ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন : বর্নিল আয়োজনে ফায়ার ওয়ার্কস
নাশরাত আর্শিয়ানা চৌধুরী : মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২৪১ তম স্বাধীনতা দিবস ছিল ৪ঠা জুলাই। স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে আয়োজন করা হয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানের। আমেরিকার পতাকার অনুকরণে ও ডিজাইনে তৈরি করা হয় নানা ধরণের পোশাক। নারী পুরুষ অনেকেই সেই পোশাক পরিধান করেছেন। তৈরি করা হয়েছে ক্যাপ, চশমা, ঘড়িসহ বিভিন্ন ধরণের ব্যবহারের সামগ্রী।
স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সরকার দিনটি ছুটি ঘোষণা করে। এই ছুটির কারণে বেশিরভাগ মানুষ তারা নিজ নিজ স্টেট থেকে অন্যান্য স্টেটে বেড়াতে গেছেন আনন্দ উপভোগ করেছেন। এছাড়াও স্বাধীনতা দিবসের কারণে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের দোকানে ও পণ্যে বিশেষ ছাড় দিয়েছে। ক্রেতাদের মধ্যে এই কেনাকাটা নিয়ে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা ছিল। বেসরকারিভাবে এই দিনটি নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পালন করার পাশাপাশি সরকারিভাবেও বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
স্বাধীনতা দিবসের সবচেয়ে বড় চমক ছিল আতশবাজির উৎসব। বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে রাতে সাড়ে নয়টার দিকে আতশবাজির উৎসব হয়। সেই ফায়ার ওয়ার্ক দেখার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশ থেকে আসা প্রবাসীরা সেই সব স্থানে ভিড় জমান। নিউইয়র্ক ও নিউ জার্সিতেও এই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপচে পড়া দর্শকরা সেখানে আতশ বাজির উৎসব ভোগ করেছে। এছাড়াও বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আশা পর্যটকরা জাহাজে চড়ে হার্ডসন নদীতে আতশ বাজি দেখেছেন। কেউ কেউ চড়েছেন স্পিডবোর্টেও। নিউ ইয়র্কের সাবেক ওয়াল্ড ট্রেড সেন্টারের ওখানে গড়ে উঠা ৯/১১ মেমোরিয়াল মিউজিয়ামের সামেন পতাকা দিয়ে সাজানো হয়। সেই দিনে যারা প্রাণ হারিয়েছেন তাদের আতœীয় স্বজনরা অনেকেই এসেছেন তাদের সেই হারানো প্রিয়জনকে স্মরণ করে শ্রদ্ধা জানাতে। সেখানে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে ছিল উপচে পড়া মুানষের ভিড়।
নিউয়ির্ক থেকে নিউ জার্সির আতশ বাজিও উপভোগ করেছেন অনেক দর্শক। ফায়ার ওয়াকার্স চলাকালে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বিপুল সংখ্যক আনিশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ছিল মোয়াতেন করা। ট্রাফিক ব্যবস্থায় যাতে চাপ না পড়ে। যানজট তৈরি না হয় সেই জন্যও নেওয়া হয় বিশেষ ব্যবস্থা। ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা এই ব্যাপারে অক্লান্ত প্ররিশ্রম করে। বিভিন্ন ট্রেন স্টেশনে পুলিশ পাহাড়ারত ছিল। স্ট্যাটেন আইলেন ফেরীতেও ছিল পুলিশ। বিভিন্ন স্থানেই এই ধরণের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
ফায়ার ওয়ার্ক চলাকালে আকাশে হেলিকপ্টারও দিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও নিশ্চিত করা হয়। যখন যেখানে ফায়ার ওয়ার্ক হয়েছে সেখানে এই ব্যাপারে নেওয়া হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রে জন্মদিন পালনের ব্যাপারে নাগরিকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা কাজ করে। সেই সঙ্গে পরিবার পরিজন নিয়ে অনেকেই বেড়াতে গেছেন দূর দূরান্তে। ছুটির দিন থাকায় বিভিন্ন স্থানে কনাসার্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাচ্ছাদের জন্য আয়োজন করা হয়েছিল আলাদা আলাদা অনুষ্ঠানের। সকল অফিস বন্ধ ছিল। দোকানপাট অনেকেইগুলোই বন্ধ ছিল। বাঙ্গালীদের যারা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসী হয়েছেন তাদের মধ্যেও স্বাধীনতা দিসন পালনের ব্যাপক উৎসাহ ছিল। অনেকেই বিভিন্ন জায়গায় বেড়াতে গিয়েছেন।
- সমুদ্রের উচ্চতা বৃদ্ধি ও বন্যার ঝুঁকি মোকাবিলায় নিউইয়র্কে ২ বিলিয়ন ডলারের মহাপ্রকল্প
- দুই তরুণী রোগীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ; নিউইয়র্কে বাংলাদেশি-আমেরিকান চিকিৎসক ডা. ফজলুল ইউসুফ গ্রেপ্তার, জামিনে মুক্ত
- বাংলাদেশে বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর দাফনে বাধার প্রতিবাদ, ‘শিখা অনির্বাণ’ প্রজ্জ্বলিত রাখার দাবি নিউইয়র্কে
- শান্তি প্রতিষ্ঠায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের সব পর্যায়ে নারীর অংশগ্রহণ জরুরি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির প্রচার সম্পাদক রিজুর পিতার ইন্তেকাল
- যুক্তরাষ্ট্রের ডিভি লটারি ফের স্থগিত, নিম্ন আদালতের আদেশে আপিল আদালতের বাধা
- যুক্তরাষ্ট্রে ডেলাইট সেভিং টাইমের অবসান, ১ নভেম্বর ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পেছাবে
- নিউইয়র্কে ন্যাশনাল ইমিগ্র্যান্টস ডে উদ্যাপন; বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি, সাত বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান