Tuesday, 21 July 2026 |
শিরোনাম
Dr. Titumir calls for UN-led debt relief mechanism to safeguard investment in children and women Commerce Minister meets ECOSOC President and Vice-President to advance Bangladesh’s smooth LDC graduation নিউইয়র্কে ইকোসকের সভাপতি ও সহ-সভাপতির সঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী মুক্তাদিরের বৈঠক: এলডিসি উত্তরণে আন্তর্জাতিক সমর্থন জোরদারের আহ্বান শিশু ও নারীর কল্যাণে বিনিয়োগ সুরক্ষায় ঋণসংকট মোকাবিলায় জাতিসংঘের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান ড. তিতুমীরের বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নিউইয়র্ক স্টেট কমান্ড ইউএসএ’র সাবেক কোষাধ্যক্ষ বীর মুক্তিযোদ্ধা মজিবের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও স্মরণ সভা Trump Admin Rescinds Public Charge Rule BOROUGH PRESIDENT GIBSON ANNOUNCES SIGNIFICANT INVESTMENTS IN THE BRONX EU and G77 express support for Bangladesh’s smooth and sustainable LDC graduation নিউইয়র্কে বাণিজ্যমন্ত্রী মুক্তাদিরের সঙ্গে ইইউ ও জি-৭৭-এর প্রতিনিধিদলের বৈঠক: বাংলাদেশের মসৃণ ও টেকসই এলডিসি উত্তরণে সমর্থন পুনর্ব্যক্ত নিউইয়র্কে জাতিসংঘে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী মনজুর: অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জলবায়ু-সহনশীল নগর উন্নয়নে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত
সব ক্যাটাগরি

বৃটেনের নির্বাচনে মোড় ঘোরাবে এশীয়রা

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 97 বার

প্রকাশিত: August 13, 2013 | 3:59 PM

ডেস্ক: এশীয় ও কৃষ্ণাঙ্গ ভোটাররা বৃটেনে ২০১৫ সালে অনুষ্ঠেয় সাধারণ নির্বাচনে মুখ্য ভূমিকা রাখবেন। তাদের ভোটেই মোড় ঘুরে যেতে পারে। নির্বাচনে অংশ নেয়া প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের ভাগ্যের চাকা ঘুরবে এশীয়দের ইচ্ছায়। এশীয় ও কৃষ্ণাঙ্গদের ইচ্ছার প্রতিফলনে নির্বাচনে সংযোজিত হবে নতুন মাত্রা। সমপ্রতি এক জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। অপারেশন ব্ল্যাক ভোট (ওবিভি) নামে একটি ক্রস-পার্টি সংগঠন এ জরিপটি পরিচালনা করে। বৃটেনের বিভিন্ন সমপ্রদায়ে সুষ্ঠুভাবে ভোট দেয়ার প্রচারণা চালায় সংগঠনটি। ২০১০ সালের তুলনায় অনেক বেশি এশীয় ও কৃষ্ণাঙ্গ ভোটার আগামী নির্বাচনে ভোট দেবেন। যে ভোটকেন্দ্রগুলোতে এ সমপ্রদায়ের জনসংখ্যা বেশি, সে স্থানগুলোতে ভোটের ভাগ্য তারাই নির্ধারণ করবেন বলে মনে করা হচ্ছে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন টাইমস অব ইন্ডিয়া। কৃষ্ণাঙ্গ ভোটারদের প্রভাব এত বেশি আগে কখনও ছিল না। তাই এটা তাদের জন্য বেশ বড় সুসংবাদ। ২০০১ সালে যেখানে সংখ্যালঘু এ সমপ্রদায়গুলোর জনসংখ্যা ছিল বৃটেনের মোট জনসংখ্যার ৭ শতাংশ। অথচ ২০১১ সালে সে সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ১১ শতাংশে, যা এখন আরও বেশি।

ওবিভি-এর জরিপ অনুযায়ী, মিডল্যান্ডস থেকে দক্ষিণ উপকূল হয়ে পূর্ব অ্যাংলিয়া ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ভোটকেন্দ্রগুলোতে সংখ্যালঘু ভোটারদের আধিপত্য থাকবে চোখে পড়ার মতো। যে ধারাটি চলছে, আগামী বছরগুলোতেও সেটি অব্যাহত থাকবে ও বৃটিশ রাজনীতির যে গতিপ্রবাহ, তার দিক হয়তো পরিবর্তন করবে পরিবর্তিত এ ধারা বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।মানবজমিন

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV