Tuesday, 10 March 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনকের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার মাহফিল New York Attorney General James Releases Statement on Live Nation Trial নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ৭ মার্চ ঘড়ির কাঁটা এক ঘন্টা এগিয়ে যাবে নিউইয়র্কে জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ও দোয়া মাহফিল Radwan Chowdhury Announces Candidacy for Montgomery County Council At-Large, Launches “Five-Pillar Blueprint” for Accountable Governance. New York Attorney General James Reminds New Yorkers of SNAP Work Requirements নিউইয়র্কে ডিজিটাল ওয়ান ট্র্যাভেলস এবং বাংলা ট্র্যাভেলস এর ইফতার মাহফিল
সব ক্যাটাগরি

মহাকাশে জঞ্জাল সাফ করবে ‘ডেয়স’

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 191 বার

প্রকাশিত: July 6, 2013 | 2:57 PM

পৃথিবীর ওপর মহাকাশের চারদিক ভরে গেছে আবর্জনায়। সংখ্যাটা প্রায় ২০ কোটি। পৃথিবীর কক্ষপথে যেখানে টেলিকমিউনিকেশন স্যাটেলাইট থাকে এবং ভূপৃষ্ঠের কাছের অংশেই এগুলোর সংখ্যা বেশি। তাদের গতি অবিশ্বাস্যরকম দ্রুত হওয়ায় বিশাল বিপদের আশঙ্কা থেকে যায়। জার্মান এয়ারোস্পেস সেন্টারের হাউকে ফিডলার বলেন, মানুষের হাতের মুঠোর মতো ছোট্ট একটি টুকরোও যদি স্যাটেলাইটকে ধাক্কা মারে, তবে সেটি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাবে। ঘণ্টায় কয়েকশ’ কিলোমিটার বেগে একটা গাড়ি ধেয়ে এলে যা হয়, মহাকাশে ছোট্ট একটি টুকরোও সেই ক্ষমতা রাখে। বিকল স্যাটেলাইট ও রকেটের ভাঙা অংশই হলো আসল সমস্যা। ২০০৯ সালে মহাকাশে রাশিয়া ও আমেরিকার দুই স্যাটেলাইটের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটেছিল। তাদের ভাঙা টুকরোগুলো মেঘের মতো গোটা বায়ুমণ্ডলে ছড়িয়ে পড়েছিল। ফলে আরও এমন দুর্ঘটনার আশঙ্কা বেড়ে গিয়েছিল। তাই জার্মান এয়ারোস্পেস সেন্টারের গবেষকরা এমন আবর্জনা সাফ করতে চান। কক্ষপথে এই অভিযানের পোশাকি নাম ‘ডেয়স’। এ যেন এক সাফাই কর্মী, যে পুরনো স্যাটেলাইট ধরে তাতে জ্বালানি ভরে আবার মহাকাশে ছেড়ে দেবে। অথবা বিকল স্যাটেলাইট পৃথিবীর দিকে ঠেলে দেবে, যাতে সেটি বায়ুমণ্ডলের ঘর্ষণে নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। ইঞ্জিনিয়াররা গবেষণাগারে বিকল স্যাটেলাইটের কাছে এগোনোর পদ্ধতি পরীক্ষা করছেন। তবে কাছে যাওয়ার আগে তাদের এমনসব তথ্যের প্রয়োজন, যা শুধু ঘটনাস্থলে গিয়েই সংগ্রহ করা সম্ভব। সাফাইয়ের আগে এটাই প্রথম পদক্ষেপ। ডিএলআর-এর হাউকে ফিডলার বলেন, প্রথমে ছবি তুলে দেখতে হবে স্যাটেলাইট সোজা এগোচ্ছে, নাকি মাতালের মতো টলছে? কোনদিকে ঘুরছে? ঘোরার অক্ষইবা কি? এবার হাত বাড়িয়ে সেটিকে ধরতে চাইলে জানতে হবে, ঠিক কোন অংশ ধরা যায় বা আদৌ ধরা সম্ভব কি-না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে স্যাটেলাইটের নকশাও পাওয়া যায় না। মহাকাশে কোনো কিছু ধরার পরীক্ষা চলছে। মাধ্যাকর্ষণহীন অবস্থায় রোবটের হাত সামান্য এদিক-ওদিক হলেই স্যাটেলাইট টলে যেতে পারে। ইঞ্জিনিয়াররা এখানে সেই জটিল প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণের জন্য কম্পিউটার প্রোগ্রাম তৈরি করতে পারেন, পরীক্ষাও চালাতে পারেন। গোটা বিশ্বে অন্য কোথাও এমন উচ্চপর্যায়ের গবেষণার সুযোগ নেই। প্রথমে ভূপৃষ্ঠ থেকে রোবট নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। ডিএলআর-এর জর্ডি আর্টিগাস বলেন, প্রথমে রোবটের হাত ও বিকল স্যাটেলাইটের মধ্যে যোগাযোগের তথ্য পৃথিবীতে পাঠানো হয়। সেই তথ্যের ভিত্তিতে অপারেটর রোবটকে পরিচালনা করেন। বছর চারেকের মধ্যেই মহাকাশে জঞ্জাল সাফের প্রথম অভিযান শুরু হতে পারে। তবে তার শর্ত হলো—যেসব দেশ বড় আকারের মহাকাশ অভিযান চালায়, তাদের সেই ব্যয় বহন করতে হবে। সূত্র : ডিডব্লিউ/আমার দেশ
ট্যাগ:
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV