Monday, 9 March 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনকের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার মাহফিল New York Attorney General James Releases Statement on Live Nation Trial নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ৭ মার্চ ঘড়ির কাঁটা এক ঘন্টা এগিয়ে যাবে নিউইয়র্কে জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ও দোয়া মাহফিল Radwan Chowdhury Announces Candidacy for Montgomery County Council At-Large, Launches “Five-Pillar Blueprint” for Accountable Governance. New York Attorney General James Reminds New Yorkers of SNAP Work Requirements নিউইয়র্কে ডিজিটাল ওয়ান ট্র্যাভেলস এবং বাংলা ট্র্যাভেলস এর ইফতার মাহফিল
সব ক্যাটাগরি

বিশ্বে খাদ্যপণ্যের উচ্চমূল্যের নয়া রেকর্ড

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 169 বার

প্রকাশিত: February 4, 2011 | 12:29 AM

ইউএসএনিউজ ডেস্ক: বিশ্বে খাদ্যপণ্যের উচ্চমূল্যের নয়া রেকর্ড।জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (ফাও) সতর্ক করে বলেছে, জানুয়ারিতে খাদ্যপণ্যের উচ্চমূল্য ২০০৮ সালের মাত্রাকে ছাড়িয়ে গেছে। ওই সময় খাদ্যের দাম বাড়ার প্রতিবাদে হাইতিসহ বিভিন্ন দেশে দাঙ্গা হয়েছিল।ফাও বলেছে, জানুয়ারিতে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যের পাইকারি দামের সূচক উঠেছে ২৩১ পয়েন্টে, যা ডিসেম্বরের চেয়ে শতকরা ৩ দশমিক ৪ ভাগ বেশি। ডিসেম্বরে সূচক ছিল ২২৩ পয়েন্ট, নভেম্বরে ২০৬। গত সাত মাস ধরে সূচক ক্রমেই বাড়ছে। আর ২০০৮ সালের জুনে ওই সূচক ছিল ২২৪ পয়েন্টে। খবর বিবিসি, টেলিগ্রাফ ও গার্ডিয়ান অনলাইনের। ফাওয়ের অর্থনীতিবিদ আবদুল রেজা আব্বাসিয়ান বলেছেন, খাদ্যপণ্যের দামের ঊর্ধ্বগতি আরও কয়েক মাস অব্যাহত থাকবে। দামের এ ঊর্ধ্বগতি স্বল্প আয়ের দেশের জন্য বড় ধরনের উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়াবে। কারণ এসব দেশের মানুষ আয়ের বেশিরভাগই খাদ্যের পেছনে ব্যয় করে।আব্বাসিয়ান আরও বলেন, আশাব্যঞ্জক খবর হলো, কিছু দেশে খাদ্যশস্যের ভালো ফলন হয়েছে। ফলে সেসব দেশে অভ্যন্তরীণ খাদ্যমূল্য আন্তর্জাতিক মূল্যের চেয়ে অনেক কম।ফাওয়ের আলাদা সূচক অনুযায়ী জানুয়ারিতে মাংস ছাড়া সব খাদ্যেরই দাম বেড়েছে। সবচেয়ে বেশি বেড়েছে প্রধান খাদ্যশস্যের (চাল, গমসহ দানাদার শস্য) সূচক। তবে তা ২০০৮ সালের জুলাইয়ের সূচকের চেয়ে বেশি হলেও এপ্রিলের চেয়ে ১১ শতাংশ কম। ২০০৮ সালের এপ্রিলে দাম সবচেয়ে বেশি ছিল।তেল ও তেলবীজের দাম গত ডিসেম্বরের চেয়ে জানুয়ারিতে ৫ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়েছে, যা ২০০৮ সালের এপ্রিলের রেকর্ড ছুঁইছুঁই অবস্থা। দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্যের দাম ডিসেম্বরের চেয়ে ৬ দশমিক ২ শতাংশ এবং চিনির দাম ৫ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়েছে। চিনির সূচক ডিসেম্বরের ৩৯৮ দশমিক ৪ থেকে বেড়ে জানুয়ারিতে হয়েছে ৪২০ দশমিক ২। বছরের শুরুতে অস্ট্রেলিয়ায় ভয়াবহ বন্যা এবং ঘূর্ণিঝড় ইয়াসির কারণে চিনির দাম রেকর্ড পরিমাণ বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইউরোপে দাম কমে যাওয়ায় মাংসের সূচক ১৬৬ পয়েন্টে স্থিতিশীল রয়েছে।