মিসর ও তিউনিসিয়া সীমান্তে অপেক্ষমাণ বাংলাদেশিদের দেখভাল করছে রেডক্রস ও অভিবাসন সংস্থা
ইউএসএনিউজ ডেস্ক:মিসর ও তিউনিসিয়া সীমান্তে অপেক্ষমাণ বাংলাদেশিদের দেখভাল করছে রেডক্রস ও অভিবাসন সংস্থা। লিবিয়ায় নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে থাকা প্রায় সাড়ে তিন হাজার বাংলাদেশি গতকাল রোববার মিসর ও তিউনিসিয়া সীমান্তে পৌঁছেছেন। রেডক্রস ও অভিবাসন সংস্থা সীমান্তে অপেক্ষমাণ বাংলাদেশিদের দেখভাল শুরু করেছে।সেখানে রেডক্রসের আন্তর্জাতিক কমিটি (আইসিআরসি), আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) ও জাতিসংঘ উদ্বাস্তুবিষয়ক হাইকমিশন (ইউএনএইচসিআর) ১০টি ক্যাম্প করেছে। সেখানে বাংলাদেশের পক্ষ থেকেও ১০টি সমন্বয় দল করা হচ্ছে।পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, এক-দুই দিনের মধ্যে বাংলাদেশিরা মিসর ও তিউনিসিয়ায় প্রবেশ করে নিরাপদ অবস্থানে যেতে পারবেন। এ উদ্দেশ্যে মিসর দূতাবাস ছাড়াও ইতালি ও ঢাকা থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তিনজন অতিরিক্ত কর্মকর্তা সীমান্ত এলাকায় অবস্থান করছেন। আরও কয়েকজন কর্মকর্তাকে সেখানে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, লিবিয়ার বেশির ভাগ বাংলাদেশি মূলত ত্রিপোলি, বেনগাজি ও সাবা এলাকায় থাকেন। এর মধ্যে সাবার পরিস্থিতি একেবারেই শান্ত। সেখানে কোনো বিক্ষোভ হচ্ছে না। বেনগাজি এখন বিক্ষোভকারীদের দখলে রয়েছে। এই দুই এলাকায় বাংলাদেশিদের কোনো সমস্যা নেই। ত্রিপোলিতে গণ্ডগোল চলছে। সেখানে বাংলাদেশিদের দলবদ্ধ হয়ে থাকার অনুরোধ জানানো হচ্ছে।মন্ত্রী লিবিয়া-প্রবাসীদের উদ্দেশে বলেন, ‘যাঁরা যে অবস্থায় আছেন, সে অবস্থায়ই থাকুন। কারণ, সংখ্যা একটি বড় শক্তি। তিন-চার হাজার বাংলাদেশি একসঙ্গে থাকলে কোনো সমস্যা হবে না। আর বিচ্ছিন্নভাবে যেসব বাংলাদেশি রয়েছেন, যাঁদের মালিক চলে গেছেন, তাঁরা বড় ক্যাম্পগুলোয় গিয়ে সেখানকার বাংলাদেশিদের সঙ্গে থাকতে পারেন। কারণ বড় বড় কোম্পানির সঙ্গে সরকারের যোগাযোগ রয়েছে।ত্রিপোলিতে বাংলাদেশ দূতাবাস সূত্রে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, মিসরের আল-সালেম সীমান্তের কাছে তিন হাজার এবং তিউনিসিয়া সীমান্তে প্রায় ৩৫০ বাংলাদেশি অপেক্ষায় রয়েছেন।সচিবালয়ে গতকাল (রোববার) অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে মন্ত্রী বলেন, লিবিয়ার প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিয়ে অযথা আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। সরকার আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর মাধ্যমে প্রবাসীদের খোঁজখবর রাখছে। এমন কোনো অবস্থা হয়নি যে, সব বাংলাদেশিকে একেবারে সরিয়ে নিতে হবে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। আর ৫০ হাজার বাংলাদেশিকে একেবারে নিয়ে আসাও অসম্ভব ব্যাপার।সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম), অন্তর্জাতিক রেডক্রস সোসাইটি (আইসিআরসি), জাতিসংঘের উদ্বাস্তু সংস্থা-ইউএনএইচসিআর, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, বেসামরিক বিমান পরিবহন, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক থেকে লিবিয়ার প্রবাসী বাংলাদেশিদের সহায়তা দেওয়ার জন্য আইসিআরসি, আইওএম এবং ইউএনএইচসিআরের সহায়তা চায় বাংলাদেশ।মন্ত্রী বলেন, যেসব শহরে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি নেই সেসব শহরের বাংলাদেশি নাগরিকদের আপাতত ফেরত আনা হবে না। তবে পরিস্থিতি যদি এমন অবস্থায় পৌঁছায়, বাংলাদেশিদের ফেরত আনতেই হবে, তাহলে সে প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে। লেবাননে ইতিমধ্যেই বাংলাদেশের একটি জাহাজ প্রস্তুত আছে।বৈঠকে পররাষ্ট্রসচিব মোহাম্মদ মিজারুল কায়েস, প্রবাসীকল্যাণসচিব জাফর আহমেদ খান, নৌবাহিনীর প্রধান জহিরউদ্দিন আহমেদ, আইওএমের দক্ষিণ এশিয়ার প্রধান রাবাব ফাতিমা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
- SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK
- Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী
- যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট সিনেট নির্বাচনে বাংলাদেশি-আমেরিকান শেখ রহমানের টানা পাঁচবার জয়
- A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History
- নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং
- Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency
- New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes