ভাই ড. মোমেনের অভিষেক, অবসরে অর্থমন্ত্রী মুহিত
ওয়েছ খছরু, সিলেট থেকে : সব জল্পনার ইতি ঘটিয়ে অবসরে যাচ্ছেন অর্থমন্ত্রী ড. আবুল মাল আবদুল মুহিত। তার স্থলাভিষিক্ত করে গেলেন ছোট ভাই ড. একে আবদুল মোমেনকে। গতকাল দুপুরে আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় থেকে প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষরিত পত্র ড. মোমেন হাসিমুখে নিজেই গ্রহণ করলেন। ড. মোমেনের পদার্পণের মধ্য দিয়ে বিদায় ঘণ্টা বাজলো মুহিতের। সিলেটের রাজনীতিতে দেড় যুগের বর্ণিল পদচারণায় ব্যস্ত থাকা মুহিত আর সরব হবেন না রাজনীতিতে। প্রিয় সিলেটবাসীর অভিভাবক হয়ে তিনি আর দায়িত্ব পালন করবেন না তিনি। এমন ঘটনা সিলেটের ইতিহাসে বিরল হয়ে থাকলো। রাজনীতিতে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন তিনি। বয়স বেড়ে গেছে। আর পারছিলেন না।
এ কারণে রাজনীতি, মন্ত্রিত্ব সব কিছু থেকেই তিনি নিজ থেকে সরে দাঁড়ালেন। সিলেট-১ আসনে টানা ১০ বছর তিনি শাসন করেছেন। দুইবার এমপি হয়ে দুইবার হয়েছেন অর্থমন্ত্রী। এই সময়ে সিলেটের উন্নয়নের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন তিনি। সাধ্যের মধ্য থেকে পেয়েছেন সফলতা। এখানে জন্ম নেয়া রাজনীতিবিদরা শুধু যে বাংলাদেশ তা নয়, তারা মাতিয়েছেন এই উপমহাদেশ। এর মধ্যে ছিলেন- প্রয়াত নেতা আব্দুস সামাদ আজাদ, বিশ্ব বরেণ্য কূটনীতিবিদ হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী, সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী এম সাইফুর রহমান, বিশিষ্ট পার্লামেন্টারিয়ান সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, আদর্শিক রাজনীতিবিদ পীর হাবিবুর রহমান, বরুন রায়, দেওয়ান ফরিদগাজীসহ অনেকেই। তাদের উত্তরসূরি হিসেবে সিলেটের রাজনীতিতে প্রায় দেড় যুগ আগে আসীন হয়েছিলেন ড. আবুল মাল আবদুল মুহিত। প্রয়াত স্পিকার হুমায়ূন রশীদ চৌধুরীর মৃত্যুর পর হঠাৎ করে সিলেটে ডাক পড়ে তার। আর তাকে রাজনীতিতে নিয়ে আসার পেছনে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছিলেন ড. একে আবদুল মোমেনই।
সিলেটে রাজনীতিতে নেমে শুরুতেই হোঁচট খেয়েছিলেন মুহিত। স্বল্প সময়ে তৈরি করতে পারেননি নির্বাচনী মাঠ। এ কারণে ২০০১ সালের নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগ থেকে প্রার্থী হয়ে এম সাইফুর রহমানের কাছে পরাজিত হয়েছিলেন। তবে মাঠ ছাড়েননি। বর্ণিল জীবনে তার পরাজয়ের গ্লানি নেই। আছে জয়ের সফলতা। এ কারণে তিনি সিলেটের রাজনীতি আঁকড়ে ধরে রাখেন। ২০০৮ সালে এলো সেই সুযোগ। সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী এম সাইফুর রহমানকে হারিয়েই তিনি সিলেট-১ আসনের এমপি হন। সেই সঙ্গে হন আওয়ামী লীগ সরকারের অর্থমন্ত্রীও। ২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী কোনো প্রার্থী না থাকায় এমপি নির্বাচিত হলে আবারো তাকে অর্থমন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেয়া হয়। দ্বিতীয় দফা মন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার প্রায় দুই বছর পরই জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধির পদ ছেড়ে দেশে চলে আসেন তারই ছোট ভাই ড. একে আবদুল মোমেন। তিনি দেশে ফিরেই সিলেটের রাজনীতিতে পথচলা শুরু করেন। ছোট ভাই ড. মোমেন ফিরে আসার পরপরই রাজনীতি থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেয়া শুরু করেন মুহিত। দেন অবসরের ঘোষণাও। মানবজমিন
- নিউইয়র্কে নৃত্যশিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠক তাহসিন ফেরদৌসের অকালমৃত্যু, বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া
- নিউইয়র্কে আবেয়া’র দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ও ফ্যামিলি নাইট: প্রযুক্তি সেমিনার, জব ফেয়ার, বিজ্ঞান মেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব
- Global Anticipation Builds as Dr. Mostofa Sarwar’s Sunflower Wounds Debuts with Successful Houston Open House and Worldwide Pre-Order Milestone
- যুক্তরাষ্ট্রে ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসায় অনিশ্চয়তা, আদালতের নির্দেশের পরও কাটেনি জট
- Human Rights Must Be at the Heart of Economic Governance and Policies: Ambassador Irene Khan
- বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বাস্তবায়ন উপলক্ষে নিউইয়র্কে সমাবেশ, আগামী ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার সঙ্গে দেশে ফেরার প্রত্যয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের
- অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকারকে রাখতে হবে: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান
- নিউইয়র্কে হিউম্যান সাপোর্টের বিনামূল্যে ফ্লু টিকাদান কর্মসূচি