Friday, 24 July 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’ ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030 বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি
সব ক্যাটাগরি

বিশ্বে উৎপাদিত খাবারের এক-তৃতীয়াংশই অপচয়:খাদ্যাভাবে থাকে সাড়ে ৯২ কোটি মানুষ,প্রতিবছর খাবার নষ্ট হয় ১৩০ কোটি টনেরও বেশি

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 135 বার

প্রকাশিত: May 13, 2011 | 10:40 AM

ইউএসএনিউজ ডেস্ক:  বিশ্বে প্রতিবছর উৎপাদিত খাদ্যের প্রায় এক-তৃতীয়াংশই নষ্ট অথবা অপচয় হয়। জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) এক গবেষণা প্রতিবেদনে গত বুধবার এ তথ্য জানিয়েছে। বিশ্বের উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশে খাদ্য নষ্ট হওয়ার হার প্রায় কাছাকাছি বলেও জানায় সংস্থাটি।
এফএও জানায়, বিশ্বে প্রতিবছর যত মানুষ খাদ্যাভাবে থাকে, এর চেয়েও ঢের পরিমাণে খাবার নষ্ট হয়। খাদ্যাভাবে থাকা লোকের সংখ্যা সাড়ে ৯২ কোটি, অথচ প্রতিবছর খাবার নষ্ট হয় ১৩০ কোটি টনেরও বেশি। মোট যে পরিমাণ শস্য উৎপাদিত হয়, নষ্ট হওয়া খাবারের পরিমাণ এর অর্ধেকের চেয়েও বেশি। শিল্পোন্নত দেশে বছরে প্রায় ৬৭ কোটি এবং উন্নয়নশীল বিশ্বে প্রায় ৬৩ কোটি টন খাদ্য নষ্ট হয়। ‘গ্লোবাল ফুড লসেস অ্যান্ড ফুড ওয়েস্ট’ নামক প্রতিবেদনে এ কথা জানায় এফএও। আগামী ১৬ ও ১৭ মে জার্মানিতে অনুষ্ঠেয় আন্তর্জাতিক সম্মেলন উপলক্ষে সুইডেনের একটি গবেষণাপ্রতিষ্ঠান প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে।
গবেষণায় ‘খাদ্য নষ্ট’ ও ‘খাদ্য অপচয়ের’ মধ্যে পার্থক্য দেখানো হয়েছে। খাদ্য নষ্ট বলতে শস্য বা খাদ্য উৎপাদন, ফসল কাটা ও ঘরে তোলা, কাটার পর তা প্রক্রিয়াজাত ও সংরক্ষণজনিত ত্রুটির কথা বোঝানো হয়েছে। মূলত দুর্বল অবকাঠামোর কারণে উন্নয়নশীল বা গরিব দেশগুলোতেই এভাবে খাদ্য নষ্ট হয়। শিল্পোন্নত দেশগুলোতে খাদ্য অপচয়ের পরিমাণই বেশি। বিক্রেতা ও ভোক্তা দুই পর্যায়েই বিপুল পরিমাণ খাদ্য ফেলে দেওয়ার ঘটনা ঘটে এসব দেশে। ফলে খাওয়ার উপযোগী বিপুল পরিমাণ খাদ্য আঁস্তাকুড়ে গিয়ে পড়ে। সাব-সাহারান আফ্রিকায় বছরে উৎপাদিতই হয় প্রায় ২৩ কোটি টন খাবার। অথচ ধনী দেশগুলো বছরে অপচয় করে প্রায় ২২ কোটি ২০ লাখ টন খাবার। প্রয়োজনের চেয়েও বেশি কেনার প্রবণতা রয়েছে এসব দেশের ভোক্তাদের মধ্যে।
গবেষণা মতে, ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকায় জনপ্রতি প্রায় ৯৫ থেকে ১১৫ কিলোগ্রাম খাবার অপচয় হয় বছরে। আর সাব-সাহারান আফ্রিকা, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় বার্ষিক খাদ্য অপচয়ের পরিমাণ মাথাপিছু ছয় থেকে ১১ কিলোগ্রাম। অপচয় হওয়া খাদ্যের মধ্যে ফল, শাকসবজি, মূল ও কন্দজাতীয় খাবারই বেশি। ধনী দেশগুলোতে ‘দুটির দামে তিনটি’ কেনার মতো সুযোগও অপচয়ের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়।
নষ্ট হওয়ার পরিমাণ ও অপচয়ের মাত্রা কমানোর ব্যাপারেও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে প্রতিবেদনে। গরিব দেশগুলোতে প্রান্তিক বা ক্ষুদ্র কৃষকদের সঙ্গে ক্রেতাদের সরাসরি সংযোগ স্থাপন, অবকাঠামো, পরিবহন ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাত পদ্ধতিতে সরকারি-বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে খাদ্য নষ্ট হওয়ার পরিমাণ কমানো যায়। আর ধনী দেশগুলোতে ভোক্তা আচরণ পরিবর্তনের ব্যাপারে প্রচার শুরু করা যায়। সূত্র : টাইমস, এএফপি।সমকাল

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV