বিএনপি-জামায়াতের দুঃশাসনের চিত্র তুলে ধরে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে বাংলাদেশি-আমেরিকান বিশিষ্টজনদের বিবৃতি
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক : বাংলাদেশী-আমেরিকান নির্বাচিত কর্মকর্তা, মানবাধিকার, সামাজিক এবং পেশাজীবী সংগঠনের বিশিষ্টজনদের পক্ষ থেকে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের কাছে বাংলাদেশের বিষয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নীতি সম্পর্কে বিবৃতি প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জুলাই ১, ২০২৩ হোয়াইট হাউস ১৬০০ পেনসিলভানিয়া অ্যাভিনিউ, এন. ডাব্লিউ ওয়াশিংটন ডিসি ২০৫০০ মাননীয় প্রেসিডেন্ট বাইডেন,
আমরা, নিম্নস্বাক্ষরিত বাংলাদেশ-আমেরিকান নির্বাচিত কর্মকর্তা, মানবাধিকার, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠন, বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড মোকাবেলায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কৌশলকে জোরালোভাবে সমর্থন করি। বাংলাদেশে আসন্ন নির্বাচন নিয়ে আমরা আপনার প্রশাসনের উদ্বেগের প্রশংসা করলেও, মার্কিন নীতিকে অবশ্যই বাংলাদেশে ব্যাপক সন্ত্রাসবাদের ঘটনা বিবেচনা করতে হবে যা সরাসরি বিএনপি-জামাত জোট এবং জোটের পৃষ্ঠপোষকতায় বিভিন্ন সন্ত্রাসী সংগঠন দ্বারা সংঘটিত হয়েছে।
মুসলিম দেশ ও অঞ্চলের ঐতিহাসিক ও সামাজিক-রাজনৈতিক মাত্রা বিবেচনা না করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির বারবার ব্যর্থতার বিষয়ে আমরা উদ্বিগ্ন। আফগানিস্তান, ইরাক, সিরিয়া এবং লিবিয়ায় আমেরিকার পররাষ্ট্রনীতির ব্যর্থতার উজ্জ্বল উদাহরণ। বাংলাদেশে তা আমাদের কাম্য নয়।
বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট আপনার নিকট তুলে ধরছি। বাংলাদেশে ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১ এবং ২০০৮ সালে চারটি ব্যাপকভাবে প্রশংসিত এবং ভালো অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু বর্তমান রাজনৈতিক অচলাবস্থা থেকে দেখা যাচ্ছে যে শুধুমাত্র অবাধ নির্বাচন অনুষ্ঠানই উদার গণতান্ত্রিক ফলাফলের নিশ্চয়তা দেয় না। বিশেষ করে, ২০০১ এবং ২০০৮ সালের দুটি অবাধ নির্বাচনের মধ্যে সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায় সন্ত্রাসী ঘটনাগুলি ইঙ্গিত করে যে ২০০৪ সালে একটি অবাধ (এবং তথাকথিত সুষ্ঠু) নির্বাচন প্রকৃতপক্ষে বর্তমান রাজনৈতিক অচলাবস্থাকে পরিবর্তন করবে না যদি না স্টেকহোল্ডারদের নিরাপত্তা, নিশ্চয়তা দিয়ে একটি টেকসই সমাধান খুঁজে পাওয়া, এবং সংখ্যালঘু ও রাজনৈতিক ভিন্নমতাবলম্বীদের নির্বাচন-পরবর্তী নিশ্চয়তা দেওয়া হয়।
উদাহরণস্বরূপ, ২০০১ সালের অক্টোবরে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অবাধ নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ইসলামী জোট জয়লাভ করে। বিজয়ের পরপরই, জোটটি বাংলাদেশের ১১টি পশ্চিম জেলাজুড়ে হিন্দু এবং আওয়ামী লীগ সমর্থকদের বিরুদ্ধে ব্যাপকভাবে আক্রমণ চালায়। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে ভোট দেওয়ার কারণে হিন্দু ও বিরোধী কর্মীদের টার্গেট করা হয়েছিল। সহিংসতার ফলে ব্যাপক লুটপাট এবং বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়া, হিন্দু নারীদের ধর্ষণ এবং হিন্দুদের উচ্ছেদ করা হয়। এই সহিংসতা ২০০১ -২০০৬ পর্যন্ত বিএনপি-জামায়াতের শাসনামলে চলতে থাকে, কিছু ক্ষেত্রে জোট নেতাদের প্রত্যক্ষ পৃষ্ঠপোষকতায়।
হিন্দুদের বিরুদ্ধে ব্যাপক সহিংসতা ছাড়াও, নিচে শুধুমাত্র বিএনপি-জামায়াত জোট নেতাদের প্রত্যক্ষ পৃষ্ঠপোষকতায় সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের দ্বারা সহিংসতার কয়েকটি বড় উদাহরণ দেওয়া হয়েছে।
২০০১ -২০০৬ সালে বিএনপি-জামায়াতের পৃষ্ঠপোষকতায় বড় ধরনের সহিংসতার ঘটনা:
২০০৪ সালের ২৪শে মে, বাংলাদেশের হরকাত-উল-জিহাদ আল-ইসলামী ওরফে হুজি তৎকালীন ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর উপর ব্যাপক গ্রেনেড হামলা চালায়, এতে তিনজন নিহত এবং হাইকমিশনারসহ ৫০ জন আহত হয়। মুফতি হান্নান এবং অন্য দুজনকে ২৩শে ডিসেম্বর ২০০৮ তারিখে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।
২০০৪ সালের ২১শে আগস্টের গ্রেনেড হামলা, বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে সহিংস সন্ত্রাসী ঘটনা, যা হুজি দ্বারা সংঘটিত হয়েছিল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে সেই গ্রেনেড হামলায় ২৪ জন নিহত হন এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সহ পাঁচ শতাদিক লোক আহত হন।
বিএনপি-জামাত জোট শুধু ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়নি, বরং একজন দরিদ্র জজ মিয়া এবং একজন আওয়ামী লীগ কর্মী শৈবাল সাহা পার্থকে মিথ্যাভাবে জড়িয়ে একটি নাটক সাজানো হয়েছিল। এহেন জঘন্য অপরাধের কথা স্বীকার করার জন্য দুজনকেই নির্যাতন করা হয়েছিল, যে অপরাধ সম্পর্কে তাদের কোন ধারণাই ছিল না। পরবর্তীতে তত্ত্বাবধায়ক ও আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে, হুজি নেতা মুফতি আবদুল হান্নান হামলার নেপথ্যের কথা স্বীকার করেন এবং সেই ঘটনায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান (তারেক জিয়া), তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুতফুজ্জামান বাবর, তৎকালীন উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টু ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে প্রমাণিত হয়। ১০ অক্টোবর, ২০১৮ তারিখে, মুফতি হান্নানের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির ভিত্তিতে, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ১৭ জনের মৃত্যুদণ্ড, তারেক রহমানসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ১১ জনের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হয়।
১৭ই আগস্ট, ২০০৫ সালে জামাত-উল-মুজাহিদিন বাংলাদেশ (জেএমজেবি) ৬৪টি জেলাজুড়ে একযোগে ৪৫৯টি বোমা বিস্ফোরণ করে ব্যাপক বোমা হামলা চালায়, এতে দুইজন নিহত এবং প্রায় ১০০ জন আহত হয়। হামলার মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন বাংলা ভাই নামে পরিচিত সিদ্দিকুল ইসলাম ও শায়খ আবদুর রহমান। বাংলা ভাই কলেজে পড়ার সময় সাবেক ইসলামী ছাত্রশিবির (জামায়াতে ইসলামীর ছাত্র সংগঠন) ছিলেন। ক্ষমতাসীন বিএনপি-জামায়াত জোটের শীর্ষ নেতাদের পৃষ্ঠপোষকতায় জেএমজেবি এবং হুজি প্রতিষ্ঠান, বিরোধী দলের নেতাকর্মী, সাংস্কৃতিক কর্মীসহ সাধারণ জনগণের উপর অসংখ্য হামলা চালিয়েছিল। ২১শে জুন, ২০০৭ সালে ডেইলি স্টারের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে “তারেক রহমান [তারেক জিয়া] এবং বেশ কয়েকজন সাবেক বিএনপির মন্ত্রী [ব্যারিস্টার আমিনুল হক, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, নাদিম মোস্তফা, বিএনপির সকল এমপি)] সরাসরি জেএমজেবির জঘন্য কর্মকাণ্ডের পৃষ্ঠপোষকতা করেছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পূর্ণ সমর্থন নিয়ে। ২০০৭ সালের ৩০শে মার্চ শায়খ আবদুর রহমান ও সিদ্দিকুল ইসলাম বাংলা ভাইয়ের ফাঁসি কার্যকর করা হয়।
২৪শে ডিসেম্বর, ২০০৪ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ইউনূস জামায়াত-শিবির ক্যাডারদের বেশ কয়েকটি হামলায় বেঁচে গিয়ে শেষ পর্যন্ত জোট সরকারের একই গ্রুপের হামলায় নৃশংস হত্যার শিকার হন।
উপড়ে বর্ণিত উদাহারন ২০০১ সালের অবাধ নির্বাচন গণতান্ত্রিক ফলাফল নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছিল। বর্তমানে সন্ত্রাসী ঘটনা ও অন্যান্য অভিযোগে সাজাপ্রাপ্ত তারেক রহমান (তারেক জিয়া) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। আমাদের উদ্বেগ হলো, তারেক জিয়া ও অন্য আসামিরা কোনোভাবে পেছনের দরজা দিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হলে গণতন্ত্র কি আদৌ নিরাপদ হবে?
এতদিন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের বাইরে থাকার পরও বিএনপি-জামায়াত জোট তাদের সহিংস পথ ছেড়েছে বলে মনে হয় না। ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩-এ জামায়াত-ই-ইসলামী নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে যুদ্ধাপরাধের দায়ে দোষী সাব্যস্ত করার পর, জামায়াত-শিবিরের ক্যাডাররা বছরব্যাপী সারাদেশে ব্যাপক সহিংসতা চালায়, যার ফলে শত শত মানুষ প্রাণ যায় হারায়। এইসব সহিংসতার কারণে দেশের ইতিহাসে বিএনপি-জামায়াত সমর্থকদের হাতে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তার মৃত্যু হয়েছে। তারপর আবার, ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাসে, বিএনপি-জামায়াত বেসামরিক যানবাহনে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করে দেশ ও সরকারকে অস্থিতিশীল করার জন্য একটি ব্যাপক সন্ত্রাসী প্রচারণা চালায়। বোমা হামলায় ৬০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছিল এবং আহত হয়েছিল শতাধিক । ২৫শে জানুয়ারী, ২০১৫ অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিবেদন, বিএনপি-নেতৃত্বাধীন সন্ত্রাসী প্রচারণার কঠোর সমালোচনা করে বলেন “…যেভাবে বিএনপি নেতৃত্বাধীন বিক্ষোভগুলি পরিচালিত হচ্ছে তা স্পষ্টতই দেখায় যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা সহিংসতার পুনরাবৃত্তির প্যাটার্ন। ”
১৯৭১ সালে বিরোধিতা সত্ত্বেও, ৫০ বছরে ইউএসএ-বাংলাদেশ সম্পর্কের উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নতি হয়েছে। আমরা পারস্পরিক অর্থনৈতিক স্বার্থ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে দুই দেশের মধ্যে শক্তিশালী সম্পর্ক কামনা করি।
সম্প্রতি আমরা আপনার প্রশাসনের কিছু পদক্ষেপ এবং কিছু আইন প্রণেতাদের বাংলাদেশ বিরোধী বক্তব্য লক্ষ্য করছি এবং এই পদক্ষেপগুলি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। আমরা এসব ঘটনা নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং বিনীতভাবে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটকে প্রতিফলিত করে এমন পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য অনুরোধ করছি, যা বাংলাদেশকে সহিংসতামুক্ত একটি ধর্মনিরপেক্ষ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ক্ষেত্র দুটি বিরোধী শক্তিতে ভরপুর, একটি বাংলাদেশের ধর্মনিরপেক্ষ উদার আদর্শের সাথে এবং অন্যটি রাজনৈতিক জঙ্গিবাদের সাথে মিশ্রিত ধর্মীয় উগ্রবাদে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রথমটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন এবং অপরটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন বিএনপি-জামায়াত পক্ষ। সাম্প্রতিক মার্কিন নীতি এবং বক্তৃতা শুধুমাত্র সন্ত্রাসবাদীদের অনুপ্রাণিত করছে এবং উদারপন্থী শক্তিকে বিভ্রান্ত করছে।
বাংলাদেশের জন্য সহিংসতামুক্ত ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে আমরা বাংলাদেশকে নিয়ে আপনার প্রশাসনের বর্তমান নীতি ও কর্মপন্থা পরিবর্তন করার জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ করছি।
স্বাক্ষরকারীঃ
১। নির্বাচিত বাংলাদেশী- আমেরিকান কর্মকর্তাঃ কাউন্সিলম্যান ড. নুরুন নবী (NJ), মেয়র মাহাবুবুল আলম তৈয়ুব (PA), রাজ্য প্রতিনিধি আবুল খান (NH), কাউন্সিলম্যান আবু আহমেদ মুসা (MI), এবং কাউন্সিলম্যান নুরুল হাসান (PA)l
২। সম্প্রীতি ফোরাম, অধ্যাপক এবিএম নাসির
৩। ইউএসএ বঙ্গবন্ধু পরিষদ, প্রকৌশলী রানা হাসান মাহমুদ ও প্রকৌশলী স্বীকৃতি বড়ুয়া l
৪। বাংলাদেশ লিবারেশন ওয়ার ভেটেরান্স ১৯৭১, ইউএসএ ইনকর্পোরেটেড, গোলাম মোস্তফা খান মিরাজ।
৫। ক্যালিফোর্নিয়া বঙ্গবন্ধু পরিষদ, নজরুল আলম ও তাসনিম সালাম আসলাম।
৬। ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি, ইউএসএ, ফাহিম রেজা নূর।
৭। মিশিগান বঙ্গবন্ধু পরিষদ, ইঞ্জি. আহাদ আহমেদ ও আলি আহমেদ ফারিশ।
৮। ইউএসএ কমিটি ফর ডেমোক্রেটিক অ্যান্ড সেক্যুলার বাংলাদেশ, জাকারিয়া চৌধুরী।
৯। জর্জিয়া বঙ্গবন্ধু পরিষদ, রুমি কবির ও মাহাবুবুর রহমান ভূঁইয়া।
১০। বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংহতি পরিষদ, ইউএসএ, খুরশীদ আনোয়ার বাবলু।
১১। গ্রেটার ওয়াশিংটন ডিসি বঙ্গবন্ধু পরিষদ দস্তগীর জাহাঙ্গীর ও নাসরিন মুন্না।
১২। মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, ড. আব্দুল বাতেন।
১৩। ম্যাসাচুসেটস বঙ্গবন্ধু পরিষদ, সফেদা বসু।
১৪ l মোরশেদ আলম, ডেমোক্রেটিক নেতা, নিউইয়র্ক।
১৫l বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, ক্যালিফোর্নিয়া কমান্ড কাউন্সিল, জাহেদুল মাহমুদ জামি।
১৬ l পেনসিলভানিয়া বঙ্গবন্ধু পরিষদ, আবু তাহের বীর প্রতীক ও কাজী শামীম।
১৭ l একাডেমিক গ্রুপ: প্রফেসর জিয়াউদ্দিন আহমেদ(PA), প্রফেসর মিজান আর মিয়া (IL), প্রফেসর জামিল তালুকদার (WI) ও প্রফেসর শাহাদাত হোসেন (NY)
১৮ l দক্ষিণ নিউ জার্সি বঙ্গবন্ধু পরিষদ, নূরন্নবী চৌধুরী।
১৯ l বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক সংগঠন, তৌফিক সোলেমান তুহিন ও জামিউল বেলাল।
- নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনকের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার মাহফিল
- New York Attorney General James Releases Statement on Live Nation Trial
- নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল
- নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ৭ মার্চ ঘড়ির কাঁটা এক ঘন্টা এগিয়ে যাবে
- নিউইয়র্কে জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- Radwan Chowdhury Announces Candidacy for Montgomery County Council At-Large, Launches “Five-Pillar Blueprint” for Accountable Governance.








