বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দর বেড়েই চলেছে:মার্কিন ডলার দুর্বল হয়ে পড়া ও বিশ্ব অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতির চাপ বেড়ে চলার প্রভাব
ইউএসএনিউজ ডেস্ক: বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দর আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়ে উঠেছে। সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস গত শুক্রবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে দিনের শেষ ভাগে স্বর্ণের দর আউন্সপ্রতি এক হাজার ৫৬৯ ডলার ৩০ সেন্টে উন্নীত হয়।এই নিয়ে এক সপ্তাহে তিন দিন বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ল। আর গত এক মাসে দাম বাড়ল ৭ শতাংশ হারে।একদিকে মার্কিন ডলার দুর্বল হয়ে পড়া, অন্যদিকে বিশ্ব অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতির চাপ বেড়ে চলা—এ দুইয়ের প্রভাবে বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ মাধ্যম হিসেব স্বর্ণকে বেছে নেওয়ায় এর চাহিদা ও দাম বেড়ে চলেছে বলে বিশ্লেষকেরা জানিয়েছেন।গত এক বছরে ইউরো ও পাউন্ডের বিপরীতে মার্কিন ডলারের দর কমেছে যথাক্রমে ১২ ও ৯ শতাংশ।আর ২০১১ সালের প্রথম প্রান্তিকের মার্কিন অর্থনীতির যে তথ্য প্রকাশ পেয়েছে তাতে দেখা যায়, দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৮০ শতাংশ, যা প্রবৃদ্ধির শ্লথগতি নির্দেশ করে।সিঙ্গাপুরে ফিলিপ ফিউচারসের বিনিয়োগ বিশেষজ্ঞ ওঙ ই লিং বলেন, ‘ডলারের দর এভাবে কমতে থাকলে স্বর্ণ ও রৌপ্যের মূল্য বাড়তে থাকবে।’
মার্কিন ডলারের দরপতন ও মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতির কারণে গত সপ্তাহের শুরুতেই অর্থাৎ সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম বেড়ে প্রতি আউন্স এক হাজার ৫১৮ ডলারে ওঠে।তবে বুধবার মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের উদার মুদ্রানীতি ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে স্বর্ণের দাম আরও বেড়ে যায়।
ইতিমধ্যে রৌপ্যের দরও ৩১ বছরের সর্বোচ্চ পর্যায়ে উপনীত হয়েছে। সপ্তাহের শুরুতেই বিশ্ববাজারে আউন্সপ্রতি রৌপ্যের দাম বেড়েছে ৪৯ ডলার ৭৯ সেন্ট, যা গত বছরের তুলনায় বেড়েছে প্রায় শতকরা ৬০ ভাগ।তবে এই পণ্যের দাম ১৯৮০ সালের রেকর্ড ভাঙেনি। মঙ্গলবার রৌপ্যের দাম ব্যাপকভাবে হ্রাস পায়। কিন্তু তা আগের সপ্তাহের চেয়ে বেশি ছিল।
এদিকে বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, স্বর্ণের দাম বাড়তে থাকায় একপর্যায়ে বিভিন্ন ধাতব পদার্থের দামও বাড়তে পারে। এসব ধাতব পদার্থ সাধারণ শিল্পকারখানা যেমন ইলেকট্রনিক্স শিল্পসামগ্রী তৈরিতে ব্যবহূত হয়।এর আগে এপ্রিল মাসের তৃতীয় সপ্তাহে বিশ্ববাজারে আউন্সপ্রতি স্বর্ণের দর প্রথমবারের মতো দেড় হাজার ডলার অতিক্রম করে।আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম গত সপ্তাহে মোটামুটি স্থিতিশীল থাকতে দেখা যায়।
মঙ্গলবার রৌপ্যের দরপতনে লন্ডনভিত্তিক ব্রেন্ট সূচকে জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১২৩ ডলারে নেমে আসে। তবে তেলের মজুদ হ্রাসের তথ্য ও ডলারের শক্তি হ্রাসের পরিপ্রেক্ষিতে সপ্তাহান্তে তেলের দাম অবশ্য পুনরায় ১২৫ ডলার ছাড়িয়ে যায়। সূত্র: বিবিসি ও এপি।প্রথম আলো
- নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং
- New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals
- নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests
- ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ
- Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান
- Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030