ফাওয়ের তথ্যে দেখা গেছে, ২০০৮ সালে খাদ্যের দামের সূচক বাড়লেও পরে তা কমে আসে এবং গড়ে ২০০ পয়েন্টের কাছাকাছি থাকে। কিন্তু ২০১০ সালের শুরুতে তা বেড়ে ২০৫ পয়েন্ট হয় এবং এরপর থেকে সূচক বাড়তেই থাকে।ফাওয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আফ্রিকার সোমালিয়া ও উগান্ডায় খাদ্য সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। আর আইভরি কোস্টের রাজনৈতিক অস্থিতিশীল পরিস্থিতি পশ্চিম আফ্রিকায় খাদ্যের দাম বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে। কারণ আইভরি কোস্ট হলো ওই এলাকার যোগাযোগের প্রধান রুট। অন্যদিকে খাদ্যের দাম এশিয়ায়, বিশেষ করে ভারতে নাটকীয়ভাবে বেড়ে গেছে। অসময়ে বৃষ্টি ভারতে গ্রীষ্মকালীন ফসলের ব্যাপক ক্ষতিসাধন করেছে।সম্প্রতি আলজেরিয়া ও তিউনিসিয়ায় রাজনৈতিক অস্থিশীলতা খাদ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধিতে প্রভাব ফেলেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তিউনিসিয়ায় গণঅভ্যুত্থানে সরকারের পতন ঘটে। সে গণঅভ্যুত্থানের হাওয়া লেগেছে মিসর ও জর্ডানেও।ফাওয়ের অর্থনীতিবিদ আব্বাসিয়ান বলেন, ২০০৭ ও ২০০৮ সালে মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও দাঙ্গার পর কিছু দেশ খাদ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে প্রশংসনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে। তিনি আরও বলেন, একটি দেশে গোলযোগ সৃষ্টির ক্ষেত্রে বেশ কিছু ইস্যু কাজ করে। খাদ্য হলো তার মধ্যে অন্যতম।লন্ডনের কনসালট্যান্সি প্রতিষ্ঠান ‘ক্যাপিটাল ইকোনমিক্স’ গত বছরে খাদ্যমূল্য বৃদ্ধির জন্য প্রতিকূল আবহাওয়াকে দায়ী করেছে। আর অব্যাহত মূল্যবৃদ্ধির কারণেই মিসরসহ বিভিন্ন দেশে সামাজিক অস্থিতিশীলতা ছড়িয়ে পড়েছে বলে প্রতিষ্ঠানটি মনে করে।খাদ্যপণ্যের অব্যাহত দাম বাড়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট রবার্ট জোয়েলিক। তিনি খাদ্যকে প্রাধান্য দিয়ে এর দামের লাগাম টেনে ধরতে বিশ্ব নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তার মতে, খাদ্যের দাম বাড়া অব্যাহত থাকলে আমাদের বিশ্বব্যাপী অন্যান্য পণ্যের দাম বাড়ার প্রবণতার মুখোমুখি হতে হবে।আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থা ‘অক্সফার্মে’র পলিসি অ্যাডভাইজার ক্রিস লিদার বলেন, বিশ্বব্যাপী খাদ্যের অতিমূল্যের কারণে কোটি কোটি লোক দুর্ভিক্ষের ঝুঁকির সম্মুখীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তিনি দাম বৃদ্ধির লাগাম টেনে ধরার জন্য বিশ্ব নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি খাদ্য মজুদ ও রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের মতো নেতিবাচক সিদ্ধান্ত না নেওয়ার জন্যও তাদের প্রতি আহ্বান জানান।

ট্যাগ:
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV