিল। তাদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছিল আতঙ্ক। তবে এরপরও বিনিয়োগকারীরা আশা করছিলেন এমন অবস্থায় বাজার স্থিতিশীল করতে সরকার অবশ্যই এগিয়ে আসবে। শেয়ারবাজারে ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বিনিয়োগের ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংকের অবস্থানকে নমনীয় করতে বলা হবে। সম্ভাব্য বিপর্যয় আঁচ করতে পেরে নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসিও ছুটে গিয়েছিল অর্থমন্ত্রীর কাছে। অনুরোধ করা হয়েছিল একটি যৌথ সংবাদ সম্মেলন আয়োজনের। এসইসির দৌড়ঝাঁপে শেষ পর্যন্ত রোববার সন্ধ্যায় অর্থমন্ত্রীর বাসভবনে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এ সময় এসইসি চেয়ারম্যান মোঃ জিয়াউল হক খোন্দকার এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর নজরুল হুদা উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু এ সংবাদ সম্মেলনটিই শেষ পর্যন্ত বুমেরাং হয়ে যায়। অর্থমন্ত্রী বাজার উন্নয়নে নির্দিষ্ট কোনো পদক্ষেপের ঘোষণা না দিয়ে বলেন, বাজার অনেক বেড়ে যাওয়ায় এখন মূল্য সংশোধন হচ্ছে। পাঁচ দিনে দুই হাজার পয়েন্ট সূচক হ্রাসের পরও একে মূল্য সংশোধন বলায় অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য বিনিয়োগকারীদের কাছে ছিল পরিহাসের মতো। তার এ বক্তব্য থেকে বিনিয়োগকারীরা হতাশ হয়ে পড়েন। আর এর প্রভাবে দিনের শুরুতেই শুরু হয় দরপতন।
লেনদেন বন্ধ : আগের কয়েক দিনের ধারাবাহিকতা নিয়ে সোমবারও নিম্নমুখী ধারা নিয়ে লেনদেন শুরু হয় বাজারে। মাত্র ৫৫ মিনিটের মধ্যে ডিএসইতে সাধারণ সূচক ৬৬০ পয়েন্ট কমে যায়। পরিস্থিতি এমনই ভয়াবহ হয়ে ওঠে যে, কেউ কেউ এক-দেড় হাজার পয়েন্ট সূচক পতনের আশঙ্কা করতে থাকেন। এ অবস্থায় পরিস্থিতির অবনতি ঠেকাতে ১১টা ৫৫ মিনিটে লেনদেন বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয় এসইসি। দিনের বাকি সময় লেনদেন না হলেও বন্ধের আগে ডিএসই ও সিএসইতে যেসব শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে তা বহাল থাকবে। ওই লেনদেন বাতিলের আবেদন জানালেও আইনগত সমস্যা এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভাবমূর্তির কথা বিবেচনা করে তা করতে সম্মত হয়নি এসইসি।
ক্ষোভের আগুনে উত্তপ্ত মতিঝিল :আগের পাঁচ দিনে ১৮০০ পয়েন্ট দরপতনে বিনিয়োগকারীরা ছিলেন ক্ষুব্ধ, উত্তেজিত। রোববার ব্যাপক সংখ্যক র‌্যাব সদস্য ও পুলিশের বাধায় কোনো বিক্ষোভ, মিছিলের সাহস না পেলেও সোমবার সব বাধা ও ভয়কে উপেক্ষা করে তারা রাস্তায় নেমে আসেন। আগের কয়েক দিনে বেশকিছু বিনিয়োগকারীকে গ্রেফতার এবং অজ্ঞাত এক হাজার বিনিয়োগকারীর নামে মতিঝিল থানায় মামলার কারণে প্রথমে তারা প্রধান সড়কে নামার সাহস পাননি। সকাল ১১টার দিকে মতিঝিল ও দিলকুশার বিভিন্ন গলিতে খণ্ড খণ্ড মিছিল চলতে থাকে। মিছিলে বিনিয়োগকারীর সংখ্যা বাড়তে থাকলে তারা ধীরে ধীরে মূল সড়কে নেমে আসার চেষ্টা করেন। বিভিন্ন স্থানে পুলিশ তাদের বাধা দিলে পুলিশ ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে শুরু হয় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। হাটখোলা মোড় থেকে শাপলা চত্বর এলাকা পরিণত হয় রণক্ষেত্রে। পুলিশের ধাওয়ায় বিনিয়োগকারীরা দৌড়ে বিভিন্ন গলিতে আশ্রয় নেন। সেখান থেকেই চলতে থাকে পুলিশের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ। একই সঙ্গে মতিঝিলের বিভিন্ন ভবন থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে জুতা, ফুলের টব, ঝাড়ূ, পানির বোতল, কাচের প্লেট ইত্যাদি ছুড়তে থাকেন অবরুদ্ধ বিনিয়োগকারীরা। শাপল চত্বর, আরকে মিশন রোড এবং হাটখোলা মোড়ে কাগজ ও কাপড়ে আগুন জ্বালিয়ে দেন তারা। ফলে সকাল ১১টা থেকেই ওই এলাকার সব সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। মতিঝিল এলাকায় কমপক্ষে ছয়টি গাড়ি ভাংচুরের কবলে পড়ে।
দিলকুশায় পিপলস ইন্স্যুরেন্স ভবন থেকে সাবেক শিল্প ব্যাংক ভবন, বিমান অফিস থেকে দৈনিক বাংলা মোড় পর্যন্ত মিছিল, বিক্ষোভ চলতে থাকে। এখানেও বিভিন্ন স্পটে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। দিলকুশায় জীবন বীমা ভবনের (এ ভবনে নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসির কার্যালয়) মূল গেটের সামনে একটি গাছের গুঁড়ি এনে তাতে আগুন জ্বালিয়ে দেন কিছু বিনিয়োগকারী। বিকেল ৫টা পর্যন্ত এ আগুন জ্বলছিল। বিনিয়োগকারীরা জনতা ব্যাংক প্রধান কার্যালয়ের সামনে একটি গাড়িতে অগি্নসংযোগ করেন। জীবন বীমা ভবনের সামনে এবং দৈনিক বাংলা মোড়ে বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাংচুর করা হয়।
দুপুর সোয়া ১টা নাগাদ উপরের নির্দেশে পুলিশ রক্ষণাত্মক অবস্থানে চলে গেলে মতিঝিল ও দিলকুশার পুরো এলাকা বিনিয়োগকারীদের দখলে চলে যায়। এ সময় মতিঝিলে মাইক নিয়ে হাজারখানেক বিনিয়োগকারী মিছিল করেন। এ পরিস্থিতির জন্য তারা বাংলাদেশ ব্যাংক, এসইসি ও ডিএসইকে দায়ী করে এ তিন সংস্থার প্রধানের পদত্যাগ দাবি করেন। অনেকে সরকারের বিরুদ্ধেও স্লোগান দেন।
দুপুর ৩টার দিকে পুলিশ মাইকে বিনিয়োগকারীদের রাস্তা থেকে সরে যাওয়ার অনুরোধ জানাতে থাকে। বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশে বলা হয়, সরকার তাদের সমস্যার বিষয়টি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে। জনসাধারণের স্বাভাবিক চলাচলের স্বার্থে তারা যেন রাস্তার অবরোধ তুলে নেন। বেলা ৪টার দিকে ধীরে ধীরে বিনিয়োগকারীরা রাস্তা থেকে চলে যেতে থাকলে সোয়া ৫টা নাগাদ স্বাভাবিক যান চলাচল শুরু হয়।
এসইসি, ডিএসই ও সিএসইর আহ্বান :দুপুর ১২টায় ডিএসই, সিএসই ও মার্চেন্ট ব্যাংকারদের সঙ্গে বৈঠকে বসে এসইসি। বৈঠকে বাজারের এ অবস্থার জন্য তারল্য সংকটকে মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে এসইসির পক্ষ থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের সহায়তা কামনা করা হয়। বৈঠকে চারটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিকেলে এসইসি, ডিএসই ও সিএসই এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে পরিস্থিতির উন্নয়নে গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো তুলে ধরেন। তারা বিনিয়োগকারীদের আশ্বস্ত করে বলেন, বাজারে যথেষ্ট সংশোধন হয়েছে। বিনিয়োগকারীরা ভীত না হলে বিনিয়োগে সক্রিয় হলে বাজার আবার স্বাভাবিক ধারায় ফিরে আসবে। 
সোমবারের বাজারচিত্র :সোমবার লেনদেন স্থগিত হওয়ার আগ পর্যন্ত ডিএসইতে ২২৩ কোম্পানির শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে মাত্র ৪টির দাম বেড়েছে, কমেছে ২১৯টির। লেনদেনের একপর্যায়ে দেখা যায়, ৪৭টি কোম্পানির শেয়ার কেনার জন্য কোনো ক্রেতা নেই। গতকাল ডিএসইতে সাধারণ সূচক কমেছে ৬৬০ পয়েন্ট। এ নিয়ে ছয় দিনে সূচক কমেছে ১ হাজার ৬০০ পয়েন্টের বেশি।
মঙ্গলবার লেনদেন চালু হবে :বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার সকাল ১১টা থেকে দেশের দুই বাজারেই স্বাভাবিক লেনদেন কার্যক্রম শুরু হবে। সোমবার লেনদেন স্থগিত হওয়ার আগে সূচকের যে অবস্থান ছিল সেখান থেকেই সূচক গণনা করা হবে।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV