Thursday, 23 July 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’ ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030 বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি Dr. Titumir calls for UN-led debt relief mechanism to safeguard investment in children and women Commerce Minister meets ECOSOC President and Vice-President to advance Bangladesh’s smooth LDC graduation
সব ক্যাটাগরি

মিথ্যাচার করেছেন খালেদা জিয়া -আইএসপিআর

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 174 বার

প্রকাশিত: November 15, 2010 | 2:34 AM

ঢাকা: এক কাপড়ে সেনানিবাসের মইনুল রোডের বাড়ি থেকে টেনেহিঁচড়ে বের করে দেওয়ার ব্যাপারে বেগম খালেদা জিয়ার অভিযোগকে মিথ্যাচার, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর)। গতকাল শহীদ জাহাঙ্গীর গেট সংলগ্ন একটি রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আইএসপিআরের পরিচালক শাহিনুল ইসলাম বলেন, খালেদা জিয়ার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়নি। বরং তিনিই উত্তেজিত কণ্ঠে সেনাবাহিনীকে উদ্দেশ করে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেছেন। সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের অকৃতজ্ঞ বলেছেন। এমনকি সবার সামনে চিৎকার করে তিনি বলেছেন, ‘আমি সবার চেহারা চিনে রাখছি, সবাইকে এর চরম মূল্য দিতে হবে।
সবাইকে চাকরি থেকে বের করে দেব।’ সেনাবাহিনীকে হুমকি দেওয়ার জন্য খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষ আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান আইএসপিআরের পরিচালক।
গত শনিবার সেনানিবাসের মইনুল রোডের বাড়ি ছেড়ে দেওয়ার পর খালেদা জিয়ার অভিযোগের জবাব দিতে আইএসপিআর এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, হাইকোর্টের দেওয়া সময়সীমা অতিক্রান্ত হওয়ার পর রায় অনুযায়ী এ বাড়ি বুঝে নেওয়া জরুরি হয়ে পড়ায় মইনুল রোডে খালেদা জিয়ার বাড়ি খালি করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। বিরোধীদলীয় নেতা সকাল থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে বিকেলে বাড়ি ছাড়েন। অথচ সন্ধ্যায় বিএনপির গুলশান অফিসে কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি অভিযোগ করেন, তাকে এক কাপড়ে জোর করে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। তার সঙ্গে অসম্মানজনক আচরণও করা হয়েছে। এটা মিথ্যাচার ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
সংবাদ সম্মেলনে আইএসপিআরের পক্ষ থেকে বলা হয়, হাইকোর্টের রায় বাস্তবায়নে ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড বিধিসম্মতভাবে বাড়িটি খালি করার উদ্যোগ নেয়। বাড়ি ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ জানানোর পর খালেদা জিয়া ধীরেসুস্থে প্রস্তুত হতে থাকেন। কালক্ষেপণ লক্ষ্য করে দু’জন নারী কর্মকর্তা দরজায় টোকা দিলে তিনি ভীষণ ক্ষেপে গিয়ে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করতে থাকেন। খালেদা জিয়াকে এক কাপড়ে বের করে দেওয়ার অভিযোগের জবাবে আইএসপিআরের পরিচালক বলেন, তিনি কর্মচারীদের দিয়ে ১০টি বড় ব্যাগ ও চারটি বড় কার্টন গুছিয়ে নেন এবং তিনটি গাড়িতে তোলেন। এমনকি গাড়িতে ওঠার আগমুহূর্তে তার ব্যক্তিগত পরিচারিকার মাধ্যমে দুটি টেবিল ল্যাম্প নেওয়া নিশ্চিত করেন। ঝাড়বাতি ও টিউব লাইটগুলোও খুলে নেওয়া হয়েছে। এরপর তিনি বাড়ির বিভিন্ন কক্ষে গিয়ে সবকিছু ঠিকমতো নেওয়া হয়েছে কি-না দেখেন এবং যেগুলো নেওয়া হয়নি সেগুলো ঠিকমতো আছে কি-না তা দেখার পর সেগুলোর নিরাপত্তা ও হেফাজতের বিষয়ে লিখিত আশ্বাস চান। এ পরিপ্রেক্ষিতে ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড নিশ্চয়তা দেয়। তখন তিনি বাড়ি ছেড়ে দেওয়ার জন্য চূড়ান্তভাবে মনস্থির করেন। এর আগে তিনি বিভিন্ন সময় শতাধিক কার্টন ও ব্যাগ তার ভাই সাঈদ এস্কান্দার ও ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ির বাড়িতে স্থানান্তর করেছেন। এটি তার বাড়ি ছাড়ার পরিকল্পিত প্রস্তুতির স্পষ্ট সাক্ষ্য বহন করে। আইএসপিআরের পরিচালক বলেন, জোরপূর্বক তাকে বাড়ি ছাড়তে বাধ্য করা হলে সকাল ৮টার মধ্যেই তিনি ছাড়তে বাধ্য হতেন। জোর করা হয়নি বলেই বিকেল সোয়া ৩টায় তিনি নিজস্ব গাড়িতে করেই সেনানিবাস ছেড়ে যান। এটা তার স্বেচ্ছায় বাড়ি ছাড়ারই প্রমাণ।
খালেদা জিয়ার ব্যবহার্য জিনিসপত্র ও গাড়ির সংখ্যা তুলে ধরে আইএসপিআর বলেছে, তার নিজস্ব পরিবহন পুলে আটটি অত্যাধুনিক মডেলের গাড়ির উপস্থিতি এবং একটি পরিবারের জন্য ৬০ জনের মতো গৃহপরিচারক ও পরিচারিকা থাকা তার বিলাসবহুল জীবনযাপনের সাক্ষ্য বহন করে।
মইনুল সড়কের ৬ নম্বর বাড়িটি এখন ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের হেফাজতে রয়েছে বলে জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে সেনাবাহিনীর স্টেশন সদর দফতরের জনসংযোগ কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) ওয়ালি উল্লাহ সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। সংবাদ সম্মেলন শেষে বেশ কয়েকজন সাংবাদিককে মইনুল রোডের বাড়িটি দেখানো হয়।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV